০৫:৫৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ০২ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

রেগে গেলে আমাকে থামানো কঠিন: চাঁদনী

চাঁদনী। নৃত্যশিল্পী, মডেল ও অভিনেত্রী। বাংলাভিশনে প্রচার হচ্ছে তার অভিনীত ধারাবাহিক নাটক ‘পাগলা হাওয়া’। এ নাটক ও বর্তমান ব্যস্ততা ও অন্যান্য প্রসঙ্গে কথা হয় তার সঙ্গে-

ঠিক কী কারণে এতদিন ধরে দর্শক ‘পাগলা হাওয়া’ নাটকটি দেখছেন বলে আপনার মনে হয়?

অন্যান্য হাসির নাটকের চেয়ে ‘পাগলা হাওয়া’র গল্প কিছুটা হলেও আলাদা। গল্পে মজার ঘটনার মধ্য দিয়ে সমাজের অবহেলিত একটি শ্রেণিকে দেখানো হয়েছে। একটি মানসিক হাসপাতালে চিকিৎসাধীন কিছু ভারসাম্যহীন মানুষের চালচিত্র উঠে এসেছে এ নাটকে। নির্মাতা আশিক মাহমুদ রনি গল্পটা এমনভাবে উপস্থাপন করেছেন যাতে দর্শক আনন্দ পাওয়ার পাশাপাশি মানসিক ভারসাম্যহীন মানুষগুলোকে নিয়ে আলাদা করে ভাবেন। নাটকে আমার চরিত্রও ভারসাম্যহীন এক নারীর। এ ধরনের গল্পের নাটক সেভাবে নির্মিত হয়নি। এজন্যই হয়তো শুরু থেকে এখন পর্যন্ত নাটকটি অনেকে নিয়মিত দেখছেন।

বেশ কিছুদিন অভিনয় থেকে দূরে ছিলেন। এখন কি অভিনয় ক্যারিয়ার নিয়ে নতুন করে ভাবছেন?

সব সময় সেই কাজটি করতে চেয়েছি, যা আগের কাজগুলো থেকে আলাদা। বেশ কিছুদিন অভিনয় করিনি। এজন্য চেষ্টা করছি, ভিন্ন ধরনের কাজের মধ্য দিয়ে আবারও দর্শকের কাছাকাছি যাওয়ার। নাচ নিয়েও নিরীক্ষাধর্মী কাজ করতে চাই।

চলচ্চিত্রে অভিনয় করে অনেকের প্রশংসা পেলেও এখন একেবারেই কাজ করছেন না, কারণ কী?

সিনেমায় আর কখনও অভিনয় করব না- এমন কোনো ঘোষণা দিইনি। ভালো কাজের সুযোগ পেলে এখনও অভিনয়ের জন্য প্রস্তুত। অনেকেই এখন ভালো ছবি নির্মাণ করছেন। ইন্ডাস্ট্রিও একটা বড় পরিবর্তনের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। মাঝে সময়টা খারাপ গেছে, যার অনেকটাই কাটিয়ে উঠতে পেরেছি আমরা।

অভিনয়ের পাশাপাশি ব্যক্তিজীবন নিয়ে আলাদা করে কোনো পরিকল্পনা করছেন?

ব্যক্তিজীবনে আমি এখন একা। তাই ভেবেচিন্তে পথ চলতে চাই। চলার পথের প্রতিবন্ধকতা দূরে সরিয়ে সামনে এগিয়ে যেতে চাই। এর বাইরে আলাদা করে কিছু ভাবিনি।

নিজের কোন দিকটা ভালো, আর কোনটা মন্দ এসব নিয়ে ভাবেন?

কাজের বিষয়ে আমি নিবেদিত। খারাপ দিক হলো আমি প্রচণ্ড রাগী। রেগে গেলে আমাকে থামানো কঠিন। রাগ কমানো যায় কি-না তা নিয়েই মাঝে মাঝে ভাবি।

বিবি/রেআ

ট্যাগ :

নীলফামারীতে সরাসরি প্রশ্নের উত্তর দিলেন ছয় প্রার্থী, আশ্বাস দিলেন অর্থনৈতিক সক্ষমতা বাড়ানোর

রেগে গেলে আমাকে থামানো কঠিন: চাঁদনী

প্রকাশিত : ০১:২৯:২৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৩ ফেব্রুয়ারী ২০১৯

চাঁদনী। নৃত্যশিল্পী, মডেল ও অভিনেত্রী। বাংলাভিশনে প্রচার হচ্ছে তার অভিনীত ধারাবাহিক নাটক ‘পাগলা হাওয়া’। এ নাটক ও বর্তমান ব্যস্ততা ও অন্যান্য প্রসঙ্গে কথা হয় তার সঙ্গে-

ঠিক কী কারণে এতদিন ধরে দর্শক ‘পাগলা হাওয়া’ নাটকটি দেখছেন বলে আপনার মনে হয়?

অন্যান্য হাসির নাটকের চেয়ে ‘পাগলা হাওয়া’র গল্প কিছুটা হলেও আলাদা। গল্পে মজার ঘটনার মধ্য দিয়ে সমাজের অবহেলিত একটি শ্রেণিকে দেখানো হয়েছে। একটি মানসিক হাসপাতালে চিকিৎসাধীন কিছু ভারসাম্যহীন মানুষের চালচিত্র উঠে এসেছে এ নাটকে। নির্মাতা আশিক মাহমুদ রনি গল্পটা এমনভাবে উপস্থাপন করেছেন যাতে দর্শক আনন্দ পাওয়ার পাশাপাশি মানসিক ভারসাম্যহীন মানুষগুলোকে নিয়ে আলাদা করে ভাবেন। নাটকে আমার চরিত্রও ভারসাম্যহীন এক নারীর। এ ধরনের গল্পের নাটক সেভাবে নির্মিত হয়নি। এজন্যই হয়তো শুরু থেকে এখন পর্যন্ত নাটকটি অনেকে নিয়মিত দেখছেন।

বেশ কিছুদিন অভিনয় থেকে দূরে ছিলেন। এখন কি অভিনয় ক্যারিয়ার নিয়ে নতুন করে ভাবছেন?

সব সময় সেই কাজটি করতে চেয়েছি, যা আগের কাজগুলো থেকে আলাদা। বেশ কিছুদিন অভিনয় করিনি। এজন্য চেষ্টা করছি, ভিন্ন ধরনের কাজের মধ্য দিয়ে আবারও দর্শকের কাছাকাছি যাওয়ার। নাচ নিয়েও নিরীক্ষাধর্মী কাজ করতে চাই।

চলচ্চিত্রে অভিনয় করে অনেকের প্রশংসা পেলেও এখন একেবারেই কাজ করছেন না, কারণ কী?

সিনেমায় আর কখনও অভিনয় করব না- এমন কোনো ঘোষণা দিইনি। ভালো কাজের সুযোগ পেলে এখনও অভিনয়ের জন্য প্রস্তুত। অনেকেই এখন ভালো ছবি নির্মাণ করছেন। ইন্ডাস্ট্রিও একটা বড় পরিবর্তনের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। মাঝে সময়টা খারাপ গেছে, যার অনেকটাই কাটিয়ে উঠতে পেরেছি আমরা।

অভিনয়ের পাশাপাশি ব্যক্তিজীবন নিয়ে আলাদা করে কোনো পরিকল্পনা করছেন?

ব্যক্তিজীবনে আমি এখন একা। তাই ভেবেচিন্তে পথ চলতে চাই। চলার পথের প্রতিবন্ধকতা দূরে সরিয়ে সামনে এগিয়ে যেতে চাই। এর বাইরে আলাদা করে কিছু ভাবিনি।

নিজের কোন দিকটা ভালো, আর কোনটা মন্দ এসব নিয়ে ভাবেন?

কাজের বিষয়ে আমি নিবেদিত। খারাপ দিক হলো আমি প্রচণ্ড রাগী। রেগে গেলে আমাকে থামানো কঠিন। রাগ কমানো যায় কি-না তা নিয়েই মাঝে মাঝে ভাবি।

বিবি/রেআ