০৮:৩৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২০ অক্টোবর ২০২৬

করোনা সন্দেহে ভর্তি, আতঙ্কে হাসপাতালের চার তলা থেকে ঝাঁপ!

করোনাভাইরাস সন্দেহে দিল্লির এক হাসপাতালে ভর্তি হওয়া যুবক আত্মহত্যার চেষ্টা করেছেন। হাসপাতালের চার তলা থেকে ঝাঁপ দেন তিনি। তার পা ভাঙলেও প্রাণে বেঁচে যান ওই যুবক।

শনিবার রাতে ওই হাসপাতালের চারতলা থেকে তিনি ঝাঁপ দেন৷ আপাতত তার অবস্থা স্থিতিশীল৷ তবে ওই যুবকের করোনা পরীক্ষার ফল এখনও আসেনি৷

জানা গেছে, জয়প্রকাশ নারায়ণ অ্যাপেক্স ট্রমা কেয়ার সেন্টারে ভর্তি ছিলেন ওই যুবক৷ দিল্লির আইপি এস্টেট এরিয়ার মাতা সুন্দ্রি রোডের বাসিন্দা ওই যুবককে গত ৩১ মার্চ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়৷ শনিবার রাতে হঠাৎই হাসপাতাল ভবনের চারতলা থেকে ঝাঁপ দেন তিনি৷ কিন্তু সরাসরি নিচে না পড়ে মাঝে টিনের চালের উপরে পড়েন তিনি৷ টিনের চালের উপরে পড়ায় প্রাণে বেঁচে যান ওই যুবক৷ যদিও একটি পা ভেঙে যায় তার৷
করোনায় আক্রান্ত হওয়ার ভয়ে ভারতের বিভিন্ন রাজ্য থেকে অনেকেই এভাবে আত্মহত্যার চেষ্টা করেছেন৷ যার জেরে বেশ কয়েকজনের প্রাণ গেছে৷

এর আগে দিল্লির সফদরজং হাসপাতালে কোয়ারেন্টাইনে থাকা এক ব্যক্তিও করোনা আক্রান্ত হওয়ার ভয়ে আত্মহত্যা করেন৷ অমৃতসরেও এক প্রবীণ দম্পতি শুক্রবার একই আশঙ্কায় আত্মহত্যা করেন।

উত্তর প্রদেশের শামলি জেলায় হাসপাতালের কোয়ারেন্টাইন ওয়ার্ডের মধ্যেই এক ব্যক্তি আত্মহত্যা করেন। পরে পরীক্ষার ফল এনে জানা যায়, তিনি আদৌ করোনা আক্রান্ত নন৷

বিজনেস বাংলাদেশ/বিএইচ

 

ট্যাগ :
জনপ্রিয়

ইশরাক হোসেনের পদত্যাগপত্র গ্রহণ করেছেন রাষ্ট্রপতি, প্রজ্ঞাপন জারি

করোনা সন্দেহে ভর্তি, আতঙ্কে হাসপাতালের চার তলা থেকে ঝাঁপ!

প্রকাশিত : ০৯:১৫:২৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ৫ এপ্রিল ২০২০

করোনাভাইরাস সন্দেহে দিল্লির এক হাসপাতালে ভর্তি হওয়া যুবক আত্মহত্যার চেষ্টা করেছেন। হাসপাতালের চার তলা থেকে ঝাঁপ দেন তিনি। তার পা ভাঙলেও প্রাণে বেঁচে যান ওই যুবক।

শনিবার রাতে ওই হাসপাতালের চারতলা থেকে তিনি ঝাঁপ দেন৷ আপাতত তার অবস্থা স্থিতিশীল৷ তবে ওই যুবকের করোনা পরীক্ষার ফল এখনও আসেনি৷

জানা গেছে, জয়প্রকাশ নারায়ণ অ্যাপেক্স ট্রমা কেয়ার সেন্টারে ভর্তি ছিলেন ওই যুবক৷ দিল্লির আইপি এস্টেট এরিয়ার মাতা সুন্দ্রি রোডের বাসিন্দা ওই যুবককে গত ৩১ মার্চ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়৷ শনিবার রাতে হঠাৎই হাসপাতাল ভবনের চারতলা থেকে ঝাঁপ দেন তিনি৷ কিন্তু সরাসরি নিচে না পড়ে মাঝে টিনের চালের উপরে পড়েন তিনি৷ টিনের চালের উপরে পড়ায় প্রাণে বেঁচে যান ওই যুবক৷ যদিও একটি পা ভেঙে যায় তার৷
করোনায় আক্রান্ত হওয়ার ভয়ে ভারতের বিভিন্ন রাজ্য থেকে অনেকেই এভাবে আত্মহত্যার চেষ্টা করেছেন৷ যার জেরে বেশ কয়েকজনের প্রাণ গেছে৷

এর আগে দিল্লির সফদরজং হাসপাতালে কোয়ারেন্টাইনে থাকা এক ব্যক্তিও করোনা আক্রান্ত হওয়ার ভয়ে আত্মহত্যা করেন৷ অমৃতসরেও এক প্রবীণ দম্পতি শুক্রবার একই আশঙ্কায় আত্মহত্যা করেন।

উত্তর প্রদেশের শামলি জেলায় হাসপাতালের কোয়ারেন্টাইন ওয়ার্ডের মধ্যেই এক ব্যক্তি আত্মহত্যা করেন। পরে পরীক্ষার ফল এনে জানা যায়, তিনি আদৌ করোনা আক্রান্ত নন৷

বিজনেস বাংলাদেশ/বিএইচ