০৬:৪৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৩০ জানুয়ারী ২০২৬

আওয়ামী লীগের সম্মেলনের কর্মযজ্ঞ শুরু আজ

আওয়ামী লীগের জাতীয় সম্মেলন আগামী ২০-২১ ডিসেম্বর। এ সম্মেলনকে জাঁকজমকপূর্ণ করে তুলতে বড় রকমের পরিকল্পনা করেছেন দলটির নেতারা। আজ বিকালে দলের সম্পাদকম-লীর সভায় সম্মেলন প্রস্তুতি নিয়ে ১০টি উপ-কমিটি গঠন করার মধ্য দিয়ে শুরু হবে এ কর্মযজ্ঞ। গত শনিবার আওয়ামী লীগের কার্যনির্বাহী সংসদের বৈঠকে ত্রিবার্ষিক সম্মেলনের তারিখ নির্ধারণ করা হয়। বৈঠকে আওয়ামী লীগ সভানেত্রী শেখ হাসিনাকে আহ্বায়ক ও সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরকে সদস্য সচিব এবং কেন্দ্রীয় সব নেতাকে সদস্য করে জাতীয় সম্মেলনের কমিটি গঠন করা হয়।

দলীয় সূত্রমতে, জাতীয় সম্মেলনের আগে মেয়াদোত্তীর্ণ জেলা-উপজেলা কমিটির সম্মেলনের কাজ শুরু করেছেন দায়িত্বপ্রাপ্ত নেতারা।

আগামী ১০ ডিসেম্বরের মধ্যে মেয়াদোত্তীর্ণ জেলা-উপজেলায় সম্মেলন করার নির্দেশ দিয়েছেন দলের সাধারণ সম্পাদক সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের। সম্মেলনকে সামনে রেখে দলের চাঁদা পরিশোধ করছেন কেন্দ্রীয় নেতারা। তা না হলে কাউন্সিলর হওয়ার সুযোগ নেই।

এদিকে দলের ২১তম জাতীয় সম্মেলনের তারিখ নির্ধারণের পর থেকেই গত কয়েক দিনে দলীয় সভানেত্রীর ধানমন্ডি কার্যালয়ে সক্রিয় হতে শুরু করেছেন নিষ্ক্রিয় নেতারা। যাতায়াত বাড়িয়ে দিয়েছেন পদবঞ্চিত সাবেক ছাত্রনেতারাও। দলের একাধিক সম্পাদকম-লীর সদস্য জানিয়েছেন, আজকের বৈঠকে সম্মেলন প্রস্তুতির অংশ হিসেবে কমপক্ষে ১০টি উপ-কমিটির আহ্বায়ক ও সদস্য সচিবের নাম চূড়ান্ত হতে পারে।

এই উপ-কমিটির আহ্বায়ক ও সদস্য সচিব পর্যায়ক্রমে পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠন করবেন। এই উপ-কমিটিগুলো হচ্ছে- অভ্যর্থনা উপ-পরিষদ, অর্থ উপ-পরিষদ, ঘোষণাপত্র উপ-পরিষদ, গঠনতন্ত্র উপ-পরিষদ, দফতর উপ-পরিষদ, প্রচার ও প্রকাশনা উপ-পরিষদ, স্বেচ্ছাসেবক ও শৃঙ্খলা উপ-পরিষদ, মঞ্চ ও সাজসজ্জা উপ-পরিষদ, সাংস্কৃতিক উপ-পরিষদ, খাদ্য উপ-পরিষদ, স্বাস্থ্যসেবা উপ-পরিষদ।

এ ছাড়াও প্রথমবারের মতো মিডিয়া উপ-কমিটি গঠন করার চিন্তাভাবনা চলছে। এ প্রসঙ্গে আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুব-উল আলম হানিফ বলেন, ‘দলের কার্যনির্বাহী সংসদের বৈঠকে জাতীয় সম্মেলনের সিদ্ধান্তের পর প্রথম সম্পাদকম লীর বৈঠক ডাকা হয়েছে। এ বৈঠকে সম্মেলন প্রস্তুতির বিভিন্ন উপ-কমিটি গঠন করা হতে পারে।’ দলটির নেতারা বলছেন, ২০২০-২০২১ সালকে মুজিব বর্ষ ঘোষণা করা হয়েছে। এই মুজিব বর্ষকে জাঁকজমকপূর্ণভাবে পালন করা হবে। মুজিব বর্ষকে সামনে রেখে দলের জাতীয় সম্মেলনকে গুরুত্বপূর্ণ মনে করা হচ্ছে।

মুজিব বর্ষ শুরুর আগে বিজয়ের মাস ডিসেম্বরে দলের সম্মেলনকে স্মরণীয় ও বরণীয় করতে ব্যাপক প্রস্তুতি গ্রহণ করা হবে। দলের গঠনতন্ত্র ও ঘোষণাপত্রেও পরিবর্তন আসতে পারে। ঘোষণাপত্রে দেশের সার্বিক উন্নয়ন চিত্র তুলে ধরার পাশাপাশি নতুন করে স্থান দেওয়া হবে ডেল্টাপ্ল্যান-২১০০। গঠনতন্ত্রে সংশোধনী এনে দুটি সম্পাদকের পদও সৃষ্টি করা হতে পারে। প্রতিবারের মতো এবারও মঞ্চ ও সাজসজ্জায় নতুনত্ব আনা হতে পারে। এবারও নৌকার আদলে তৈরি করা হবে মূল মঞ্চ।

বিজনেস বাংলাদেশ/এম মিজান

 

ট্যাগ :
জনপ্রিয়

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার রেলস্টেশন থেকে গুলিসহ একটি এয়ারগান উদ্ধার করেছে র‌্যাব-৯

আওয়ামী লীগের সম্মেলনের কর্মযজ্ঞ শুরু আজ

প্রকাশিত : ১২:২৫:১৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০১৯

আওয়ামী লীগের জাতীয় সম্মেলন আগামী ২০-২১ ডিসেম্বর। এ সম্মেলনকে জাঁকজমকপূর্ণ করে তুলতে বড় রকমের পরিকল্পনা করেছেন দলটির নেতারা। আজ বিকালে দলের সম্পাদকম-লীর সভায় সম্মেলন প্রস্তুতি নিয়ে ১০টি উপ-কমিটি গঠন করার মধ্য দিয়ে শুরু হবে এ কর্মযজ্ঞ। গত শনিবার আওয়ামী লীগের কার্যনির্বাহী সংসদের বৈঠকে ত্রিবার্ষিক সম্মেলনের তারিখ নির্ধারণ করা হয়। বৈঠকে আওয়ামী লীগ সভানেত্রী শেখ হাসিনাকে আহ্বায়ক ও সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরকে সদস্য সচিব এবং কেন্দ্রীয় সব নেতাকে সদস্য করে জাতীয় সম্মেলনের কমিটি গঠন করা হয়।

দলীয় সূত্রমতে, জাতীয় সম্মেলনের আগে মেয়াদোত্তীর্ণ জেলা-উপজেলা কমিটির সম্মেলনের কাজ শুরু করেছেন দায়িত্বপ্রাপ্ত নেতারা।

আগামী ১০ ডিসেম্বরের মধ্যে মেয়াদোত্তীর্ণ জেলা-উপজেলায় সম্মেলন করার নির্দেশ দিয়েছেন দলের সাধারণ সম্পাদক সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের। সম্মেলনকে সামনে রেখে দলের চাঁদা পরিশোধ করছেন কেন্দ্রীয় নেতারা। তা না হলে কাউন্সিলর হওয়ার সুযোগ নেই।

এদিকে দলের ২১তম জাতীয় সম্মেলনের তারিখ নির্ধারণের পর থেকেই গত কয়েক দিনে দলীয় সভানেত্রীর ধানমন্ডি কার্যালয়ে সক্রিয় হতে শুরু করেছেন নিষ্ক্রিয় নেতারা। যাতায়াত বাড়িয়ে দিয়েছেন পদবঞ্চিত সাবেক ছাত্রনেতারাও। দলের একাধিক সম্পাদকম-লীর সদস্য জানিয়েছেন, আজকের বৈঠকে সম্মেলন প্রস্তুতির অংশ হিসেবে কমপক্ষে ১০টি উপ-কমিটির আহ্বায়ক ও সদস্য সচিবের নাম চূড়ান্ত হতে পারে।

এই উপ-কমিটির আহ্বায়ক ও সদস্য সচিব পর্যায়ক্রমে পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠন করবেন। এই উপ-কমিটিগুলো হচ্ছে- অভ্যর্থনা উপ-পরিষদ, অর্থ উপ-পরিষদ, ঘোষণাপত্র উপ-পরিষদ, গঠনতন্ত্র উপ-পরিষদ, দফতর উপ-পরিষদ, প্রচার ও প্রকাশনা উপ-পরিষদ, স্বেচ্ছাসেবক ও শৃঙ্খলা উপ-পরিষদ, মঞ্চ ও সাজসজ্জা উপ-পরিষদ, সাংস্কৃতিক উপ-পরিষদ, খাদ্য উপ-পরিষদ, স্বাস্থ্যসেবা উপ-পরিষদ।

এ ছাড়াও প্রথমবারের মতো মিডিয়া উপ-কমিটি গঠন করার চিন্তাভাবনা চলছে। এ প্রসঙ্গে আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুব-উল আলম হানিফ বলেন, ‘দলের কার্যনির্বাহী সংসদের বৈঠকে জাতীয় সম্মেলনের সিদ্ধান্তের পর প্রথম সম্পাদকম লীর বৈঠক ডাকা হয়েছে। এ বৈঠকে সম্মেলন প্রস্তুতির বিভিন্ন উপ-কমিটি গঠন করা হতে পারে।’ দলটির নেতারা বলছেন, ২০২০-২০২১ সালকে মুজিব বর্ষ ঘোষণা করা হয়েছে। এই মুজিব বর্ষকে জাঁকজমকপূর্ণভাবে পালন করা হবে। মুজিব বর্ষকে সামনে রেখে দলের জাতীয় সম্মেলনকে গুরুত্বপূর্ণ মনে করা হচ্ছে।

মুজিব বর্ষ শুরুর আগে বিজয়ের মাস ডিসেম্বরে দলের সম্মেলনকে স্মরণীয় ও বরণীয় করতে ব্যাপক প্রস্তুতি গ্রহণ করা হবে। দলের গঠনতন্ত্র ও ঘোষণাপত্রেও পরিবর্তন আসতে পারে। ঘোষণাপত্রে দেশের সার্বিক উন্নয়ন চিত্র তুলে ধরার পাশাপাশি নতুন করে স্থান দেওয়া হবে ডেল্টাপ্ল্যান-২১০০। গঠনতন্ত্রে সংশোধনী এনে দুটি সম্পাদকের পদও সৃষ্টি করা হতে পারে। প্রতিবারের মতো এবারও মঞ্চ ও সাজসজ্জায় নতুনত্ব আনা হতে পারে। এবারও নৌকার আদলে তৈরি করা হবে মূল মঞ্চ।

বিজনেস বাংলাদেশ/এম মিজান