০২:৪১ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

উপসাগরীয় সীমান্তে মার্কিন সেনা মোতায়েন

ইরানের সম্ভাব্য হামলা ঠেকাতে সৌদি আরবসহ উপসাগরীয় কয়েকটি দেশ তাদের সমুদ্রসীমায় মার্কিন সেনা মোতায়েন ও সামরিক স্থাপনার অনুমোদন দিয়েছে।

ইরানের সম্ভাব্য হামলা ঠেকাতে যুক্তরাষ্ট্র যে কয়েকটি আরবদেশের সমুদ্রসীমা ব্যবহারের অনুমতি চেয়েছিল, সৌদি আরবসহ উপসাগরীয় কয়েকটি দেশ তার অনুমোদন দিয়েছে।

উপসাগরীয় সহযোগিতা কাউন্সিল, যেটিতে সৌদি আরবও অন্তর্ভুক্ত, উপসাগরীয় সীমান্তে সেনা মোতায়েন এবং এর ঘাটিসমূহ নিয়মিত ব্যব্হার করতে যুক্তরাষ্ট্রকে অনুমতি দিয়েছে।

আরবদেশগুলোর বিরুদ্ধে ইরানের অব্যাহত ষড়যন্ত্র এবং মধ্যপ্রাচ্যে অশান্তি রোধে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে দ্বি-পাক্ষিক চুক্তি হিসেবে এ অনুমোদন দেয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে সৌদি আরব। এ যৌথ পদক্ষেপের ফলে মধ্যপ্রাচ্যে ইরানের সব অপচেষ্টা নস্যাৎ হবে বলে দাবি করা হয় দেশটির পক্ষ থেকে।

ইরানের ওপর আক্রমন বা কোনো যুদ্ধে জড়াতে উপসাগরীয় সীমান্তে মার্কিন সেনা মোতায়েন করা হবে না, বরং একটি সামরিক কৌশলের অংশ হিসেবে এ পদক্ষেপ নেয়া হয়েছে। ইরানের পক্ষ থেকে কোনো হুমকির সম্মুখিন হলে যুক্তরাষ্ট্র ও উপসাগরীয় জোট এর মাধ্যমে যথাযথ পদক্ষেপ নেবে।

ইরানের হুমকির বিষয়ে রমজানের শেষের দিকে আরব রাষ্ট্রপ্রধানদের নিয়ে মক্কায় একটি বিশেষ সম্মেলন করা হবে বলেও সৌদির পররাষ্ট্র সূত্রে জানানো হয়েছে।

 

বিবি/এমএ

ট্যাগ :

নীলফামারীতে সরাসরি প্রশ্নের উত্তর দিলেন ছয় প্রার্থী, আশ্বাস দিলেন অর্থনৈতিক সক্ষমতা বাড়ানোর

উপসাগরীয় সীমান্তে মার্কিন সেনা মোতায়েন

প্রকাশিত : ০৩:১৫:৫৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৮ মে ২০১৯

ইরানের সম্ভাব্য হামলা ঠেকাতে সৌদি আরবসহ উপসাগরীয় কয়েকটি দেশ তাদের সমুদ্রসীমায় মার্কিন সেনা মোতায়েন ও সামরিক স্থাপনার অনুমোদন দিয়েছে।

ইরানের সম্ভাব্য হামলা ঠেকাতে যুক্তরাষ্ট্র যে কয়েকটি আরবদেশের সমুদ্রসীমা ব্যবহারের অনুমতি চেয়েছিল, সৌদি আরবসহ উপসাগরীয় কয়েকটি দেশ তার অনুমোদন দিয়েছে।

উপসাগরীয় সহযোগিতা কাউন্সিল, যেটিতে সৌদি আরবও অন্তর্ভুক্ত, উপসাগরীয় সীমান্তে সেনা মোতায়েন এবং এর ঘাটিসমূহ নিয়মিত ব্যব্হার করতে যুক্তরাষ্ট্রকে অনুমতি দিয়েছে।

আরবদেশগুলোর বিরুদ্ধে ইরানের অব্যাহত ষড়যন্ত্র এবং মধ্যপ্রাচ্যে অশান্তি রোধে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে দ্বি-পাক্ষিক চুক্তি হিসেবে এ অনুমোদন দেয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে সৌদি আরব। এ যৌথ পদক্ষেপের ফলে মধ্যপ্রাচ্যে ইরানের সব অপচেষ্টা নস্যাৎ হবে বলে দাবি করা হয় দেশটির পক্ষ থেকে।

ইরানের ওপর আক্রমন বা কোনো যুদ্ধে জড়াতে উপসাগরীয় সীমান্তে মার্কিন সেনা মোতায়েন করা হবে না, বরং একটি সামরিক কৌশলের অংশ হিসেবে এ পদক্ষেপ নেয়া হয়েছে। ইরানের পক্ষ থেকে কোনো হুমকির সম্মুখিন হলে যুক্তরাষ্ট্র ও উপসাগরীয় জোট এর মাধ্যমে যথাযথ পদক্ষেপ নেবে।

ইরানের হুমকির বিষয়ে রমজানের শেষের দিকে আরব রাষ্ট্রপ্রধানদের নিয়ে মক্কায় একটি বিশেষ সম্মেলন করা হবে বলেও সৌদির পররাষ্ট্র সূত্রে জানানো হয়েছে।

 

বিবি/এমএ