০২:৩৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৬

ফেসবুকের গুরুত্বপূর্ণ নিরাপত্তা

ফেসবুকের নিরাপত্তা এখনকার সময়ে অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। নানাভাবে হ্যাক হতে পারে ফেসবুকের পাসওয়ার্ড। আসুন জেনে নেয়া যাক কীভাবে হ্যাক হতে পারে ফেসবুকের পাসওয়ার্ড।

১. ফেইক বন্ধুত্ব
অনেক সময় দেখা যায় হ্যাকার ছদ্মবেশে আপনার সঙ্গে খুব ভালো সম্পর্ক গড়ে এরা। আপনার বিষয়ে বিভিন্ন তথ্য সংগ্রহ করতে থাকে। এক পর্যায়ে আপনাকে ইনবক্সে লিংক পাঠায়। এসব লিংকে না বুঝে ক্লিক করলেই আপনার গোপন পাসওয়ার্ড এবং ইমেইল হ্যাকারের নিয়ন্ত্রণে চলে যাবে।

২. একাউন্ট ফিশিং
এ প্রক্রিয়ায় হ্যাকার বিবিধ লিংক পাঠাবে। এটা ফেসবুক ম্যাসেজে কিংবা আপনার ইমেইলে তারা পাঠাতে পারে। লিঙ্কগুলো দেখতে অবিকল ফেসবুক থেকে আসা নোটিফিকেশনের মতো। একে বলা হয় ফিশার ওয়েব। অবিকল দেখতে একটি ওয়েবসাইটের মতো হলেও আসলে তা নয়। ফলে যদি ফেসবুক ভেবে লগ ইন করেন তাহলেই আইডি খোয়া যাবে আপনার।

৩. ওয়েবসাইটের শেয়ার বাটন
কিছু ব্যক্তিগত ওয়েবসাইট আছে যেখানে শেয়ার বাটন ক্লিক করা ঝুঁকিপূর্ণ।

৪. ফেসবুক অ্যাপ
ফেসবুকে নানা অ্যাপ রয়েছে। এগুলো ব্যবহারের ক্ষেত্রে সব সময় সাবধান থাকা উচিত। অনেকেই এসব অ্যাপকে নিজের ইমেল একাউন্ট পাসওয়ার্ডসহ নানা তথ্য দিয়ে দেন। যা অনেক ক্ষেত্রেই এরা বিভিন্ন বিজ্ঞাপন সংস্থার কাছে বিক্রি করে। এভাবে ফেসবুক অ্যাপ ব্যবহারের মাধ্যমে নিজের একাউন্ট হারাতে পারেন।

৫. সাইবার ক্যাফেতে লগ ইন

অনেকে শুধু মোবাইলেই ফেসবুক চালাতে অভ্যস্ত। সাইবার ক্যাফের যুগ প্রায় শেষ হলেও এখনো অনেকে কম্পিউটারে বসে। মাঝেমধ্যে কম্পিউটারে বসেন কেবল বিভিন্ন সমস্যার সমাধান করতে। এসব ক্ষেত্রে যারা পাবলিক কম্পিউটার যেমন- সাইবার ক্যাফেতে যান, অনেক সময় তারা একাউন্ট লগ আউট করতে ভুলে যান। অথবা অনেকেই লগ ইন করার সময়ে খেয়াল করেন না রিমেম্বার পাসওয়ার্ড দেয়া রয়েছে। এভাবে আপনার অজান্তে অন্য কেউ আপনার একাউন্ট এ প্রবেশ করে হ্যাক করে নিতে পারে।

বিবি/ ইএম

ট্যাগ :
জনপ্রিয়

আইনজীবী তালিকাভুক্তির বয়স ৩৫ বছর করার সিদ্ধান্ত

ফেসবুকের গুরুত্বপূর্ণ নিরাপত্তা

প্রকাশিত : ০৫:৫৮:১৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ২ ডিসেম্বর ২০১৮

ফেসবুকের নিরাপত্তা এখনকার সময়ে অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। নানাভাবে হ্যাক হতে পারে ফেসবুকের পাসওয়ার্ড। আসুন জেনে নেয়া যাক কীভাবে হ্যাক হতে পারে ফেসবুকের পাসওয়ার্ড।

১. ফেইক বন্ধুত্ব
অনেক সময় দেখা যায় হ্যাকার ছদ্মবেশে আপনার সঙ্গে খুব ভালো সম্পর্ক গড়ে এরা। আপনার বিষয়ে বিভিন্ন তথ্য সংগ্রহ করতে থাকে। এক পর্যায়ে আপনাকে ইনবক্সে লিংক পাঠায়। এসব লিংকে না বুঝে ক্লিক করলেই আপনার গোপন পাসওয়ার্ড এবং ইমেইল হ্যাকারের নিয়ন্ত্রণে চলে যাবে।

২. একাউন্ট ফিশিং
এ প্রক্রিয়ায় হ্যাকার বিবিধ লিংক পাঠাবে। এটা ফেসবুক ম্যাসেজে কিংবা আপনার ইমেইলে তারা পাঠাতে পারে। লিঙ্কগুলো দেখতে অবিকল ফেসবুক থেকে আসা নোটিফিকেশনের মতো। একে বলা হয় ফিশার ওয়েব। অবিকল দেখতে একটি ওয়েবসাইটের মতো হলেও আসলে তা নয়। ফলে যদি ফেসবুক ভেবে লগ ইন করেন তাহলেই আইডি খোয়া যাবে আপনার।

৩. ওয়েবসাইটের শেয়ার বাটন
কিছু ব্যক্তিগত ওয়েবসাইট আছে যেখানে শেয়ার বাটন ক্লিক করা ঝুঁকিপূর্ণ।

৪. ফেসবুক অ্যাপ
ফেসবুকে নানা অ্যাপ রয়েছে। এগুলো ব্যবহারের ক্ষেত্রে সব সময় সাবধান থাকা উচিত। অনেকেই এসব অ্যাপকে নিজের ইমেল একাউন্ট পাসওয়ার্ডসহ নানা তথ্য দিয়ে দেন। যা অনেক ক্ষেত্রেই এরা বিভিন্ন বিজ্ঞাপন সংস্থার কাছে বিক্রি করে। এভাবে ফেসবুক অ্যাপ ব্যবহারের মাধ্যমে নিজের একাউন্ট হারাতে পারেন।

৫. সাইবার ক্যাফেতে লগ ইন

অনেকে শুধু মোবাইলেই ফেসবুক চালাতে অভ্যস্ত। সাইবার ক্যাফের যুগ প্রায় শেষ হলেও এখনো অনেকে কম্পিউটারে বসে। মাঝেমধ্যে কম্পিউটারে বসেন কেবল বিভিন্ন সমস্যার সমাধান করতে। এসব ক্ষেত্রে যারা পাবলিক কম্পিউটার যেমন- সাইবার ক্যাফেতে যান, অনেক সময় তারা একাউন্ট লগ আউট করতে ভুলে যান। অথবা অনেকেই লগ ইন করার সময়ে খেয়াল করেন না রিমেম্বার পাসওয়ার্ড দেয়া রয়েছে। এভাবে আপনার অজান্তে অন্য কেউ আপনার একাউন্ট এ প্রবেশ করে হ্যাক করে নিতে পারে।

বিবি/ ইএম