কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ানসের বোলারদের কাছে অসহায় আত্মসমর্পণ করল খুলনা টাইটানসের ব্যাটসম্যনারা। জহুর আহমেদ চৌধুরী স্টেডিয়ামে খুলনাকে নিয়ে আজ ছেলেখেলা খেলল কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ানসের বোলাররা! ১৯.২ ওভারে সবকটি উইকেট হারিয়ে কোনোমতে ১১১ রান করতে সক্ষম হলো মাহমুদ উল্লাহ রিয়াদের দল! টেইল এন্ডাররা কিছু রান যোগ না করলে একশও ছাড়াত না খুলনার স্কোর।
আজ মঙ্গলবার চট্টগ্রামে জহুর আহমেদ চৌধুরী স্টেডিয়ামে দিনের দ্বিতীয় ম্যাচে টসে জিতে ব্যাটিংয়ে নেমে মহাবিপর্যয়ে পড়ে মাহমুদ উল্লাহ রিয়াদের দল। দলীয় ১ রানেই রুশোকে (০) ডোয়াইন ব্র্যাভোর ক্যাচে পরিণত করেন মেহেদী হাসান। দলীয় ৮ রানে অপর ওপেনার নাজমুল হোসাইন শান্তকে (৮) বোল্ড করে দেন শোয়েব মালিক। আফিফ হোসেন আর অধিনায়ক মাহমুদ উল্লাহ মিলে বিপর্যয় সামাল দেওয়ার চেষ্টা করেন। কিন্তু খুলনার ভাগ্যাকাশে আজ যেন দুর্যোগের ঘনঘটা!
দলীয় ২৮ রানে গত ম্যাচে দারুণ ব্যাট করা আফিফকে শোয়েব মালিকের বলে তালুবন্দী করেন কুমিল্লা অধিনায়ক তামিম ইকবাল। নিকোলাস পুরান (০) যথারীতি ব্যর্থ। অধিনায়ক মাহমুদ উল্লাহও বড় রান করতে পারেননি। সাইফ উদ্দিনের বলে তুলে মারতে গিয়ে হাসান আলীর হাতে ধরা পড়েন ১৪ রানে। ৪০ রানে ৫ উইকেটে হারানোর পর লড়াই করতে থাকেন চলতি বিপিএলের ‘হিরো’ আরিফুল হক এবং ব্র্যাথওয়েট। কিন্তু এতে কাজ হয়নি।
ধস নামে খুলনার ব্যাটিং লাইনআপে। ১৪ বলে ১৩ রানের স্বভাববিরুদ্ধ ইনিংস খেলে আল-আমিন হোসেনের বলে বাটলারের তালুবন্দি হন ব্র্যাথওয়েট। ৬১ রানে ৬ উইকেট নেই খুলনার। আর্চারকে (৫) ফিরিয়ে দিয়ে দ্বিতীয় শিকার ধরেন আল-আমিন। ২৪ বলে ইনিংসের সর্বোচ্চ ২৪ রান করে আল-আমিনের তৃতীয় শিকার হন আরিফুল হক। অ্যাবোট-শফিউলের দাপটে শেষ পর্যন্ত একশ ছাড়ায় খুলনার স্কোর। ৩টি করে উইকেট নেন শোয়েব মালিক এবং আল-আমিন হোসেন।

























