১১:২৪ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৬ জানুয়ারী ২০২৬

অর্থ আত্মসাতে সাবেক কর্মকর্তার ১০ বছর কারাদণ্ড

বাংলাদেশ ব্যাংকের অর্থ আত্মসাতের মামলায় ব্যাংকের সাবেক সহকারি পরিচালক এসএম গিয়াস উদ্দিনকে ১০ বছরের কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। পাশাপাশি তাকে ৬৪ লাখ ৩৩ হাজার ৭০০ টাকা অর্থদণ্ডের আদেশ দেয়া হয়।

রোববার দুপুরে ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-১০ এর বিচারক জয়নাল আবেদীন এ রায় ঘোষণা করেন।

আদালতে আসামীর পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী মাসুদ আহমেদ তালুকদার। অপরদিকে রাষ্ট্রপক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী আবুল হোসেন।

রায় ঘোষণার সময় আসামি এসএম গিয়াস উদ্দিন আদালতে উপস্থিত ছিলেন। রায় ঘোষণার পর সাজা পরোয়ানা দিয়ে তাকে কারাগারে পাঠানো হয়।

এই মামলার অন্য দুই আসামি মকবুল হোসেন ও মহিউদ্দিন মৃধার অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় তাদের বেকসুর খালাস দেন আদালত। মামলার আরেক আসামি আজিজুল হক মারা যাওয়ায় তাকে এ মামলা থেকে অব্যাহতি দেয়া হয়।

মামলার বিবরণে জানা গেছে, ১৯৯৬ সালের ৮ নভেম্বর থেকে ১৯৯৭ সালের ৫ মার্চের মধ্যে পরস্পর যোগসাজশে বিভিন্ন সময়ে বাংলাদেশ ব্যাংকের বিভিন্ন শাখায় মিথ্যা তথ্য দিয়ে অ্যাকাউন্ট খুলে ৫২ লাখ ৫৯ হাজার ৭০০ টাকা আত্মসাৎ করেন।

ওই ঘটনায় ১৯৯৭ সালের ২৫ মে মতিঝিল থানায় মামলাটি দায়ের করা হয়।

২০০৩ সালের ৫ জানুয়ারি মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা মো. আব্দুল হান্নান মামলার তদন্ত শেষে চার্জশিট দাখিল করেন।

বিবি/রেআ

ট্যাগ :
জনপ্রিয়

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রতিবন্ধী নাগরিকদের ভোটাধিকার প্রয়োগ তাৎপর্যপূর্ণ

অর্থ আত্মসাতে সাবেক কর্মকর্তার ১০ বছর কারাদণ্ড

প্রকাশিত : ০৩:১৮:৩৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৭ ফেব্রুয়ারী ২০১৯

বাংলাদেশ ব্যাংকের অর্থ আত্মসাতের মামলায় ব্যাংকের সাবেক সহকারি পরিচালক এসএম গিয়াস উদ্দিনকে ১০ বছরের কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। পাশাপাশি তাকে ৬৪ লাখ ৩৩ হাজার ৭০০ টাকা অর্থদণ্ডের আদেশ দেয়া হয়।

রোববার দুপুরে ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-১০ এর বিচারক জয়নাল আবেদীন এ রায় ঘোষণা করেন।

আদালতে আসামীর পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী মাসুদ আহমেদ তালুকদার। অপরদিকে রাষ্ট্রপক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী আবুল হোসেন।

রায় ঘোষণার সময় আসামি এসএম গিয়াস উদ্দিন আদালতে উপস্থিত ছিলেন। রায় ঘোষণার পর সাজা পরোয়ানা দিয়ে তাকে কারাগারে পাঠানো হয়।

এই মামলার অন্য দুই আসামি মকবুল হোসেন ও মহিউদ্দিন মৃধার অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় তাদের বেকসুর খালাস দেন আদালত। মামলার আরেক আসামি আজিজুল হক মারা যাওয়ায় তাকে এ মামলা থেকে অব্যাহতি দেয়া হয়।

মামলার বিবরণে জানা গেছে, ১৯৯৬ সালের ৮ নভেম্বর থেকে ১৯৯৭ সালের ৫ মার্চের মধ্যে পরস্পর যোগসাজশে বিভিন্ন সময়ে বাংলাদেশ ব্যাংকের বিভিন্ন শাখায় মিথ্যা তথ্য দিয়ে অ্যাকাউন্ট খুলে ৫২ লাখ ৫৯ হাজার ৭০০ টাকা আত্মসাৎ করেন।

ওই ঘটনায় ১৯৯৭ সালের ২৫ মে মতিঝিল থানায় মামলাটি দায়ের করা হয়।

২০০৩ সালের ৫ জানুয়ারি মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা মো. আব্দুল হান্নান মামলার তদন্ত শেষে চার্জশিট দাখিল করেন।

বিবি/রেআ