নভেল করোনাভাইরাসের তাণ্ডবে বন্ধ রয়েছে সব ধরনের খেলা। ব্যাট-বল নিয়ে ২২ গজের পিচে যাদের সময় কাটত, তারা এখন পার করছেন অস্বস্তিকর সময়। কয়েক দিন আগেই বাংলাদেশকে প্রথমবারের মতো বিশ্বকাপ এনে দেওয়া অনূর্ধ্ব-১৯ ক্রিকেটারদের কাছে এটাই জীবনের সবচেয়ে বাজে সময়।
যুবাদের নিয়ে কাজ করা বিসিবির গেম ডেভেলপমেন্ট বিভাগ ঠিকই ভাবছেন তাদের নিয়ে। এই ফাঁকা সময় ভালোভাবে কাজে লাগাতে আর বাহ্যিক জ্ঞান আহরণে দিচ্ছেন পরামর্শ, নিয়েছেন পদক্ষেপ। বিশেষ করে বই পড়াতে উদ্বুদ্ধ করা হচ্ছে আকবর আলির দলকে।
বাংলাদেশ অনূর্ধ্ব–১৯ ক্রিকেট দলের অধিনায়ক আকবর আলী বলেন, ‘সারা দিন টিভি দেখি। বাসায় গেম খেলে, মুভি বা হাইলাইটস দেখে সময় কাটাচ্ছি। এটা একটা হতাশাজনক সময়। মানে এ রকম তো কখনো ছিল না যে, বাড়ি থেকেও বের হতে পারছি না। তাই এটা আরও বিরক্তিকর। ফিটনেস অনুশীলন যেগুলো বাসায় বসে করা যায় সেগুলো চেষ্টা করছি সপ্তাহে তিন-চারদিন এগুলো মেনে চলার।’
বিসিবির পদক্ষেপ নিয়ে আকবর আলী বলেন, ‘আমরা তো ধরেন সরাসরি বোর্ডের আওতায় আছি। তো বোর্ড থেকে আমাদের কিছু দিকনির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। যেগুলা আমাদের যিনি ম্যানেজার আছেন, উনিই দিয়ে দিচ্ছেন। ব্যাপারটা মানসিক স্বাস্থ্য ঠিক রাখার কারণে। কিছু বই পড়ার কথা উল্লেখ করেছে। পরিবারকে সময় দিতে ও এমন পরিস্থিতিতে বাসায় অবস্থান করতে বলা হয়েছে। আর বয়সভিত্তিক এবং জেলা পর্যায়ে যে খেলোয়াড় আছে, তাদের স্থানীয় কোচের মাধ্যমে কিছু বার্তা দেওয়া হয়েছে।’
গাজী গ্রুপ ক্রিকেটার্সের হয়ে প্রিমিয়ার লিগে নাম লেখানো যুব বিশ্বকাপ জয়ী দলের সদস্য শাহাদাত হোসেন দিপু জানিয়েছেন, সময়টা কাজে লাগাতে বই পড়তে পরামর্শ দিয়েছে বোর্ড।
যুব বিশ্বকাপে কোয়ার্টার ফাইনালে ৭৪ রানের ইনিংস খেলা দিপু বলেন, ‘আমাদের একটা হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপ আছে। ওখানে নিয়মিতই পরামর্শ দেওয়া হয় বোর্ড থেকে। সময়টা ভালোভাবে কাজে লাগাতে বলেছে। বিশেষ করে বই পড়া, পরিবারকে সময় দেওয়া এসব। কোনো নির্দিষ্ট বইয়ের নাম বা এমন কিছু বলেনি। বাসায় বসে এসব করা ছাড়া আর উপায়ও নেই। বই খুব একটা পড়া হয়নি আমার, তবে এখন থেকে চেষ্টা করব।’
বিজনেস বাংলাদেশ/ এ আর

























