০৮:৪৮ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ০৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

ইয়েমেনে বন্দি প্রিন্স সালমান!

ইয়েমেনে সামরিক আগ্রাসন চালাতে গিয়ে আটকা পড়েছেন সৌদি প্রিন্স মুহাম্মদ বিন সালমান। ইয়েমেন ইস্যুতে মোহাম্মদ বিন সালমান আন্তর্জাতিক ও অভ্যন্তরীণ চাপের মুখে পড়েছেন বলে নিউ ইয়র্ক টাইমসের এক প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে।

একটি ছবিতে বেশ কয়েকজন জেনারেলের সঙ্গে বসে থাকতে দেখা গেছে মোহাম্মদ বিন সালমানকে। তবে এ বিষয়ে বিস্তারিত কিছু জানানো হয়নি।

চার বছরের বেশি সময় ধরে দারিদ্রপীড়িত ইয়েমেনের উপর সৌদি আরব জোটবদ্ধভাবে সামরিক আগ্রাসন চালাচ্ছে। যদিও এখন পর্যন্ত কোনও লক্ষ্য অর্জন করতে পারেনি তারা। এই সামরিক আগ্রাসনের প্রধান দুটি লক্ষ্য হল- পলাতক প্রেসিডেন্ট আব্দ রাব্বু মানসুর হাদিকে ক্ষমতায় ফেরান ও হুথি আসনারুল্লাহ আন্দোলনকে বিনষ্ট করা।

এমন অবস্থায় হতাশ সৌদি যুবরাজ যুক্তরাষ্ট্রের কাছে বাড়তি সহায়তা চেয়েছেন। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন কূটনীতিক এই তথ্য দিয়েছেন। সেক্ষেত্রে কাঙ্ক্ষিত সাহায্যের মধ্যে রয়েছে- গোয়েন্দাদের সহযোগিতা এবং মার্কিন স্পেশাল ফোর্স মোতায়েনের দাবি। ইয়েমেন আগ্রাসনের শুরু থেকেই যুক্তরাষ্ট্র সৌদি আরবকে অস্ত্র ও রসদ দিয়ে সাহায্য করে আসছে।

বিজনেস বাংলাদেশ-/ এমএ

ট্যাগ :

নীলফামারীতে সরাসরি প্রশ্নের উত্তর দিলেন ছয় প্রার্থী, আশ্বাস দিলেন অর্থনৈতিক সক্ষমতা বাড়ানোর

ইয়েমেনে বন্দি প্রিন্স সালমান!

প্রকাশিত : ১০:৫৪:২৬ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২১ জুলাই ২০১৯

ইয়েমেনে সামরিক আগ্রাসন চালাতে গিয়ে আটকা পড়েছেন সৌদি প্রিন্স মুহাম্মদ বিন সালমান। ইয়েমেন ইস্যুতে মোহাম্মদ বিন সালমান আন্তর্জাতিক ও অভ্যন্তরীণ চাপের মুখে পড়েছেন বলে নিউ ইয়র্ক টাইমসের এক প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে।

একটি ছবিতে বেশ কয়েকজন জেনারেলের সঙ্গে বসে থাকতে দেখা গেছে মোহাম্মদ বিন সালমানকে। তবে এ বিষয়ে বিস্তারিত কিছু জানানো হয়নি।

চার বছরের বেশি সময় ধরে দারিদ্রপীড়িত ইয়েমেনের উপর সৌদি আরব জোটবদ্ধভাবে সামরিক আগ্রাসন চালাচ্ছে। যদিও এখন পর্যন্ত কোনও লক্ষ্য অর্জন করতে পারেনি তারা। এই সামরিক আগ্রাসনের প্রধান দুটি লক্ষ্য হল- পলাতক প্রেসিডেন্ট আব্দ রাব্বু মানসুর হাদিকে ক্ষমতায় ফেরান ও হুথি আসনারুল্লাহ আন্দোলনকে বিনষ্ট করা।

এমন অবস্থায় হতাশ সৌদি যুবরাজ যুক্তরাষ্ট্রের কাছে বাড়তি সহায়তা চেয়েছেন। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন কূটনীতিক এই তথ্য দিয়েছেন। সেক্ষেত্রে কাঙ্ক্ষিত সাহায্যের মধ্যে রয়েছে- গোয়েন্দাদের সহযোগিতা এবং মার্কিন স্পেশাল ফোর্স মোতায়েনের দাবি। ইয়েমেন আগ্রাসনের শুরু থেকেই যুক্তরাষ্ট্র সৌদি আরবকে অস্ত্র ও রসদ দিয়ে সাহায্য করে আসছে।

বিজনেস বাংলাদেশ-/ এমএ