০৫:২৯ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ০৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

প্রয়োজনে যুদ্ধের জন্য প্রস্তুত: কাতার

সৌদি আরবকে যুদ্ধের হুঁশিয়ারি দিয়েছে কাতার। মধ্যপ্রাচ্যের এই দেশটির আমির ভাই খলিফা বিন হামাদ আলে সানি বলেছেন, তারা কখনোই যুদ্ধ চায় না। তবে প্রয়োজনে যুদ্ধের জন্য প্রস্তুত রয়েছে তারা। সোমবার এক টুইট বার্তায় এমন মন্তব্য করেন তিনি।

হামাদ আলে সানি বলেন, কাতার যুদ্ধ চায় না। তবে কোনো দেশ যদি কাতারে আগ্রাসনের চিন্তা করে থাকে তাহলে তাদের জানা উচিত দোহা সর্বশক্তি দিয়ে নিজেদের রক্ষা করবে।

কাতারের ওপর অবরোধ আরোপকারী সৌদি আরব, সংযুক্ত আরব আমিরাত, মিসর ও বাহরাইনকে উদ্দেশ্য করে তিনি এসব মন্তব্য করেছেন।

সন্ত্রাসবাদে অর্থায়ন এবং ইরানকে সমর্থনের অভিযোগে ২০১৭ সালের ৫ জুন কাতারের সঙ্গে কূটনৈতিক সম্পর্ক ছিন্ন করে দেশটির ওপর সর্বাত্মক অবরোধ আরোপ করে সৌদি আরব, মিসর, আরব আমিরাত ও বাহরাইন। এসব দেশ কাতারের সঙ্গে জল, স্থল ও আকাশ পথে সব ধরনের যোগাযোগও বিচ্ছিন্ন করে।

কাতারের ওপর বেশ কিছু শর্ত আরোপ করে আরব দেশগুলো কাতারকে সেগুলো মেনে নিতে বাধ্য করে। বলা হয় যে, এসব শর্ত মেনে নিলেই অবরোধ প্রত্যাহার করে নেয়া হবে। কিন্তু এসব শর্ত মেনে নেয়নি কাতার। ফলে এসব দেশের সঙ্গে কাতারের কূটনৈতিক সম্পর্কের কোন উন্নতি হয়নি।

 

বিবি/এমএ

ট্যাগ :

নীলফামারীতে সরাসরি প্রশ্নের উত্তর দিলেন ছয় প্রার্থী, আশ্বাস দিলেন অর্থনৈতিক সক্ষমতা বাড়ানোর

প্রয়োজনে যুদ্ধের জন্য প্রস্তুত: কাতার

প্রকাশিত : ০৩:২৯:৪৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৯ জুলাই ২০১৯

সৌদি আরবকে যুদ্ধের হুঁশিয়ারি দিয়েছে কাতার। মধ্যপ্রাচ্যের এই দেশটির আমির ভাই খলিফা বিন হামাদ আলে সানি বলেছেন, তারা কখনোই যুদ্ধ চায় না। তবে প্রয়োজনে যুদ্ধের জন্য প্রস্তুত রয়েছে তারা। সোমবার এক টুইট বার্তায় এমন মন্তব্য করেন তিনি।

হামাদ আলে সানি বলেন, কাতার যুদ্ধ চায় না। তবে কোনো দেশ যদি কাতারে আগ্রাসনের চিন্তা করে থাকে তাহলে তাদের জানা উচিত দোহা সর্বশক্তি দিয়ে নিজেদের রক্ষা করবে।

কাতারের ওপর অবরোধ আরোপকারী সৌদি আরব, সংযুক্ত আরব আমিরাত, মিসর ও বাহরাইনকে উদ্দেশ্য করে তিনি এসব মন্তব্য করেছেন।

সন্ত্রাসবাদে অর্থায়ন এবং ইরানকে সমর্থনের অভিযোগে ২০১৭ সালের ৫ জুন কাতারের সঙ্গে কূটনৈতিক সম্পর্ক ছিন্ন করে দেশটির ওপর সর্বাত্মক অবরোধ আরোপ করে সৌদি আরব, মিসর, আরব আমিরাত ও বাহরাইন। এসব দেশ কাতারের সঙ্গে জল, স্থল ও আকাশ পথে সব ধরনের যোগাযোগও বিচ্ছিন্ন করে।

কাতারের ওপর বেশ কিছু শর্ত আরোপ করে আরব দেশগুলো কাতারকে সেগুলো মেনে নিতে বাধ্য করে। বলা হয় যে, এসব শর্ত মেনে নিলেই অবরোধ প্রত্যাহার করে নেয়া হবে। কিন্তু এসব শর্ত মেনে নেয়নি কাতার। ফলে এসব দেশের সঙ্গে কাতারের কূটনৈতিক সম্পর্কের কোন উন্নতি হয়নি।

 

বিবি/এমএ