শত্রুতার একটি বড় অংশ শিক্ষা ব্যাবস্থা কর ধ্বংস। আজ গোটা পৃথিবীর সকল শিক্ষালয় করোনায় বন্ধ।বিভিন্ন দেশ শিক্ষার্থীদের পাঠদানে নতুন মাত্রা যোগ করছে।যেমন আমাদের বাংলাদেশে সংসদ টি,ভি-তে উচ্চ মাধ্যমিক পর্যন্ত ক্লাস পরিচালনা হচ্ছে।
এ পাঠদানে সরকারি ভাবে অর্থ বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে।পাঠদান চলছে।টি,ভি-তে ক্লাস চলছে।কিন্তুু এ ক্লাস ছাত্র-ছাত্রীরা করছে!দেশের এ ক্রান্তিকালে কর্মহীন মানুষ।ঘরে খাবার নেই সন্তান কে বাবা শাসন করতে লজ্জাবোধ করছে।এ সুযোগে সন্তানরা কোনপথে হাঁটছে।তাঁরা বিপদগ্রস্ত হয়ে পড়বে কি না তা নিয়ে অভিভাবক মহল রিতিমত সংকিত। সেই মার্চ থেকে স্কুল বন্ধ।এ দিকে জানতে পেরেছি স্কুল, কলেজ,বিশ্ববিদ্যালয় সব রমজানের পর ঈদুল ফিতর পর্যন্ত বন্ধ রাখা হবে।শিশু,কিশোর,সবই শিক্ষার্থীরা এখন কতটুকু শিক্ষা অর্জন করছে!না কি তাঁরা দেশের এ দূর্যোগকালীন সময়ে বিপদগামী হয়ে উঠবে।খেলার মাঠগুলো এখন সবজির বাজার।শরীরচর্চার কোন সুযোগ নেই।
শিক্ষার্থীরা মানুষিক ভাবে ভেঙ্গে পড়ছে।এমন দূর্যোগকালীন সময়ে তাঁদের কে যদি সঠিক পথ দেখানো না হয় তবে দেশের বড় একটি আগামী প্রজন্ম জনশক্তি না রাষ্ট্রর বোঝা তা নিয়ে সচেতন মহল দারুন ভাবে চিন্তিত।অনেক শিক্ষার্থীরা অনলাইনে গেম খেলে সময় পার করছে।গেম খেলতে মেগাবাইট টাকা দিয়ে কিনতে হয়।
তাঁদের যদি টাকা উপার্জন করার ক্ষমতা না থাকে তাঁরা কি করতে পারে এটা বলার অপেক্ষা থাকে না।বর্তমান যে সমস্থ শিক্ষার্থীরা গেমে আসক্ত তাঁরা মাদকের চেয়েও ভয়াবহ অবস্থানে আছে।তাঁদের কে স্মার্ট ফোন হাতে পাগলের মত প্রলাপ করতে দেখা যায় আমার এ ক্ষুদ্র লেখার মুল কারন আগামী প্রজন্ম করোনার সময় দেশের বোঝা না জনশক্তি তা এখনই নির্ণয় না করলে রাষ্ট্র চরমভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হবে।
বিজনেস বাংলাদেশ/ ইমরান


























