১২:৩৪ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

‘উত্তর কোরিয়া অবস্থান বদলাবে না’

উত্তর কোরিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী রি ইয়ং হো জানিয়েছেন, যুক্তরাষ্ট্র আরো আলোচনা চাইলেও পিয়ংইয়ং তার অবস্থান বদল করবে না। বৃহস্পতিবার ভিয়েতনামের হ্যানয়ে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও উত্তর কোরিয়ার শীর্ষ নেতা কিম জং উনের বৈঠক কোনো চুক্তি ছাড়া শেষ হওয়ার পর এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা বলেছেন।

বৈঠক থেকে বের হয়ে ট্রাম্প জানিয়েছেন, উত্তর কোরিয়া তাদের ওপর আরোপিত সব নিষেধাজ্ঞার প্রত্যাহার চায়। তবে যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষে এ দাবি মানা সম্ভব নয়। ট্রাম্পের সংবাদ সম্মেলনের কিছুক্ষণ পরেই পৃথক সংবাদ সম্মেলন করেন রি ইয়ং।

ট্রাম্পের অভিযোগ প্রত্যাখ্যান করে তিনি জানিয়েছেন, সম্পূর্ণ নয়, বরং আশিংক নিষেধাজ্ঞার প্রত্যাহার চেয়েছেন তারা। যে নিষেধাজ্ঞাগুলো জনগণের জীবনধারণের সঙ্গে সম্পৃক্ত ও সামরিক নিষেধাজ্ঞার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট নয় কেবল সেগুলোরই প্রত্যাহার চেয়েছেন তারা।

তিনি বলেন, তার দেশ একটি বাস্তবসম্মত প্রস্তাব দিয়েছিল, যার মধ্যে যুক্তরাষ্ট্রের পর্যবেক্ষকদের আওতায় ইয়ংবায়ন পারমাণবিক গবেষণা কেন্দ্র সম্পূর্ণ বন্ধেরও প্রস্তাবও ছিল।

পররাষ্ট্রমন্ত্রী রি ইয়ং বলেন, ‘এটা ছিল পারমাণবিক নিরস্ত্রীকরণের সবচেয়ে বড় পদক্ষেপ যা দুই দেশের মধ্যে বিদ্যমান আস্থার সম্পর্কের ভিত্তিতে আমরা নিতে পারতাম।’

বিবি/ ইএম

ট্যাগ :

নীলফামারীতে সরাসরি প্রশ্নের উত্তর দিলেন ছয় প্রার্থী, আশ্বাস দিলেন অর্থনৈতিক সক্ষমতা বাড়ানোর

‘উত্তর কোরিয়া অবস্থান বদলাবে না’

প্রকাশিত : ০৪:০৭:২৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১ মার্চ ২০১৯

উত্তর কোরিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী রি ইয়ং হো জানিয়েছেন, যুক্তরাষ্ট্র আরো আলোচনা চাইলেও পিয়ংইয়ং তার অবস্থান বদল করবে না। বৃহস্পতিবার ভিয়েতনামের হ্যানয়ে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও উত্তর কোরিয়ার শীর্ষ নেতা কিম জং উনের বৈঠক কোনো চুক্তি ছাড়া শেষ হওয়ার পর এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা বলেছেন।

বৈঠক থেকে বের হয়ে ট্রাম্প জানিয়েছেন, উত্তর কোরিয়া তাদের ওপর আরোপিত সব নিষেধাজ্ঞার প্রত্যাহার চায়। তবে যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষে এ দাবি মানা সম্ভব নয়। ট্রাম্পের সংবাদ সম্মেলনের কিছুক্ষণ পরেই পৃথক সংবাদ সম্মেলন করেন রি ইয়ং।

ট্রাম্পের অভিযোগ প্রত্যাখ্যান করে তিনি জানিয়েছেন, সম্পূর্ণ নয়, বরং আশিংক নিষেধাজ্ঞার প্রত্যাহার চেয়েছেন তারা। যে নিষেধাজ্ঞাগুলো জনগণের জীবনধারণের সঙ্গে সম্পৃক্ত ও সামরিক নিষেধাজ্ঞার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট নয় কেবল সেগুলোরই প্রত্যাহার চেয়েছেন তারা।

তিনি বলেন, তার দেশ একটি বাস্তবসম্মত প্রস্তাব দিয়েছিল, যার মধ্যে যুক্তরাষ্ট্রের পর্যবেক্ষকদের আওতায় ইয়ংবায়ন পারমাণবিক গবেষণা কেন্দ্র সম্পূর্ণ বন্ধেরও প্রস্তাবও ছিল।

পররাষ্ট্রমন্ত্রী রি ইয়ং বলেন, ‘এটা ছিল পারমাণবিক নিরস্ত্রীকরণের সবচেয়ে বড় পদক্ষেপ যা দুই দেশের মধ্যে বিদ্যমান আস্থার সম্পর্কের ভিত্তিতে আমরা নিতে পারতাম।’

বিবি/ ইএম