দুই পোশাক কারখানার শ্রমিকের করোনা সনাক্ত হয়েছে। সাভারের স্প্রিং টেড ও ডিভাইন গ্রুপের যশোরের কারখানায় কর্মরত শ্রমিকদের কোভিড- ১৯ বা নভেল করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত— হওয়ার বিষয়টি শিল্প ও স্থানীয় প্রশাসন সুত্র নিচ্ছিত করেছে।
শিল্প পুলিশ সুত্র জানিয়েছে, আশুলিয়ার জিরানিতে স্প্রিং ট্রেড নামের কারখানার শ্রমিক রংপুরে অবস্থানকালে অসুস্থ বোধ করছিলো। সেখানেই গত ২২ এপ্রিল তার রক্তের নমুনা সংগ্রহ করা হয়। পরবর্তিতে রংপুর থেকে ঢাকায় এসে ২৬ তারিখে কারখানায় কাজে যোগ দেয়। স্থানীয় পুলিশ তেনগুরি/তেনজুরি জিরানিতে তার আবাসস্থল লকডাউন করেছে। আজ স্বাস্থ্যকর্মীরা কারখানায় আসার পর আক্রান্তের বিষয়টি প্রকাশ পায়। পরে কারখানায় ছুটি দেয়া হয়।
এদিকে যশোরের চৌয়াগাছায় ডিভাইন গ্র“পের ডিভাইন গার্মেন্টস লিমিটেডের শ্রমিক কোভিড-১৯ আক্রান্ত হওয়ায় কারখানা ইউনিটটি সাময়িক বন্ধ রাখাতে অনুরোধ করেছে স্থাসীয় প্রশাসন। করোনা সনাক্ত হওয়া শ্রমিকের নিরাপত্তা কর্মী হিসেবে একই কারখানায় কাজ করলেও তার এখনো পরীক্ষা করা হয়নি।
গত ২৬ এপ্রিল রবিবার কারখানায় শ্রমিকের তাপমাত্রা বেশি থাকায় রক্তের নমুনা সংগ্রহ করা হয়। গতকাল মঙ্গলবার কভিড- ১৯ পজিটিভ পাওয়া গেছে বলে জানিয়েছেন চৌগাছা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. জাহিদুল ইসলাম। রফতানিমুখী শিল্প কারখানা হিসেবে প্রশাসনিক নির্দেশ পেলে ব্যবস্থা নেয়া সম্ভব হবে বলেও জানান তিনি।
শিল্প পুলিশ সুত্র অনুযায়ী, মঙ্গলবার মোট ২ হাজার ৯১৬টি কারখানা খোলা ছিলো ছয় শিল্প এলাকায়। এরমধ্যে পোশাক কারখানা ১ হাজার ৩৪৬টি। এরমধ্যে ১ হাজার ৩৬২টি বস্ত্র ও পোশাক খাতের কারখানা। এরমধ্যে বিজিএমইএ সদস্য ৯৯৩, বিকেএমইএ ২৩৭ এবং ১৩২টি বিটিএমএর সদস্য কারখানা।
গতকাল দুই পোশাক কারখানার শ্রমিক আক্রান্ত হওয়ার পাশাপাশি গত ২৭ এপ্রিল সোমবার নরসিংদির ইউএমসি জুট মিলের শ্রমিকের করোনা সনাক্ত হওয়ার তথ্য পাওয়া গেছে। এদিকে গতকাল পর্যন্ত মোট ৫৭৮টি কারখানার মার্চ মাসের বেতন অপরিশোধিত ছিলো বলে ছিলো বলে শিল্প পুলিশ সুত্রে জানা গেছে।
বিজনেস বাংলাদেশ/ এ আর


























