০৫:২৯ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ০৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

ইসলাম ধর্মে মুগ্ধ হয়ে ট্যাটু মুছে ফেলছেন বন্দীরা

ঢাকা: কারাগারের ভেতরেই মুসলিমদের আচার-আচরণে মুগ্ধ হয়ে ইসলামের পথকে অনুসরণ করতে রাজি বন্দীরা। এমনকি তাদের মধ্যে এক বিস্ময়কর পরিবর্তনও এসেছে। ইসলামে যেহেতু ট‍্যাটু নিষিদ্ধ তাই তাদের শরীরে পূর্বের সমস্ত ট‍্যাটু মুছে ফেলার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। সেই কারণে দলে দলে নিজেদের শরীর থেকে পূর্বের আঁকা ট্যাটু মুছে ফেলছেন ইন্দোনেশিয়ার জেলের বন্দীরা। ট‍্যাটু মুছতে বিনামূল্যে তাদের সহায়তা করছে অলাভজনক ধর্মীয় সংগঠন ‘গো হিরাজ’।

সূত্রের খবর, ওই বন্দীরা মূলত ইসলাম ধর্মের অনুশাসন মেনে চলার অঙ্গীকার করে শরীর থেকে ট্যাটু উঠিয়ে ফেলছেন। ট্যাটু আঁকাকে ইসলামে ‘হারাম’ বলা হয়েছে। লেজার ট্যাটু করতে একজন মানুষের যেমন বেশ অর্থ যায়, তেমনি তুলতেও ভালো খরচ হয়। গো হিরাজ নামের সংগঠনটি লেজার ব্যবহার করে ট্যাটু তুলে নিতে কোনও অর্থ নিচ্ছে না।

বন্দীদের মধ্যে প্রথম ট্যাটু তোলার সিদ্ধান্ত নেন আমির নামের এক যুবক। জাহাজ ছিনতাই মামলায় ছয় বছর কারাদণ্ড হয়েছে তার।

এ বিষয়ে আমির বলেন, ‘আলহামদুলিল্লাহ, আমি গো হিরাজের কাছে কৃতজ্ঞ। তাদের কারণে ইসলামের পথে ফিরতে পারছি।’
তিনি জানান, এই বছরের শেষ দিকে তার সাজার মেয়াদ শেষ হবে। তার আগে শরীরের বাকি ট্যাটুগুলো উঠিয়ে ফেলবেন।
সূত্র: ভাইস

বিজনেস বাংলাদেশ-/ এমএ

ট্যাগ :

নীলফামারীতে সরাসরি প্রশ্নের উত্তর দিলেন ছয় প্রার্থী, আশ্বাস দিলেন অর্থনৈতিক সক্ষমতা বাড়ানোর

ইসলাম ধর্মে মুগ্ধ হয়ে ট্যাটু মুছে ফেলছেন বন্দীরা

প্রকাশিত : ০২:৫১:২৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৪ জুলাই ২০১৯

ঢাকা: কারাগারের ভেতরেই মুসলিমদের আচার-আচরণে মুগ্ধ হয়ে ইসলামের পথকে অনুসরণ করতে রাজি বন্দীরা। এমনকি তাদের মধ্যে এক বিস্ময়কর পরিবর্তনও এসেছে। ইসলামে যেহেতু ট‍্যাটু নিষিদ্ধ তাই তাদের শরীরে পূর্বের সমস্ত ট‍্যাটু মুছে ফেলার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। সেই কারণে দলে দলে নিজেদের শরীর থেকে পূর্বের আঁকা ট্যাটু মুছে ফেলছেন ইন্দোনেশিয়ার জেলের বন্দীরা। ট‍্যাটু মুছতে বিনামূল্যে তাদের সহায়তা করছে অলাভজনক ধর্মীয় সংগঠন ‘গো হিরাজ’।

সূত্রের খবর, ওই বন্দীরা মূলত ইসলাম ধর্মের অনুশাসন মেনে চলার অঙ্গীকার করে শরীর থেকে ট্যাটু উঠিয়ে ফেলছেন। ট্যাটু আঁকাকে ইসলামে ‘হারাম’ বলা হয়েছে। লেজার ট্যাটু করতে একজন মানুষের যেমন বেশ অর্থ যায়, তেমনি তুলতেও ভালো খরচ হয়। গো হিরাজ নামের সংগঠনটি লেজার ব্যবহার করে ট্যাটু তুলে নিতে কোনও অর্থ নিচ্ছে না।

বন্দীদের মধ্যে প্রথম ট্যাটু তোলার সিদ্ধান্ত নেন আমির নামের এক যুবক। জাহাজ ছিনতাই মামলায় ছয় বছর কারাদণ্ড হয়েছে তার।

এ বিষয়ে আমির বলেন, ‘আলহামদুলিল্লাহ, আমি গো হিরাজের কাছে কৃতজ্ঞ। তাদের কারণে ইসলামের পথে ফিরতে পারছি।’
তিনি জানান, এই বছরের শেষ দিকে তার সাজার মেয়াদ শেষ হবে। তার আগে শরীরের বাকি ট্যাটুগুলো উঠিয়ে ফেলবেন।
সূত্র: ভাইস

বিজনেস বাংলাদেশ-/ এমএ