ঢাকা: পাকিস্তানে গণমাধ্যমের ওপর নতুন নিষেধাজ্ঞা জারি ইমরান সরকারের। আদালতে কোনও সাজাপ্রাপ্ত ব্যক্তি কিংবা যার বিরুদ্ধে বিচারকাজ চলছে তাদের সাক্ষাৎকার গণমাধ্যমে প্রকাশ করা যাবে না- এমন নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে ইমরান খান সরকার।
পাকিস্তানে গণমাধ্যমের ওপর নতুন এই নিষেধাজ্ঞার সমালোচনা করেছে অধিকার পর্যবেক্ষণকারী সংস্থা রিপোর্টাস উইদাউট বর্ডার্স।
সংস্থাটির এশিয়া-প্যাসিফিক ডেস্কের প্রধান ড্যানিয়েল বাস্টার্ড বলেছেন, পাকিস্তানি মানুষজনের স্বার্থসংশ্লিষ্ট একটি বিষয় প্রকাশের সময় এ ধরনের ঘটনা গণমাধ্যমের বহুত্ব এবং স্বাধীনতার লঙ্ঘন, যা পুরোপুরি অগ্রহণযোগ্য।
বিরোধীদলীয় নেতা মরিয়ম নওয়াজের একটি সংবাদ সম্মেলন সরাসরি সম্প্রচারের সময় সোমবার পাকিস্তানের তিনটি চ্যানেলের সম্প্রচার সাময়িক বন্ধ করে দেওয়া হয়।
পাকিস্তানের ব্রডকাস্টার্স অ্যাসোসিয়েশন জানিয়েছে, সোমবার ওই সংবাদ সম্মেলন চলাকালে দেশজুড়ে চ্যানেল 24, আবতাক নিউজ ও ক্যাপিটাল টিভি সম্প্রচার বন্ধ করে দেয় কর্তৃপক্ষ।
ড্যানিয়েল বলেন, এই তিনটি টিভি চ্যানেলের ক্যাবল সম্প্রচার পুনরায় চালু করার ব্যাপারে পদক্ষেপ নিতে আমরা প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানের বেসামরিক সরকারের প্রতি আহ্বান জানাচ্ছি।
সাম্প্রতিক সময়ে মিডিয়ার ওপর সেন্সরশিপ বর্তমান সরকারের স্বৈরতান্ত্রিক আচরণ বৃদ্ধিকেই নির্দেশ করছে।
পাকিস্তানের সাবেক প্রধানমন্ত্রী নওয়াজ শরিফের মেয়ে মরিয়ম- ওই সংবাদ সম্মেলনে দাবি করেন, তার বাবাকে সাজা প্রদানকারী বিচারককে ‘ব্লাকমেইল’ করা হয়েছে। এসময় তিনি তার দাবির স্বপক্ষে একটি ভিডিও-ও তুলে ধরেন। কিন্তু সংবাদ সম্মেলন চলার এক পর্যায়ে ওই তিনটি টিভির সম্প্রচার বন্ধ করে দেয় পাকিস্তানি কর্তৃপক্ষ।
পরে মঙ্গলবার পাকিস্তানের মন্ত্রিসভা এক আদেশে জানায়, যেসব রাজনীতিবিদের বিচার চলছে বা সাজা হয়েছে তাদের সাক্ষাৎকার প্রকাশ করা যাবে না।
ইমরানের সভাপতিত্বে মন্ত্রিসভার ওই বৈঠকের পর পাকিস্তানের শিক্ষামন্ত্রী শাফকাত মেহমুদ বলেন, আমাদের এখানে এখন নতুন চর্চা শুরু হয়েছে-কোনও একজন ব্যক্তি দুর্নীতির দায়ে দোষী সাব্যস্ত হওয়ার পরও গণমাধ্যমে সাক্ষাৎকার দেয়।
বিজনেস বাংলাদেশ-বি/এইচ























