১০:২২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

পিয়ংইয়ংয়ের উপর নিষেধাজ্ঞা আরোপে মরিয়া যুক্তরাষ্ট্র

কিম জং উনের সঙ্গে আলোচনা হলেও এখনও মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প উত্তর কোরিয়ায় আক্রমণের সিদ্ধান্তে অটল রয়েছেন বলে অভিযোগ করেছে পিয়ংইয়ং। জাতিসংঘের দেশটির প্রতিনিধি দল জানায়, ‘যুক্তরাষ্ট্র নিষেধাজ্ঞা আরোপে মরিয়া হয়ে আছে।’

মার্কিন প্রেসিডেন্ট হিসেবে ডোনাল্ড ট্রাম্পই প্রথম রোববার উত্তর কোরিয়ায় পা রেখেছেন। দুই কোরিয়ার মধ্যবর্তী অসামরিক এলাকায় (ডিএমজেড) সাক্ষাৎ করেছেন উত্তর কোরিয়ার নেতা কিম জং উনের সঙ্গে। বৈঠকে থমকে থাকা পরমাণু আলোচনা ফের শুরুও করতে রাজি হয়েছেন ট্রাম্প এবং কিম।

তবে উত্তর কোরিয়ার অভিযোগ, কোরীয় উপদ্বীপে শান্তিপূর্ণ পরিবেশ নষ্ট করার চেষ্টা করছে যুক্তরাষ্ট্র। বুধবারের বিবৃতিতে দুই দেশের মধ্যে আবারও উত্তেজনাকর পরিস্থিতি ফিরিয়ে আনতে পারে।

উত্তর কোরীয় প্রতিনিধি দল দাবি করে, তারা ২০১৭ সালে পেট্রোলিয়াম আমদানির নিয়ে মার্কিন অভিযোগের জবাব দিয়েছে। যুক্তরাষ্ট্র, জার্মানি, যুক্তরাজ্য যে যৌথ চিঠিতে নিষেধাজ্ঞা আরোপের আহ্বান জানিয়েছে তারও জবাবের প্রস্তুতি চলছে। তারা জানান, যেদিন মার্কিন প্রেসিডেন্ট আলোচনার আহ্বান জানিয়েছেন সেদিনই এই যুক্ত বিবৃতি দেওয়া হয়। এতে করে এটাই স্পষ্ট হয়ে যে যুক্তরাষ্ট্র আক্রমণাত্মক অবস্থানেই আছে। পিয়ংইয়ং জানায়, যুক্তরাষ্ট্র মনে করে নিষেধাজ্ঞাই সবস সমস্যার সমাধান। কিন্তু এটা খুবই অবান্তর।

এখন পর্যন্ত এই বিষয়ে কোনও মন্তব্য করেনি যুক্তরাষ্ট্র।

গত ফেব্রুয়ারিতে কিম ও ট্রাম্পের বৈঠক কোনও সিদ্ধান্ত ছাড়াই শেষ হওয়ায় উত্তর কোরিয়া-যুক্তরাষ্ট্র আলোচনা এতদিন স্থবির হয়ে ছিল। তবে, দুই নেতার মধ্যে চিঠি চালাচালি হয়েছে বেশ কয়েকবার। আলোচনায় যুক্তরাষ্ট্র উত্তর কোরিয়াকে তার পারমাণবিক কর্মসূচি বাদ দিতে বলছে। আর উত্তর কোরিয়ার দাবি, তাদের ওপর থেকে সব নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করা হোক।

 

বিবি/এমএ

ট্যাগ :

নীলফামারীতে সরাসরি প্রশ্নের উত্তর দিলেন ছয় প্রার্থী, আশ্বাস দিলেন অর্থনৈতিক সক্ষমতা বাড়ানোর

পিয়ংইয়ংয়ের উপর নিষেধাজ্ঞা আরোপে মরিয়া যুক্তরাষ্ট্র

প্রকাশিত : ০২:০৬:২২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৪ জুলাই ২০১৯

কিম জং উনের সঙ্গে আলোচনা হলেও এখনও মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প উত্তর কোরিয়ায় আক্রমণের সিদ্ধান্তে অটল রয়েছেন বলে অভিযোগ করেছে পিয়ংইয়ং। জাতিসংঘের দেশটির প্রতিনিধি দল জানায়, ‘যুক্তরাষ্ট্র নিষেধাজ্ঞা আরোপে মরিয়া হয়ে আছে।’

মার্কিন প্রেসিডেন্ট হিসেবে ডোনাল্ড ট্রাম্পই প্রথম রোববার উত্তর কোরিয়ায় পা রেখেছেন। দুই কোরিয়ার মধ্যবর্তী অসামরিক এলাকায় (ডিএমজেড) সাক্ষাৎ করেছেন উত্তর কোরিয়ার নেতা কিম জং উনের সঙ্গে। বৈঠকে থমকে থাকা পরমাণু আলোচনা ফের শুরুও করতে রাজি হয়েছেন ট্রাম্প এবং কিম।

তবে উত্তর কোরিয়ার অভিযোগ, কোরীয় উপদ্বীপে শান্তিপূর্ণ পরিবেশ নষ্ট করার চেষ্টা করছে যুক্তরাষ্ট্র। বুধবারের বিবৃতিতে দুই দেশের মধ্যে আবারও উত্তেজনাকর পরিস্থিতি ফিরিয়ে আনতে পারে।

উত্তর কোরীয় প্রতিনিধি দল দাবি করে, তারা ২০১৭ সালে পেট্রোলিয়াম আমদানির নিয়ে মার্কিন অভিযোগের জবাব দিয়েছে। যুক্তরাষ্ট্র, জার্মানি, যুক্তরাজ্য যে যৌথ চিঠিতে নিষেধাজ্ঞা আরোপের আহ্বান জানিয়েছে তারও জবাবের প্রস্তুতি চলছে। তারা জানান, যেদিন মার্কিন প্রেসিডেন্ট আলোচনার আহ্বান জানিয়েছেন সেদিনই এই যুক্ত বিবৃতি দেওয়া হয়। এতে করে এটাই স্পষ্ট হয়ে যে যুক্তরাষ্ট্র আক্রমণাত্মক অবস্থানেই আছে। পিয়ংইয়ং জানায়, যুক্তরাষ্ট্র মনে করে নিষেধাজ্ঞাই সবস সমস্যার সমাধান। কিন্তু এটা খুবই অবান্তর।

এখন পর্যন্ত এই বিষয়ে কোনও মন্তব্য করেনি যুক্তরাষ্ট্র।

গত ফেব্রুয়ারিতে কিম ও ট্রাম্পের বৈঠক কোনও সিদ্ধান্ত ছাড়াই শেষ হওয়ায় উত্তর কোরিয়া-যুক্তরাষ্ট্র আলোচনা এতদিন স্থবির হয়ে ছিল। তবে, দুই নেতার মধ্যে চিঠি চালাচালি হয়েছে বেশ কয়েকবার। আলোচনায় যুক্তরাষ্ট্র উত্তর কোরিয়াকে তার পারমাণবিক কর্মসূচি বাদ দিতে বলছে। আর উত্তর কোরিয়ার দাবি, তাদের ওপর থেকে সব নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করা হোক।

 

বিবি/এমএ