১২:৪৯ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৩ জানুয়ারী ২০২৬

৭ মার্চ জাতীয় দিবস ঘোষণার রুল জারি

জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ১৯৭১ সালের ৭ মার্চ তৎকালীন রেসকোর্স ময়দানের (বর্তমানে সোহরাওয়ার্দী উদ্যান) বিশাল জনসমাবেশের যুগান্তকারী ভাষণ দিয়েছিলেন, ঐতিহাসিক ওই দিনটিকে কেন জাতীয় দিবস ঘোষণা করা হবে না। একই সাথে যেখানে সেদিন বঙ্গবন্ধু ভাষণ দিয়েছিলেন সেখানে কেন তার ভাস্কর্য স্থাপন করা হবে না তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেছেন হাইকোর্ট।

সোমবার বিচারপতি কাজী রেজা-উল হক ও বিচারপতি মোহাম্মদ উল্লাহর সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এ রুল জারি করেন। এ সংক্রান্ত একটি রিট আবেদনের শুনানি নিয়ে এ রুল জারি করেছেন আদালত।

সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ড. বশির আহমেদ সাতই মার্চকে ঐতিহাসিক দিবস ঘোষণা ও যে মঞ্চে বঙ্গবন্ধু সাতই মার্চের ভাষণ দিয়েছিলেন, সেই মঞ্চে তাঁর ওই আবক্ষ ভাস্কর্য নির্মাণ করাসহ প্রয়োজনীয় নির্দেশনা চেয়ে রিটটি করেন। আদালতে রিটের পক্ষে তিনি নিজেই শুনানি করেন। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল তাপস কুমার বিশ্বাস ও সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল অবন্তী নূরুল।

আদালত মন্ত্রিপরিষদ সচিব, অর্থসচিবসহ বিবাদীদের তিন সপ্তাহের মধ্যে রুলের জবাব দিতে বলে আগামী ১২ ডিসেম্বর পরবর্তী শুনানির দিন রেখেছেন। এই সময়ের মধ্যে কী পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে, তা জানিয়ে ১২ ডিসেম্বর অগ্রগতি প্রতিবেদন আদালতে দাখিল করতে ওই দুই সচিবকে বলা হয়েছে।

ট্যাগ :
জনপ্রিয়

৭ মার্চ জাতীয় দিবস ঘোষণার রুল জারি

প্রকাশিত : ০৩:০৪:৩৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ২০ নভেম্বর ২০১৭

জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ১৯৭১ সালের ৭ মার্চ তৎকালীন রেসকোর্স ময়দানের (বর্তমানে সোহরাওয়ার্দী উদ্যান) বিশাল জনসমাবেশের যুগান্তকারী ভাষণ দিয়েছিলেন, ঐতিহাসিক ওই দিনটিকে কেন জাতীয় দিবস ঘোষণা করা হবে না। একই সাথে যেখানে সেদিন বঙ্গবন্ধু ভাষণ দিয়েছিলেন সেখানে কেন তার ভাস্কর্য স্থাপন করা হবে না তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেছেন হাইকোর্ট।

সোমবার বিচারপতি কাজী রেজা-উল হক ও বিচারপতি মোহাম্মদ উল্লাহর সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এ রুল জারি করেন। এ সংক্রান্ত একটি রিট আবেদনের শুনানি নিয়ে এ রুল জারি করেছেন আদালত।

সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ড. বশির আহমেদ সাতই মার্চকে ঐতিহাসিক দিবস ঘোষণা ও যে মঞ্চে বঙ্গবন্ধু সাতই মার্চের ভাষণ দিয়েছিলেন, সেই মঞ্চে তাঁর ওই আবক্ষ ভাস্কর্য নির্মাণ করাসহ প্রয়োজনীয় নির্দেশনা চেয়ে রিটটি করেন। আদালতে রিটের পক্ষে তিনি নিজেই শুনানি করেন। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল তাপস কুমার বিশ্বাস ও সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল অবন্তী নূরুল।

আদালত মন্ত্রিপরিষদ সচিব, অর্থসচিবসহ বিবাদীদের তিন সপ্তাহের মধ্যে রুলের জবাব দিতে বলে আগামী ১২ ডিসেম্বর পরবর্তী শুনানির দিন রেখেছেন। এই সময়ের মধ্যে কী পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে, তা জানিয়ে ১২ ডিসেম্বর অগ্রগতি প্রতিবেদন আদালতে দাখিল করতে ওই দুই সচিবকে বলা হয়েছে।