আসন্ন একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে নির্বাচনী ইশতেহারে ২১টি অঙ্গীকার দিয়েছে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ।
মঙ্গলবার সকাল ১০টার কিছু পর রাজধানীর হোটেল সোনারগাঁওয়ে আয়োজিত এক বর্ণাঢ্য অনুষ্ঠানে ‘সমৃদ্ধির অগ্রযাত্রায় অপ্রতিরোধ্য বাংলাদেশ’ শীর্ষক আওয়ামী লীগের ইশতেহার ঘোষণা শুরু হয়। ইশতেহার ঘোষণা করছেন আওয়ামী লীগ সভাপতি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
‘সমৃদ্ধির অগ্রযাত্রায় বাংলাদেশ’ শীর্ষক ইশতেহারে আওয়ামী লীগ ২১টি বিশেষ অঙ্গীকার অঙ্গীকার তুলে ধরেছে, সেগুলোর মধ্যে রয়েছে:
১. গণতন্ত্র, নির্বাচন ও কার্যকর সংসদ
২. আইনের শাসন ও মানবাধিকার সংরক্ষণ
৩. দক্ষ, সেবামুখী ও জবাবদিহিতা মূলক প্রশাসন
৪. জনবান্ধব আইনশৃঙ্খলা বাহিনী গড়ে তোলা
৫. দুর্নীতি বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি গ্রহণ
৬. অগ্রাধিকার ভিত্তিতে সন্ত্রাস, জঙ্গিবাদ, সাম্প্রদায়িকতা ও মাদক নির্মূল
৭. স্থানীয় সরকার, জনগণের ক্ষমতায়ন
৮. প্রতিটি গ্রামে আধুনিক নগরীর সব সুবিধা পৌঁছে দেয়া
৯. গণমাধ্যমের স্বাধীনতা নিশ্চিত করা
১০. দেশের সার্বভৌমত্ব ও অখণ্ডতা রক্ষা
১১. ২০৩০ সালের মধ্যে বাংলাদেশ হবে মধ্যম আয়ের দেশ
১২. ২০২০ সালের মধ্যে সবার জন্য বিদ্যুৎ নিশ্চিত করা হবে
১৩. ১ বছরের নিচে ও ৬৫ বছরের উপরে সকল নাগরিককে বিনামূল্যে স্বাস্থ্যসেবা দেয়া হবে
১৪. নারীর ক্ষমতায়ন, লিঙ্গ সমতা ও শিশুকল্যাণ
১৫. পুষ্টিসম্মত ও নিরাপদ খাদ্যের নিশ্চয়তা
১৬. গণতন্ত্র ও আইনের শাসন সুদৃঢ় করা
১৭. নিরাপদ সড়কের নিশ্চয়তা
১৮. প্রবীণ কল্যাণ কর্মসূচি
১৯. সরকারি ও বেসরকারি বিনিয়োগ বৃদ্ধি
২০. দারিদ্র্য নির্মূল
২১. সব স্তরে শিক্ষার মান বৃদ্ধি
এসব অঙ্গীকারের মধ্যে দুটি বিষয়ের ওপর বিশেষ জোর দেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে একটি- আমার গ্রাম-আমার শহর; যেখানে প্রতিটি গ্রামে আধুনিক নগর সুবিধা পৌঁছে দেওয়ার রূপরেখা তুলে ধরা হয়েছে। দ্বিতীয়টি হচ্ছে, তারুণ্যের শক্তি-বাংলাদেশের সমৃদ্ধি।
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, প্রতিটি গ্রামকে আধুনিক নগর সুবিধা সম্প্রসারণ করা হবে। আমরা নির্বাচিত হয়ে সরকার গঠন করলে প্রতিটি গ্রামকে শহরে উন্নীত করার কর্মসূচি প্রণয়ন ও বাস্তবায়ন করবো।
‘আর যুবসমাজ, তারুণ্যের এই শক্তি-ই বাংলাদেশের সমৃদ্ধি। সোনার বাংলার স্বপ্ন বাস্তবায়ন ও ডিজিটাল বাংলাদেশের প্রধানতম শক্তি যুবশক্তি। দেশের এই শক্তিকে সুসংগঠিত ও সুশৃঙ্খল এবং উৎপাদনমুখী শক্তিকে রূপান্তরের লক্ষ্য অর্জনে আওয়ামী লীগ প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।’
এর আগে ইশতেহার ঘোষণার আগে জাতীয় সংগীতের মাধ্যমে এ উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠান শুরু হয়।
এতে সুশীল সমাজের প্রতিনিধি, শিক্ষক, প্রকৌশলী, বুদ্ধিজীবী, তরুণ সমাজের প্রতিনিধি, ঢাকায় নিযুক্ত বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রদূত ও কূটনীতিক, দেশি-বিদেশি সাংবাদিকসহ বিভিন্ন শ্রেণী-পেশার মানুষ উপস্থিত রয়েছেন।
অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন ইশতেহার প্রণয়ন কমিটির আহ্বায়ক ও আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য ড. আব্দুর রাজ্জাক এবং দলের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের। অনুষ্ঠান উপস্থাপন করেন আওয়ামী লীগের প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক ড. হাছান মাহমুদ।
বিবি/জেজে
























