০৫:২৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

বৈরী আবহাওয়ায় বোরোতে ফলন বিপর্যয়ের আশঙ্কা

কিশোরগঞ্জের হোসেনপুর উপজেলায় এই বছর লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে বেশি জমিতে বোরো চাষাবাদ হয়েছে। উপজেলার প্রতিটি গ্রামে ও চরাঞ্চলে নিম্নভূমিতে সবুজ ধানের শীষ দোল খাচ্ছে। তবে বৈরী আবহাওয়ার কারণে জমির ফসল নিয়ে দুশ্চিন্তায় কৃষকরা দিন গুনছে।

গত কয়েক দিনের কালবৈশাখী ঝড় আর বৃষ্টিতে কৃষকের ক্ষেতের ধানের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। কৃষকের সকল পরিচর্যায় শেষে শিলাবৃষ্টি কৃষকের হাসি ম্লান করে দিয়েছে ।

উপজেলা কৃষি অফিস সূত্রে জানা গেছে উপজেলায় সাত হাজার হেক্টর জমিতে ইরি-বোরো চাষ আবাদের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ হলেও লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে প্রায় ২ হেক্টর জমিতে বোরো চাষাবাদ হয়েছে। এবছর উপজেলা চরকাটারী, চর হাজিপুর, চর জিনারী, সিদলা ,কাওনা ,পুমদি, শাহেদল সহ উপজেলার সর্বত্র জমিতে বোরো চাষাবাদ হয়েছে ।

হোসেনপুর উপজেলার চরকাটিহারি গ্রামের সাইফুল ইসলাম জানান আবহাওয়া ও প্রকৃতির কারণে এ বছর জমিতে রোগবালাই কম থাকায় আমাদের ব্লকে গত বছরের চেয়ে প্রধান ভালো বুঝা যাচ্ছে। তবে আবহাওয়া প্রতিকূল ফাঁকায় বের দুশ্চিন্তায় আছি, ধান ধান ঘরে ঘরে না ওঠা পর্যন্ত চিন্তার শেষ নেই।

শিলা গ্রামের কৃষক তসলিম জানান গত বছরের চেয়ে এবছর জমিতে রোগবালাই কম।নন্দীগ্রামের হাসমত মেম্বার জানান এ বছর আমাদের এলাকায় ধানের ফলন খুব ভালো দেখা যাচ্ছে। যদি এভাবে শেষ পর্যন্ত আবহাওয়া ভালো থাকে তাহলে বাম্পার ফলন হবে তাতে কোন সন্দেহ নেই।

হোসেনপুর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা ইমরুল কায়েস জানান এ বছর আবহাওয়া ভালো থাকার কারণে অনেক এলাকায় বোরো চাষাবাদ হয়েছিল। বৃষ্টি অঝরে কিছু কিছু এলাকায় ধানের সামান্য ক্ষতি হয়েছে। আগাম পরামর্শ দেওয়াই ব্লাস্ট রোগ চোখে, পড়েনি, এবছর উপজেলায় ব্রি-ধান ২৮ বেশি পরিমাণ জমিতে চাষাবাদ হয়েছে। তাছাড়া ব্রি-ধান ২৯, বিনা-১০, হাইব্রিড ধান চাষাবাদ হয়েছে।

বিবি/রেআ

ট্যাগ :

নীলফামারীতে সরাসরি প্রশ্নের উত্তর দিলেন ছয় প্রার্থী, আশ্বাস দিলেন অর্থনৈতিক সক্ষমতা বাড়ানোর

বৈরী আবহাওয়ায় বোরোতে ফলন বিপর্যয়ের আশঙ্কা

প্রকাশিত : ১১:৩৯:৪০ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৫ এপ্রিল ২০১৯

কিশোরগঞ্জের হোসেনপুর উপজেলায় এই বছর লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে বেশি জমিতে বোরো চাষাবাদ হয়েছে। উপজেলার প্রতিটি গ্রামে ও চরাঞ্চলে নিম্নভূমিতে সবুজ ধানের শীষ দোল খাচ্ছে। তবে বৈরী আবহাওয়ার কারণে জমির ফসল নিয়ে দুশ্চিন্তায় কৃষকরা দিন গুনছে।

গত কয়েক দিনের কালবৈশাখী ঝড় আর বৃষ্টিতে কৃষকের ক্ষেতের ধানের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। কৃষকের সকল পরিচর্যায় শেষে শিলাবৃষ্টি কৃষকের হাসি ম্লান করে দিয়েছে ।

উপজেলা কৃষি অফিস সূত্রে জানা গেছে উপজেলায় সাত হাজার হেক্টর জমিতে ইরি-বোরো চাষ আবাদের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ হলেও লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে প্রায় ২ হেক্টর জমিতে বোরো চাষাবাদ হয়েছে। এবছর উপজেলা চরকাটারী, চর হাজিপুর, চর জিনারী, সিদলা ,কাওনা ,পুমদি, শাহেদল সহ উপজেলার সর্বত্র জমিতে বোরো চাষাবাদ হয়েছে ।

হোসেনপুর উপজেলার চরকাটিহারি গ্রামের সাইফুল ইসলাম জানান আবহাওয়া ও প্রকৃতির কারণে এ বছর জমিতে রোগবালাই কম থাকায় আমাদের ব্লকে গত বছরের চেয়ে প্রধান ভালো বুঝা যাচ্ছে। তবে আবহাওয়া প্রতিকূল ফাঁকায় বের দুশ্চিন্তায় আছি, ধান ধান ঘরে ঘরে না ওঠা পর্যন্ত চিন্তার শেষ নেই।

শিলা গ্রামের কৃষক তসলিম জানান গত বছরের চেয়ে এবছর জমিতে রোগবালাই কম।নন্দীগ্রামের হাসমত মেম্বার জানান এ বছর আমাদের এলাকায় ধানের ফলন খুব ভালো দেখা যাচ্ছে। যদি এভাবে শেষ পর্যন্ত আবহাওয়া ভালো থাকে তাহলে বাম্পার ফলন হবে তাতে কোন সন্দেহ নেই।

হোসেনপুর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা ইমরুল কায়েস জানান এ বছর আবহাওয়া ভালো থাকার কারণে অনেক এলাকায় বোরো চাষাবাদ হয়েছিল। বৃষ্টি অঝরে কিছু কিছু এলাকায় ধানের সামান্য ক্ষতি হয়েছে। আগাম পরামর্শ দেওয়াই ব্লাস্ট রোগ চোখে, পড়েনি, এবছর উপজেলায় ব্রি-ধান ২৮ বেশি পরিমাণ জমিতে চাষাবাদ হয়েছে। তাছাড়া ব্রি-ধান ২৯, বিনা-১০, হাইব্রিড ধান চাষাবাদ হয়েছে।

বিবি/রেআ