০৪:৪২ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৩ জানুয়ারী ২০২৬

সমাবেশ স্থলে প্রধানমন্ত্রী

জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৭ মার্চের ভাষণ ইউনেস্কোর স্বীকৃতি পাওয়া উপলক্ষে সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে আয়োজিত সমাবেশ স্থলে উপস্থিত হয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। শনিবার দুপুর ২টা ৫৫ মিনিটে আয়োজিত সমাবেশস্থলে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা উপস্থিত হন।

এদিকে, শোভাযাত্রার কেন্দ্রীয় কর্মসূচির অংশ হিসেবে দুপুর ১২টায় রাজধানীর ধানমণ্ডি ৩২ নম্বরের বঙ্গবন্ধু ভবন প্রাঙ্গণে জাতির পিতার প্রতিকৃতিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ করা হয়। এরপর বর্ণাঢ্য আনন্দ শোভাযাত্রা শুরু হয়। এতে অংশ নিয়েছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের, মন্ত্রিপরিষদ সচিব মোহাম্মদ শফিউল আলমসহ সরকা‌রের উচ্চ পদস্থ কর্মকর্তা, কর্মচারীসহ বি‌ভিন্ন স্ত‌রের মানুষজন।

ধানমণ্ডি ছাড়াও বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান থেকে আনন্দ শোভাযাত্রা নিয়ে সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে
মুক্তিযোদ্ধা, জনপ্রতিনিধি ও রাজনৈতিক ব্যক্তি, বি‌ভিন্ন স্কুল, কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী, সামা‌জিক ও সাংস্কৃ‌তিক সংগঠন। আরো র‌য়ে‌ছে হাতি, ঘোড়ার গাড়ি সুসজ্জিত ঘোড়ার গাড়ির স‌ঙ্গে র‌ঙ্গিন পোশাকধারী বাদক দল, বিভিন্ন ফেস্টুন হাতে নানা মানুষের পদচারণায় মুখরিত হয়ে উঠেছে সোহরাওয়ার্দী উদ্যান।

শোভাযাত্রাটি কলাবাগান-সায়েন্সল্যাব হয়ে শাহবাগ গেট দিয়ে সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে প্রবেশ করবে। পরে বিকেল ৩টায় সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে সমাবেশ অনুষ্ঠিত হবে। সমাবেশে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন। স্বাগত বক্তব্যের পর ৭ মার্চের ভাষণের প্রেক্ষাপট বর্ণনা করে ভাষণটি বাজানো হবে। আর প্রধানমন্ত্রীর ভাষণের পর শুরু হবে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। লেজার শোর মাধ্যমে শেষ হবে আনন্দ শোভাযাত্রার এই সমাবেশ।

উল্লেখ্য, গত ৩০ অক্টোবর ইউনাইটেড নেশনস এডুকেশনাল, সায়েন্টিফিক অ্যান্ড কালচারাল অর্গানাইজেশন (ইউনেসকো) ৭ই মার্চে বঙ্গবন্ধুর ভাষণকে (ওয়াল্ড ডকুমেন্টারি হেরিটেজ) বিশ্বে প্রামাণ্য ঐতিহ্য হিসেবে স্বীকৃতি প্রদান করে। প্যারিসে ইউনেসকোর প্রধান কার্যালয়ে সংস্থাটির মহাপরিচালক ইরিনা বুকোভা এই ঘোষণা দেন। বর্তমানে মেমোরি অব ওয়ার্ল্ড রেজিস্ট্রারে সব মহাদেশগুলো থেকে ৪২৭টি প্রামাণ্য দলিল ও সংগ্রহ তালিকাভুক্ত রয়েছে।
সম্প্রতি প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত এক বৈঠকে ২৫ নভেম্বর এই স্বীকৃতি উদযাপনের কর্মসূচি হাতে নেওয়া হয়। জাতির পিতার ৭ মার্চের ভাষণের জাতীয় ও আন্তর্জাতিক গুরুত্ব সম্পর্কে দেশের জনগণ বিশেষ করে শিক্ষার্থী ও ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে অবহিত করতে এই কর্মসূচি নেওয়া হয়েছে। এই স্বীকৃতি উদযাপনের আগে আওয়ামী লীগের পক্ষ থেকে সপ্তাহব্যাপী অনুষ্ঠানমালা উদযাপন করা হয়। এ ছাড়া নাগরিক কমিটির ব্যানারে ১৮ নভেম্বর ঐতিহাসিক সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে নাগরিক সমাবেশ আয়োজিত হয়।

ট্যাগ :
জনপ্রিয়

সমাবেশ স্থলে প্রধানমন্ত্রী

প্রকাশিত : ০৩:৪৭:১০ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৫ নভেম্বর ২০১৭

জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৭ মার্চের ভাষণ ইউনেস্কোর স্বীকৃতি পাওয়া উপলক্ষে সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে আয়োজিত সমাবেশ স্থলে উপস্থিত হয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। শনিবার দুপুর ২টা ৫৫ মিনিটে আয়োজিত সমাবেশস্থলে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা উপস্থিত হন।

এদিকে, শোভাযাত্রার কেন্দ্রীয় কর্মসূচির অংশ হিসেবে দুপুর ১২টায় রাজধানীর ধানমণ্ডি ৩২ নম্বরের বঙ্গবন্ধু ভবন প্রাঙ্গণে জাতির পিতার প্রতিকৃতিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ করা হয়। এরপর বর্ণাঢ্য আনন্দ শোভাযাত্রা শুরু হয়। এতে অংশ নিয়েছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের, মন্ত্রিপরিষদ সচিব মোহাম্মদ শফিউল আলমসহ সরকা‌রের উচ্চ পদস্থ কর্মকর্তা, কর্মচারীসহ বি‌ভিন্ন স্ত‌রের মানুষজন।

ধানমণ্ডি ছাড়াও বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান থেকে আনন্দ শোভাযাত্রা নিয়ে সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে
মুক্তিযোদ্ধা, জনপ্রতিনিধি ও রাজনৈতিক ব্যক্তি, বি‌ভিন্ন স্কুল, কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী, সামা‌জিক ও সাংস্কৃ‌তিক সংগঠন। আরো র‌য়ে‌ছে হাতি, ঘোড়ার গাড়ি সুসজ্জিত ঘোড়ার গাড়ির স‌ঙ্গে র‌ঙ্গিন পোশাকধারী বাদক দল, বিভিন্ন ফেস্টুন হাতে নানা মানুষের পদচারণায় মুখরিত হয়ে উঠেছে সোহরাওয়ার্দী উদ্যান।

শোভাযাত্রাটি কলাবাগান-সায়েন্সল্যাব হয়ে শাহবাগ গেট দিয়ে সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে প্রবেশ করবে। পরে বিকেল ৩টায় সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে সমাবেশ অনুষ্ঠিত হবে। সমাবেশে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন। স্বাগত বক্তব্যের পর ৭ মার্চের ভাষণের প্রেক্ষাপট বর্ণনা করে ভাষণটি বাজানো হবে। আর প্রধানমন্ত্রীর ভাষণের পর শুরু হবে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। লেজার শোর মাধ্যমে শেষ হবে আনন্দ শোভাযাত্রার এই সমাবেশ।

উল্লেখ্য, গত ৩০ অক্টোবর ইউনাইটেড নেশনস এডুকেশনাল, সায়েন্টিফিক অ্যান্ড কালচারাল অর্গানাইজেশন (ইউনেসকো) ৭ই মার্চে বঙ্গবন্ধুর ভাষণকে (ওয়াল্ড ডকুমেন্টারি হেরিটেজ) বিশ্বে প্রামাণ্য ঐতিহ্য হিসেবে স্বীকৃতি প্রদান করে। প্যারিসে ইউনেসকোর প্রধান কার্যালয়ে সংস্থাটির মহাপরিচালক ইরিনা বুকোভা এই ঘোষণা দেন। বর্তমানে মেমোরি অব ওয়ার্ল্ড রেজিস্ট্রারে সব মহাদেশগুলো থেকে ৪২৭টি প্রামাণ্য দলিল ও সংগ্রহ তালিকাভুক্ত রয়েছে।
সম্প্রতি প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত এক বৈঠকে ২৫ নভেম্বর এই স্বীকৃতি উদযাপনের কর্মসূচি হাতে নেওয়া হয়। জাতির পিতার ৭ মার্চের ভাষণের জাতীয় ও আন্তর্জাতিক গুরুত্ব সম্পর্কে দেশের জনগণ বিশেষ করে শিক্ষার্থী ও ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে অবহিত করতে এই কর্মসূচি নেওয়া হয়েছে। এই স্বীকৃতি উদযাপনের আগে আওয়ামী লীগের পক্ষ থেকে সপ্তাহব্যাপী অনুষ্ঠানমালা উদযাপন করা হয়। এ ছাড়া নাগরিক কমিটির ব্যানারে ১৮ নভেম্বর ঐতিহাসিক সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে নাগরিক সমাবেশ আয়োজিত হয়।