০৩:২৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৪ মার্চ ২০২৬

কিশোরীকে রাস্তা থেকে তুলে নিয়ে ছয় বন্ধুর ধর্ষণ

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আশুগঞ্জের দূর্গাপুরে এক কিশোরীকে বখাটেরা রাস্তা থেকে চোখ ও মুখ বেঁধে জোরপূর্বক তুলে নিয়ে গণধর্ষণ করেছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।

কিশোরী উপজেলার এক ফ্যাক্টরির শ্রমিক। এ ঘটনার পর কিশোরীকে আজ শুক্রবার দুপুরে আশুগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে।

কিশোরীর পরিবারের সদস্যরা জানান, বুধবার রাত ৮টায় দূর্গাপুর ইউনিয়নের খড়িয়ালা রাইডার লেদার ব্যাগস অ্যান্ড লাগেজ ফ্যাক্টরি থেকে কাজ শেষে বাড়ি ফেরার পথে মৈশাইর গ্রামের কালাম মিয়ার ছেলে ইমন ও তার সহযোগীরা তাকে রাস্তায় গতিরোধ করে জোরপূর্বক রিকশায় তুলে নিয়ে যায়। এসময় বখাটেরা তার চোখ ও মুখ বেঁধে অজ্ঞান করে বইগর এলাকার একটি বাড়িতে নিয়ে যায়।

পরে রাতে ছয় বন্ধু মিলে তাকে ধর্ষণ করে। টানা দুই দিন ধর্ষণের পর আজ শুক্রবার সকাল ১০টায় তাকে রিকশা দিয়ে ঐ কিশোরীকে বাড়িতে পাঠিয়ে দেয়। মুমূর্ষু কিশোরীকে পরিবারের সদস্যরা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করে। অভিযুক্ত ইমন উপজেলার দূর্গাপুর গ্রামে, সে ধর্ষিতার বাড়ির পাশে কাঁঠালের ব্যবসা করতো। সেই সুবাধে কিশোরী ইমনকে চিনতে পারে। কিন্তু বাকী ধর্ষকদের চিনতে পারেনি সে।

আশুগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (তদন্ত) ময়নাল হোসেন খবরের সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, আমরা ধর্ষণের অভিযোগটি গুরুত্ব সহকারে খতিয়ে দেখছি। এখনো কোনও অভিযুক্তকে গ্রেফতার করা সম্ভব হয়নি। প্রধান অভিযুক্ত ইমনকে গ্রেফতার করতে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

বিজনেস বাংলাদেশ-বি/এইচ

ট্যাগ :
জনপ্রিয়

ছাত্রদলের নতুন কমিটির আলোচনায় বারবার গুম হওয়া ছাত্রদল নেতা আবু হান্নান তালুকদার

কিশোরীকে রাস্তা থেকে তুলে নিয়ে ছয় বন্ধুর ধর্ষণ

প্রকাশিত : ০৮:৩০:৪০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৩ অগাস্ট ২০১৯

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আশুগঞ্জের দূর্গাপুরে এক কিশোরীকে বখাটেরা রাস্তা থেকে চোখ ও মুখ বেঁধে জোরপূর্বক তুলে নিয়ে গণধর্ষণ করেছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।

কিশোরী উপজেলার এক ফ্যাক্টরির শ্রমিক। এ ঘটনার পর কিশোরীকে আজ শুক্রবার দুপুরে আশুগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে।

কিশোরীর পরিবারের সদস্যরা জানান, বুধবার রাত ৮টায় দূর্গাপুর ইউনিয়নের খড়িয়ালা রাইডার লেদার ব্যাগস অ্যান্ড লাগেজ ফ্যাক্টরি থেকে কাজ শেষে বাড়ি ফেরার পথে মৈশাইর গ্রামের কালাম মিয়ার ছেলে ইমন ও তার সহযোগীরা তাকে রাস্তায় গতিরোধ করে জোরপূর্বক রিকশায় তুলে নিয়ে যায়। এসময় বখাটেরা তার চোখ ও মুখ বেঁধে অজ্ঞান করে বইগর এলাকার একটি বাড়িতে নিয়ে যায়।

পরে রাতে ছয় বন্ধু মিলে তাকে ধর্ষণ করে। টানা দুই দিন ধর্ষণের পর আজ শুক্রবার সকাল ১০টায় তাকে রিকশা দিয়ে ঐ কিশোরীকে বাড়িতে পাঠিয়ে দেয়। মুমূর্ষু কিশোরীকে পরিবারের সদস্যরা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করে। অভিযুক্ত ইমন উপজেলার দূর্গাপুর গ্রামে, সে ধর্ষিতার বাড়ির পাশে কাঁঠালের ব্যবসা করতো। সেই সুবাধে কিশোরী ইমনকে চিনতে পারে। কিন্তু বাকী ধর্ষকদের চিনতে পারেনি সে।

আশুগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (তদন্ত) ময়নাল হোসেন খবরের সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, আমরা ধর্ষণের অভিযোগটি গুরুত্ব সহকারে খতিয়ে দেখছি। এখনো কোনও অভিযুক্তকে গ্রেফতার করা সম্ভব হয়নি। প্রধান অভিযুক্ত ইমনকে গ্রেফতার করতে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

বিজনেস বাংলাদেশ-বি/এইচ