আবারো বেড়েছে পেঁয়াজের ঝাঁজ। সেই সঙ্গে ঊর্ধ্বমুখী রয়েছে চাল, ভোজ্য তেল, ডাল, আদা, শুকনা মরিচ, এলাচ, দারুচিনির দামও।
শুক্রবার (৩১ জানুয়ারি) রাজধানীর বিভিন্ন বাজার ঘুরে দেখা যায়, দেশি পেঁয়াজ ১৪০ ও পাকিস্তানিটা ১০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। গত তিন দিন আগেও যেখানে দেশি পেঁয়াজ বিক্রি হয়েছে ১০০ থেকে ১১০ টাকায়।
এদিকে গত সপ্তাহের মতো চালের দাম বৃদ্ধি অব্যাহত রয়েছে। কেজিতে ২ থেকে ৩ টাকা করে চালের দাম বেড়েই চলেছে। বর্তমান বাজারে প্রতি কেজি মিনিকেট চাল ৬০, নাজিরশাইল ৫৫-৬০, বিআর-২৮ ৩৮, স্বর্ণা ৩৩, পুরাতন চিনিগুঁড়া চাল ১১৫ এবং নতুন চিনিগুঁড়া চাল ৯৫ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।
অন্যদিকে বাজারে মুদি বিক্রেতাদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, দুই দিন আগেও পাঁচ লিটারের সয়াবিন কোম্পানিভেদে বিক্রি হয়েছে ৪৬৫ থেকে ৫১৫ টাকা-যা আজ বিক্রি হয়েছে ৪৭৫ থেকে ৫২০ টাকা। মশুরের ডাল মানভেদে বিক্রি হয়েছে ১২০-১৩০ টাকা। এক দিন আগে ছিল ১১০-১২৫ টাকা।
প্রতি কেজি দারুচিনি বিক্রি হয়েছে ৪২০-৪৫০ টাকা। এক দিন আগে ছিল ৪০০-৪৪০ টাকা। আদা বিক্রি হয়েছে ১২০-১৮০ টাকা কেজি। এক দিন আগে ছিল ১১০-১৬০ টাকা। শুকনা মরিচ বিক্রি হয় ২৪০-৩৫০ টাকা কেজিতে। এক দিন আগে ছিল ২২০-৩৩০ টাকা। এলাচ (ছোট) প্রতি কেজি বিক্রি হয়েছে ৪৩০০-৫০০০ টাকায়। এক দিন আগে ছিল ৪২০০-৪৫০০ টাকা।
এদিকে ক্রেতাদের অভিযোগ বেশিরভাগ সময়ই বাজার অস্থিতিশীল থাকছে। বাজারে কোনো না কোনো পণ্যের দাম বেড়েই চলেছে। পেঁয়াজের দাম কিছুটা কম ছিল আবারো বাড়তে চলেছে, চালের বাজার অস্থির। সব মিলিয়ে দাম বাড়ায় ক্ষতিগ্রস্ত সাধারণ ক্রেতারা।
তবে শীত মৌসুম হওয়ায় সব ধরনের শীতকালীন সবজি বাজারে পর্যাপ্ত রয়েছে। সবজির বাজার ঘুরে দেখা যায়, বাজারে প্রতি কেজি নতুন আলু ৩০, বেগুল মানভেদে ৬০-৮০, শিম ৫০, মুলা ৩০, কাঁচা পেঁপে ৩০, টমেটো ৬০, কাঁচামরিচ ৮০, গাজর ৪০, ঢেঁড়শ ১৪০, করলা ১২০, শসা ১০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।
এছাড়া প্রতি পিস ফুলকপি ও বাঁধাকপি ৩৫-৪০ টাকা, লাউ ৮০-১০০, মিষ্টি কুমড়া ৩০, পেঁয়াজের কলি ১০ টাকা আঁটি বিক্রি হতে দেখা গেছে।
বিজনেস বাংলাদেশ/এম মিজান


























