১০:৪৬ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

বোরো ধানে ব্লাস্ট রোগ,দিশেহারা কৃষক

কিশোরগঞ্জের হোসেনপুর উপজেলায় বেশ কয়েকটি গ্রামে আধা পাকা ধানে ব্লাস্ট রোগের দেখা দেওয়ায় দিশেহারা হয়ে পড়েছেন কৃষক। এই রোগে আক্রান্ত হয়ে ধান চিটা হয়ে যাচ্ছে।

সরেজমিনে উপজেলার চর কাটিহারি, হাজিপুর, সিদলা, পুমদি, জামাইল গ্রামের ফসলের মাঠে দেখা গেছে, ধান গাছ গুলো পেকে সোনালী রং ধারণ করেছে। কিন্তু কাছে গেলেই চোখ কপালে উঠে যায়, পাকা নয়, ধান গাছগুলো যেন পুড়ে ঝলসে গেছে।

গাছের সব ধানের শীষ শুকিয়ে সাদা হয়ে ধান চিটা হয়ে যাচ্ছে।উপজেলার বড় বাম্পার ফলনের মুখে শেষ মুহূর্তে প্লাস নামক ছত্রাকের আক্রমণে অনেক কৃষকের মুখে হাসি ম্লান এরকম করে দিয়েছে। নেক ব্লাস্ট দ্য ঘাড় পচা রোগটি মূলত প্রকৃতিতে অত্যাধিক নাইট্রোজেন এর প্রভাব থাকায় এমনটি হচ্ছে বলেছেন কৃষি কর্মকর্তারা।

উপজেলার চরকাটিহারি গ্রামের নজরুল ইসলাম বললেন, ৭৫ শতাংশ জমিতে বি-২৮ ধানের আবাদ করেছি । এই জমিতে বোরো ধান চাষ করতে চাষ , সেচ , বীজ রোপণ,সার ও শ্রমিকের মজুরিসহ ৪০ হাজার টাকা খরচ হয়েছে। ক্ষেতের ধান ও আধা পাকা হয়ে গেছে।

কিন্তু কয়েকদিন ধরে ধানের শীষ শুকিয়ে গেছে ভেতরে চিটা হয়ে যাচ্ছে। এবং তা দ্রুত ছড়িয়ে পড়ছে। ফলে ব্যাপক ক্ষতির সম্মুখীন। উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা ইমরুল কায়েস বলেন দেশে প্রচুর বৃষ্টিপাত ও শিলা বৃষ্টির কারণে অল্প কিছু জমিতে এরকম সমস্যা দেখা দিয়েছে। তবে আমরা সারাক্ষণ কৃষকদের পরামর্শ ও তদারকির মাধ্যমে তা নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করে যাচ্ছি।

বিবি/রেআ

ট্যাগ :

নীলফামারীতে সরাসরি প্রশ্নের উত্তর দিলেন ছয় প্রার্থী, আশ্বাস দিলেন অর্থনৈতিক সক্ষমতা বাড়ানোর

বোরো ধানে ব্লাস্ট রোগ,দিশেহারা কৃষক

প্রকাশিত : ১০:০৬:২৪ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২২ এপ্রিল ২০১৯

কিশোরগঞ্জের হোসেনপুর উপজেলায় বেশ কয়েকটি গ্রামে আধা পাকা ধানে ব্লাস্ট রোগের দেখা দেওয়ায় দিশেহারা হয়ে পড়েছেন কৃষক। এই রোগে আক্রান্ত হয়ে ধান চিটা হয়ে যাচ্ছে।

সরেজমিনে উপজেলার চর কাটিহারি, হাজিপুর, সিদলা, পুমদি, জামাইল গ্রামের ফসলের মাঠে দেখা গেছে, ধান গাছ গুলো পেকে সোনালী রং ধারণ করেছে। কিন্তু কাছে গেলেই চোখ কপালে উঠে যায়, পাকা নয়, ধান গাছগুলো যেন পুড়ে ঝলসে গেছে।

গাছের সব ধানের শীষ শুকিয়ে সাদা হয়ে ধান চিটা হয়ে যাচ্ছে।উপজেলার বড় বাম্পার ফলনের মুখে শেষ মুহূর্তে প্লাস নামক ছত্রাকের আক্রমণে অনেক কৃষকের মুখে হাসি ম্লান এরকম করে দিয়েছে। নেক ব্লাস্ট দ্য ঘাড় পচা রোগটি মূলত প্রকৃতিতে অত্যাধিক নাইট্রোজেন এর প্রভাব থাকায় এমনটি হচ্ছে বলেছেন কৃষি কর্মকর্তারা।

উপজেলার চরকাটিহারি গ্রামের নজরুল ইসলাম বললেন, ৭৫ শতাংশ জমিতে বি-২৮ ধানের আবাদ করেছি । এই জমিতে বোরো ধান চাষ করতে চাষ , সেচ , বীজ রোপণ,সার ও শ্রমিকের মজুরিসহ ৪০ হাজার টাকা খরচ হয়েছে। ক্ষেতের ধান ও আধা পাকা হয়ে গেছে।

কিন্তু কয়েকদিন ধরে ধানের শীষ শুকিয়ে গেছে ভেতরে চিটা হয়ে যাচ্ছে। এবং তা দ্রুত ছড়িয়ে পড়ছে। ফলে ব্যাপক ক্ষতির সম্মুখীন। উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা ইমরুল কায়েস বলেন দেশে প্রচুর বৃষ্টিপাত ও শিলা বৃষ্টির কারণে অল্প কিছু জমিতে এরকম সমস্যা দেখা দিয়েছে। তবে আমরা সারাক্ষণ কৃষকদের পরামর্শ ও তদারকির মাধ্যমে তা নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করে যাচ্ছি।

বিবি/রেআ