সৌন্দর্য, স্বাস্থ্য, দীর্ঘায়ু—সব ক্ষেত্রেই ফল উপকারী খাদ্য হিসেবে বিবেচিত। ফল হলো প্রকৃতি-প্রদত্ত এক আশীর্বাদ। এটি সুস্বাদু ও সহজপ্রাপ্য। তবে এই আশীর্বাদ অভিশাপে রূপ নেয়, যদি এটি গ্রহণের সময় ও পদ্ধতি সঠিক না হয়।
প্রায় সবার মাঝেই একটি ভ্রান্ত ধারণা হলো, ফল যেকোনো সময় কেটে খাওয়া যায়। কিন্তু ফল গ্রহণের সুনির্দিষ্ট সময় অনুসরণ করা না হলে ফল থেকে অপকারই বেশি হয়। তাই ফল গ্রহণের সঠিক সময় সম্পর্কে আমাদের জানা দরকার।
পুষ্টি বিশেষজ্ঞদের কথায়, ফল হচ্ছে প্রচুর প্রাকৃতিক ভিটামিন, মিনারেলস আর ফাইবার সমৃদ্ধ খাবার। প্লেটের অর্ধেকটা যদি ফল আর অর্ধেকটা সবজিতে ভরা থাকে তাহলে এমনিতেই পেট ভরবে।
তাই ভরা পেটে না খালি পেটে ফল খাবেন সেই দ্বন্দ্বও থাকবে না। সবসময়েই ফল ও খাবার খাওয়ার মধ্যে কমপক্ষে আধা ঘণ্টা ব্যবধান রাখা উচিৎ। না হলে খাবার বা ফল, কোনোটাই হজম হবে না। কারণ ফল নিজেই একটি স্বয়ংসম্পূর্ণ খাবার।
কখন ফল খাওয়া উচিত?
সকালে ঘুম থেকে উঠে এক গ্লাস পানি খাওয়ার পর ফল খেলে শরীর দূষণমুক্ত হবে। হজম ক্ষমতা বাড়বে।
আরও বেশি পুষ্টি পাবেন আপনি। তবে সাধারণত, সকালের নাস্তা আর দুপুরের খাওয়ার মাঝের সময়ে ফল খাওয়া যেতে পারে। সেই সাথে বিকাল বা সন্ধ্যায় স্ন্যাকস হিসেবেও ফল বেছে নিন।
অর্থাৎ সন্ধ্যার পর ফল খাওয়া যেতেই পারে। এছাড়া খাওয়ার আগে কয়েক টুকরো ফল খেলে পাকস্থলীতে ফাইবার যায়।
যা অন্য খাবার হজম করতে সাহায্য করে। আবার পেটও ভর্তি রাখে। বেশি ফাইবারযুক্ত ফল হচ্ছে আপেল, নাশপাতি, কলা। তবে রাতে খাওয়ার পর ফল না খাওয়াই ভালো।
কারণ ফলের মধ্যে থাকা চিনি শরীরে বাড়তি এনার্জি এনে ঘুমের পরিমাণ কমিয়ে দেয়। তাই ঘুমাতে যাওয়ার অন্তত ঘণ্টা দুই আগে ফল খেতে পারেন।
বিজনেস বাংলাদেশ/এম মিজান

























