০১:৫৯ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

বরগুনায় অতিবর্ষণে ব্যাপক ক্ষতি রবি শস্যের

অতিবর্ষণে বরগুনায় তরমুজসহ রবি শস্যের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। পানি জমে তরমুজ, মুগডাল, খেসারী ডাল, স‚র্য্যম‚খী, আলু ও চিনাবাদাম গাছ পঁচে গেছে। এতে প্রায় ৮০ কোটি টাকার ক্ষতি হবে বলে জানান কৃষকরা।

কৃষি অফিস সূত্রে জানা গেছে, উপজেলায় এ বছর তরমুজ ১৮ হাজার, মুগডাল ২১ হাজার ৫০০, খেসারী ডাল ১৭ হাজার ৫০০, চিনাবাদাম ১৫’শ ৬০ ও স‚র্য্যম‚খী ১১’শ ৫০ হেক্টর জমিতে লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছিল। লক্ষ্যমাত্রা পূরণ হলেও অতিবর্ষনের কারনে ওই জমির ফসল কৃষকরা ঘরে তুলতে পারেনি। ঘরে তোলার পূর্বেই খেসারী, মুগডাল নষ্ট হয়ে গেছে। তরমুজ ও চিনাবাদামের ক্ষেতে পানি জমে গাছ পঁচে গেছে।

গত ২৫ ফেব্রুয়ারী সকালে আকষ্মিক ঝড়ের সাথে মুষলধারে বৃষ্টি শুরু হয়। ওই বৈরি আবহাওয়া তিন দিন স্থায়ী ছিল। ওই সময় তরমুজসহ রবি ফসলের ক্ষতি হয়। কৃষকরা ওই ক্ষতি কিছ্টুা কাটিয়ে উঠার চেষ্টা করলেও সোমবার রাত থেকে মুষলধারে বৃষ্টিতে তরমুজ, মুগডাল, খেসারী ডাল, সূর্য্যমুখী ও চিনাবাদামের ক্ষেত পানিতে তলিয়ে গেছে। ফলে রবি শস্য রক্ষা করার কোন সম্ভাবনা রইল না। এতে কৃষকের ৮০ কোটি টাকা ক্ষতি হবে বলে জানান কৃষকরা।

বিভিন্ন স্থানে ঘুরে দেখাগেছে, আমতলী, তালতলী, বরগুনা সদর উপজেলাসহ বিভিন্ন এলাকা বৃষ্টির পানিতে ফসলের ক্ষেত তলিয়ে গেছে। পানির নিচে রবি শস্যের গাছগুলো ফাসছে।

কৃষি অফিসার এসএম বদরুল আলম বলেন, অতিবর্ষণে রবি ফসলের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। এতে কৃষকের ঘুরে দাড়ানোর কোন সম্ভাবনা নেই। তিনি আরো বলেন, ক্ষয়ক্ষতির প্রতিবেদন তৈরি করে উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে।

বিবি/রেআ

ট্যাগ :

নীলফামারীতে সরাসরি প্রশ্নের উত্তর দিলেন ছয় প্রার্থী, আশ্বাস দিলেন অর্থনৈতিক সক্ষমতা বাড়ানোর

বরগুনায় অতিবর্ষণে ব্যাপক ক্ষতি রবি শস্যের

প্রকাশিত : ০৩:২৪:০৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ৬ মার্চ ২০১৯

অতিবর্ষণে বরগুনায় তরমুজসহ রবি শস্যের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। পানি জমে তরমুজ, মুগডাল, খেসারী ডাল, স‚র্য্যম‚খী, আলু ও চিনাবাদাম গাছ পঁচে গেছে। এতে প্রায় ৮০ কোটি টাকার ক্ষতি হবে বলে জানান কৃষকরা।

কৃষি অফিস সূত্রে জানা গেছে, উপজেলায় এ বছর তরমুজ ১৮ হাজার, মুগডাল ২১ হাজার ৫০০, খেসারী ডাল ১৭ হাজার ৫০০, চিনাবাদাম ১৫’শ ৬০ ও স‚র্য্যম‚খী ১১’শ ৫০ হেক্টর জমিতে লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছিল। লক্ষ্যমাত্রা পূরণ হলেও অতিবর্ষনের কারনে ওই জমির ফসল কৃষকরা ঘরে তুলতে পারেনি। ঘরে তোলার পূর্বেই খেসারী, মুগডাল নষ্ট হয়ে গেছে। তরমুজ ও চিনাবাদামের ক্ষেতে পানি জমে গাছ পঁচে গেছে।

গত ২৫ ফেব্রুয়ারী সকালে আকষ্মিক ঝড়ের সাথে মুষলধারে বৃষ্টি শুরু হয়। ওই বৈরি আবহাওয়া তিন দিন স্থায়ী ছিল। ওই সময় তরমুজসহ রবি ফসলের ক্ষতি হয়। কৃষকরা ওই ক্ষতি কিছ্টুা কাটিয়ে উঠার চেষ্টা করলেও সোমবার রাত থেকে মুষলধারে বৃষ্টিতে তরমুজ, মুগডাল, খেসারী ডাল, সূর্য্যমুখী ও চিনাবাদামের ক্ষেত পানিতে তলিয়ে গেছে। ফলে রবি শস্য রক্ষা করার কোন সম্ভাবনা রইল না। এতে কৃষকের ৮০ কোটি টাকা ক্ষতি হবে বলে জানান কৃষকরা।

বিভিন্ন স্থানে ঘুরে দেখাগেছে, আমতলী, তালতলী, বরগুনা সদর উপজেলাসহ বিভিন্ন এলাকা বৃষ্টির পানিতে ফসলের ক্ষেত তলিয়ে গেছে। পানির নিচে রবি শস্যের গাছগুলো ফাসছে।

কৃষি অফিসার এসএম বদরুল আলম বলেন, অতিবর্ষণে রবি ফসলের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। এতে কৃষকের ঘুরে দাড়ানোর কোন সম্ভাবনা নেই। তিনি আরো বলেন, ক্ষয়ক্ষতির প্রতিবেদন তৈরি করে উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে।

বিবি/রেআ