৩ এপ্রিল পবিত্র শবে মেরাজ। আজ থেকে পনের শত বছর আগে আল্লাহ পাক তার হাবিব (সাঃ) মক্কার জমিন থেকে দিদার দেওয়ার জন্য আরশ আজিমে নিয়ে যায়। সেখানে আল্লাহ পাক পাচঁ ওয়াক্ত নামাজ উম্মতের জন্য দান করেন। শবে মেরাজের ফজিলত মিরাজুন্নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সসাল্লাম।
বেহেস্তের ঝর্ণাধারায় রজব।
১০০ শত বছরের ইবাদতের সওয়াব!
শবে মেরাজের আমল: নামায ও রোযা!
শবে মেরাজ উপলক্ষে নফল নামাযের নিয়তে দুই রাকআত করে মোট ১২ রাকআত নামায পড়তে হবে। প্রতি রাকআতে সূরা ফাতিহার সাথে অন্য যেকোন সূরা পড়া যাবে।
নামায শেষে…
১০০ বার যেকোন ইস্তেগফার পড়ুনঃ আস্তাগফিরুল্লাহা রাব্বি মিন কুল্লি জাম্বিওঁ ওয়া আতুবু ইলাইহি; লা হাওলা ওয়া লা কুওয়্যাতা ইল্লা বিল্লাহিল আলিয়্যিল আজিম।’
১০০ বার যেকোন দরুদ শরীফ পড়ুনঃ
আল্লাহুম্মা সাল্লি আলা সাইয়্যিদিনা মুহাম্মাদিম মাদানিল জুদি ওয়াল কারামি মাম্বাইল ইলমি ওয়াল হিলমি ওয়াল হিকামি ওয়া আলা আলিহী ওয়া আসহাবিহী ওয়া বারিক ওয়া সাল্লিম।
এরপর পরম দয়ালু ও ক্ষমাশীল আল্লাহ পাকের নিকট দুনিয়া ও আখিরাতের যেকোন কল্যাণকর দো’আ করুন এবং দিনে রোযা রাখুন। ইনশা’আল্লাহ দো’আ কবূল হবে।
(সূত্রঃ কানযুল উম্মাল, খন্ড-১২, পৃষ্ঠাঃ ৩১২-৩১৩, হাদিস নম্বরঃ ৩৫১৭০, এহইয়া উলুমুদ্দীন, বায়হাকী শরীফ, খন্ড-৩, পৃষ্ঠাঃ ৩৭৪, মাসাবাতা বিসুন্নাহ, পৃষ্ঠাঃ ৭০) ১০০ শত বছরের ইবাদতের সওয়াব!
শবে মেরাজের রোযাঃ
হযরত সালমান ফারসী রাদ্বিয়াল্লাহু তা’আলা আনহু হতে বর্ণিত, নবী করিম সাল্লাহু আলাইহে ওয়াসাল্লাম এরশাদ করেন:- রজব মাসের মধ্যে এমন এক দিন এবং রাত আছে, যা বড় মর্যদাবান। যেই ব্যক্তি ঐ দিনে রোজা এবং রাতে ইবাদত করবে, আল্লাহ পাক তার আমল নামাই ১০০ শত বছর লাগাতার রোজা রাখা এবং নামায পড়ার সওয়াব দান করবেন। আর সেই সময়টি হল, রজব মাসের ২৭ তারিখের (শবে মেরাজের) দিন এবং রাত।
বিবি/জেজে
























