০৮:৩৮ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

জবির শতকরা ৮০ জন শিক্ষার্থী স্বাস্থ্য ঝুঁকিতে

প্রতিষ্ঠার তেরো বছর পার হলেও অভাব ও দূর্ভোগ যেন পিছু ছাড়ছে না জবি শিক্ষার্থীদের। জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হওয়ার পর শিক্ষার্থীরা অনুভব করতে থাকে একের পর এক সমস্যা। হল নেই, ক্লাসরুম সংকট, একমাত্র ক্যাফেটেরিয়া সেখানেও পঁচা-বাসি খাবার। যাতায়াত সংকট, সমাবর্তন হয়নি এখনও, একমাত্র মেডিকেল সেন্টারে নেই চিকিৎসার সঠিক সরঞ্জাম ও সুব্যবস্থা। ছাত্র-শিক্ষক মিলন কেন্দ্র (টিএসসির) নেই কোন অবকাঠামো, কেন্দ্রীয় পরীক্ষাগারের অভাব, মুক্ত সাংস্কৃতিক চর্চার জন্য নেই কোন মুক্ত মঞ্চ।

বিশ্ববিদ্যালয়টির কোন আবাসিক হল না থাকায় দেখা যায় শতকরা ৮০ ভাগ শিক্ষার্থীই থাকেন মেসে কিংবা হোস্টেলে।এতে শিক্ষার্থীদের খাবারের মানে রয়েছে যথেষ্ট ঘাটতি।তাছাড়াও বিশ্ববিদ্যালয়টির একমাত্র ক্যাফেটেরিয়াতে পর্যাপ্ত স্বাস্থ্যকর খাবার না থাকায় শিক্ষার্থীরা বিশ্ববিদ্যালয়ের আশে পাশের হোটেলে কিংবা খোলা আকাশের নিচের খাবার বাধ্য হয়ে খাচ্ছে।

এদিকে এসব খাবারের হোটেল গুলোর কোন তদারকি করছে না বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। এসব অস্বাস্থ্যকর খাবার খেয়ে নানান রকম স্বাস্থ্য ঝুঁকিতে ভুগছে শিক্ষার্থীরা।

বিশ্ববিদ্যালয়টির মেডিকেল সেন্টারে গিয়ে সরেজমিনে দেখা যায় কয়েকজন শিক্ষার্থী পেট ব্যাথা ওষুধের জন্য দাঁড়িয়ে আছে।

তাদের একজনের সাথে কথা বলতে চাইলে তিনি জানান, বিশ্ববিদ্যালয়টিতে নেই স্বাস্থ্যকর খাবারের সুব্যবস্থা। আমরা সকাল থেকে বিকাল পর্যন্ত ক্লাশ করি।বাধ্য হয়েই বাহিরের খাবার খেতে হয়।আর এসব খাবার খেয়েই আমরা ভুগছি গ্যাস্ট্রিক, আলসার,ডাইরিয়া, জন্ডিসের মত পানি বাহিত অনেক রোগে।

এই বিষয়ে জানতে চাইলে বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্র কল্যাণের পরিচালক সহযোগী অধ্যাপক মোহাম্মদ আবদুল বাকী বলেন,বিশ্ববিদ্যালয়ের বাহিরের খাবারের দোকান গুলোর দেখা শুনার দায়িত্ব আমাদের নয়।আমরা তাদের খাবারের মান নিয়ে প্রশ্ন তুলতে পারি না।তবে আমাদের যতটুকু সম্ভব বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিতরের ক্যাফেটেরিয়া ও ক্যান্টিনের খাবারের মান নিয়ে কাজ করি।

বিবি/রেআ

ট্যাগ :

নীলফামারীতে সরাসরি প্রশ্নের উত্তর দিলেন ছয় প্রার্থী, আশ্বাস দিলেন অর্থনৈতিক সক্ষমতা বাড়ানোর

জবির শতকরা ৮০ জন শিক্ষার্থী স্বাস্থ্য ঝুঁকিতে

প্রকাশিত : ০৩:৫৯:২১ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৪ মার্চ ২০১৯

প্রতিষ্ঠার তেরো বছর পার হলেও অভাব ও দূর্ভোগ যেন পিছু ছাড়ছে না জবি শিক্ষার্থীদের। জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হওয়ার পর শিক্ষার্থীরা অনুভব করতে থাকে একের পর এক সমস্যা। হল নেই, ক্লাসরুম সংকট, একমাত্র ক্যাফেটেরিয়া সেখানেও পঁচা-বাসি খাবার। যাতায়াত সংকট, সমাবর্তন হয়নি এখনও, একমাত্র মেডিকেল সেন্টারে নেই চিকিৎসার সঠিক সরঞ্জাম ও সুব্যবস্থা। ছাত্র-শিক্ষক মিলন কেন্দ্র (টিএসসির) নেই কোন অবকাঠামো, কেন্দ্রীয় পরীক্ষাগারের অভাব, মুক্ত সাংস্কৃতিক চর্চার জন্য নেই কোন মুক্ত মঞ্চ।

বিশ্ববিদ্যালয়টির কোন আবাসিক হল না থাকায় দেখা যায় শতকরা ৮০ ভাগ শিক্ষার্থীই থাকেন মেসে কিংবা হোস্টেলে।এতে শিক্ষার্থীদের খাবারের মানে রয়েছে যথেষ্ট ঘাটতি।তাছাড়াও বিশ্ববিদ্যালয়টির একমাত্র ক্যাফেটেরিয়াতে পর্যাপ্ত স্বাস্থ্যকর খাবার না থাকায় শিক্ষার্থীরা বিশ্ববিদ্যালয়ের আশে পাশের হোটেলে কিংবা খোলা আকাশের নিচের খাবার বাধ্য হয়ে খাচ্ছে।

এদিকে এসব খাবারের হোটেল গুলোর কোন তদারকি করছে না বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। এসব অস্বাস্থ্যকর খাবার খেয়ে নানান রকম স্বাস্থ্য ঝুঁকিতে ভুগছে শিক্ষার্থীরা।

বিশ্ববিদ্যালয়টির মেডিকেল সেন্টারে গিয়ে সরেজমিনে দেখা যায় কয়েকজন শিক্ষার্থী পেট ব্যাথা ওষুধের জন্য দাঁড়িয়ে আছে।

তাদের একজনের সাথে কথা বলতে চাইলে তিনি জানান, বিশ্ববিদ্যালয়টিতে নেই স্বাস্থ্যকর খাবারের সুব্যবস্থা। আমরা সকাল থেকে বিকাল পর্যন্ত ক্লাশ করি।বাধ্য হয়েই বাহিরের খাবার খেতে হয়।আর এসব খাবার খেয়েই আমরা ভুগছি গ্যাস্ট্রিক, আলসার,ডাইরিয়া, জন্ডিসের মত পানি বাহিত অনেক রোগে।

এই বিষয়ে জানতে চাইলে বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্র কল্যাণের পরিচালক সহযোগী অধ্যাপক মোহাম্মদ আবদুল বাকী বলেন,বিশ্ববিদ্যালয়ের বাহিরের খাবারের দোকান গুলোর দেখা শুনার দায়িত্ব আমাদের নয়।আমরা তাদের খাবারের মান নিয়ে প্রশ্ন তুলতে পারি না।তবে আমাদের যতটুকু সম্ভব বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিতরের ক্যাফেটেরিয়া ও ক্যান্টিনের খাবারের মান নিয়ে কাজ করি।

বিবি/রেআ