১২:০৭ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১১ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

টাইগারদের কোন ব্যাটসম্যান ছক্কা মারার ওস্তাদ?

‘বাংলাদেশের ক্রিকেট ইতিহাসের হার্ড হিটার এবং বিগ হিটার কারা?’ এখন যারা দেশের ক্রিকেট মন দিয়ে দেখেন, মাঠে যান তারা এক বাক্যে বলে দেবেন- তামিম ইকবাল, লিটন দাস আর সৌম্য সরকার। কেউ কেউ হয়ত এখন নিজেকে গুটিয়ে নেয়া তামিমকে খুঁজে বেড়াচ্ছেন।

না, না। সেই তামিম ইকবালকে বোঝানো হয়নি। তামিম নিজের মত হাত খুলে খেললে কতটা বিধ্বংসী উইলোবাজি করতে পারেন, ২০১৯ সালে বিপিএল ফাইনালে কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ান্সের হয়ে ঢাকা ডায়নামাইটসের সাথে ৬১ বলে ১১ ছক্কা ও ১০ চারে সাজানো ১৪১ রানের হ্যারিক্যান ইনিংসটিই তার জ্বলন্ত প্রমাণ হয়ে আছে।

লিটন দাস বিগ হিটার। হার্ড হিটিং মানে জোরে মারার পাশাপাশি বিগ হিট নেয়ার ক্ষমতাও প্রচুর তার। একই কথা প্রযোজ্য সৌম্য সরকারের বেলায়ও। নিজের দিনে সৌম্যও উইকেটের সামনে ও দু’দিকে সমান স্বচ্ছন্দে বিগ হিট নিতে পারেন।

তারও আগে আফতাব আহমেদও কম যেতেন না। ছোট-খাট গড়নের সুঠামদেহী আফতাবেরও বড় শট খেলার ক্ষমতা ছিল বেশ। আর আফতাবদের আগের প্রজন্মে নিচের দিকে মোহাম্মদ রফিক ছিলেন সত্যিকার হার্ড ও বিগ হিটার।

প্রায় একই সময়ে আকরাম খান প্রচুর বিগ শট খেলেছেন। ঢাকার ক্লাব ক্রিকেটে মোহামেডানের বিপক্ষে যে ম্যাচে নেইল ফেয়ারব্রাদারের ৯০ প্লাস ইনিংসটির কথা উচ্চারিত হয় খুব বেশি, সেই খেলায় মোহামেডানের বিপক্ষে আকরামের একটি ৬০ প্লাস ইনিংস ছিল। তাতেও ছিল চার ও ছক্কার ফুলঝুরি।

শুধু ঘরোয়া ক্রিকেটেই নয়, আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে আকরাম খান হলেন টিম বাংলাদেশের ব্যাটসম্যানদের মধ্যে প্রথম হার্ড ও বিগ হিটার।

ওপরে যাদের নাম বলা হলো তাদের খেলা বর্তমান প্রজন্মের প্রায় সবাই দেখেছেন; কিন্তু এর বাইরে আরও কেউ কেউ আছেন, যারা খুব জোরেও খেলতে পারতেন। পাশাপাশি যাদের অনায়াসে বড় শট খেলার সামর্থ্য ছিল, তারা কারা?

বাংলাদেশের ক্রিকেটের সাথে যে তিনজন সাবেক ক্রিকেটার পরবর্তীতে প্রশিক্ষক, তিন যুগের বেশি সময় ধরে অঙ্গাঅঙ্গিভাবে জড়িত, দেশের ক্রিকেট ও ক্রিকেটারদের খুব কাছ থেকে দেখা সেই তিন দেশ বরেণ্য প্রশিক্ষক জালাল আহমেদ চৌধুরী, ওসমান খান ও সারোয়ার ইমরান দিয়েছেন সেই কৌতুহলি প্রশ্নের জবাব।

এ তিনজনের মধ্যে বয়োজ্যেষ্ঠ জালাল আহমেদ চৌধুরী মূলতঃ ৭০ দশকের শুরু থেকে আশির দশকের শুরুর সময়ে যারা হার্ড ও বিগ হিটার ছিলেন, তাদের কথা বলেছেন। ওই সময়েরর বড় শট খেলা পারফরমারদের কথা বলতে গিয়ে জালাল আহমেদ চৌধুরী প্রথমে ওয়ান্ডারার্সের মাকসুদ, বজলুর রশিদ (সাবেক ক্রিকেটার, কোচ ও আম্পায়ার), আব্দুস সালামের (যদিও তিনি হকি কোচ হিসেবেই বেশি পরিচিত, আবার পূর্ব পাকিস্তানের ওপেনিং ব্যাটসম্যানও ছিলেন) নাম উল্লেখ করেছেন।

তারপর পর্যায়ক্রমে জালাল আহমেদ চৌধুরীর মুখে উঠে এসেছে ইয়াং পেগাসাসের ফারুক, মোহাামেডানের মোস্তাফিজুর রহমান সেলিম, ওয়াসিম হায়দার আর আবাহনীতে খেলা ময়মনসিংহের উইকেটরক্ষক কাম মিডল অর্ডার বেলায়েত হোসেন বেলালের নাম।

জালাল আহমেদ চৌধুরীর চোখে সে সময়ের নাম্বার ওয়ান হার্ড ও বিগ হিটার ছিলেন মোস্তাফিজুর রহমান সেলিম। ঢাকা মোহামেডানের এই ড্যাশিং ব্যাটসম্যান ৭৯’র আইসিসি ট্রফি খেলেছেন। এছাড়া জালাল আহমেদ চৌধুরী মনে করেন, ওয়াসিম হায়দার, বেলাল, রেহান হাসানও ভাল মারতেন। পরের দিকে, মানে ৯০ দশকের শুরুতে এসে সেই তালিকায় সংযোজিত নাম আকরাম খান।

আকরাম সম্পর্কে তার মূল্যায়ন, আকরাম খান অবশ্যই বিগ হিটার। ৮০’র দশকের একদম শুরুতে আবাহনীর হয়ে কোচিং শুরু করা ওয়সমান খানও প্রথমে মোস্তাফিজুর রহমান সেলিমের নাম বলেন। তার চোখে সেলিম ছাড়া ৭০ দশকের শেষ দিকে চার্চিল ছিলেন বিগ হিটার। ওসমান খানের মত, আশির দশকের শুরুতে রফিকুল আলম বিগ শট খেলতো।

বেলালেরও পাওয়ার ছিল। সেও বেশ জোরে মারতে পারতো। তার কোচিংয়ে দেখা হার্ড ও বিগ হিটারদের মধ্যে মোহাম্মদ রফিকের নাম থাকবে বলেও উল্লেখ করেছেন ওসমান খান। রফিকের ব্যাটের সুইং খুব ভাল ছিল। সেও নিজের জোনে বল পেলে অবলীলায় জোরে মারার পাশাপাশি বড় শটও খেলতে পারতো।

দুই পূর্বসূরী জালাল আহমেদ চৌধুরী আর ওসমান খানের সাথে ঠিক ভিন্ন মত পোষণ না করলেও আরেক জাতীয় কোচ সারোয়ার ইমরান মনে করেন ব্যাটসম্যান বিগ হিটার হিসেবে ৭০ দশকের শেষ থেকে আশির দশকের পুরো সময় ইউসুফ বাবু এক নম্বর। সাথে নেহাল হাসনাইনও ছিল। একইভাবে বেলায়েত হোসেন বেলালের নামও বলেন ইমরান।

ইমরানের মত, ‘রফিকুল আলমও তুখোড় ব্যাটসম্যান। তবে আমার মনে হয়, বিগ হিটিংয়ে তার চেয়ে এগিয়ে ছিলেন ইউসুফ বাবু। একইভাবে আকরামও নিঃসন্দেহে বিগ হিটিংয়ে পারদর্শী ছিল। তবে সে ন্যাচারাল বিগ হিটার নয়। অবস্থা বুঝে খেলতো। দলের যখন যেমন প্রয়োজন, সেটাই করেছে। কখনো ধরে খেলছে, আবার কোন সময় চালিয়ে বড় ছক্কা হাঁকিয়ে রান তুলেছে। আকরামের চেয়ে ছোট হলেও সমসাময়িকদের মধ্যে বাঁ-হাতি ইমরান হামিদ পার্থও বেশ জোরে মারতে পারতেন। অনায়াসে বাতাসে ভাসিয়ে ছক্কা হাঁকানোর ক্ষমতাও বেশ ছিল পার্থর।

তবে সারোয়র ইমরান মনে করেন, তার কোচিং ক্যারিয়ারে দেখা ন্যাচারাল বিগ হিটিং অ্যাবিলিটি সবচেয়ে বেশি আছে লিটন দাসের। ইমরানের ব্যাখ্যা, ‘লিটনের মারার ক্ষমতা বোঝা যায় না; কিন্তু সে হচ্ছে ন্যাচারাল। যখন তখন, যাকে-তাকে দুমধাড়াক্কা ছক্কা মেরে বসতে পারে। লিটনের কাছাকাছি তামিম ইকবাল আর সৌম্য সরকারও আছে। এর আগে নামজমুল মিলন আর জিয়া ছিল। তারাও মারতো পারতো বেশ।’

কোচ সারোয়ার ইমরানের পুরো ক্যারিয়ারে দেখা ব্যাটসম্যান ‘বিগ হিটারদের’ তালিকায় আছে এ প্রজন্মের তিনজন- লিটন দাস, সৌম্য সরকার ও তামিম ইকবালের নাম।

তার ভাষায়, আমার দেখা ব্যাটসম্যান বিগ হিটারের তালিকায় পাঁচজন থাকবেই। তারা হলেন- ইউসুফ বাবু, নেহাল হাসনাইন, ইমরান হামিদ পার্থ, লিটন দাস আর সৌম্য সরকার। তবে শুরুর দিকের তামিম- এই পাঁচজন ব্যাটসম্যানদের মতই ছিল বিগ হিটার।’

বিজনেস বাংলাদেশ/ এ আর

ট্যাগ :
জনপ্রিয়

সন্ধ্যা ৭টায় জাতির উদ্দেশে ভাষণ দেবেন প্রধান উপদেষ্টা

টাইগারদের কোন ব্যাটসম্যান ছক্কা মারার ওস্তাদ?

প্রকাশিত : ১০:৪১:০৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৫ মে ২০২০

‘বাংলাদেশের ক্রিকেট ইতিহাসের হার্ড হিটার এবং বিগ হিটার কারা?’ এখন যারা দেশের ক্রিকেট মন দিয়ে দেখেন, মাঠে যান তারা এক বাক্যে বলে দেবেন- তামিম ইকবাল, লিটন দাস আর সৌম্য সরকার। কেউ কেউ হয়ত এখন নিজেকে গুটিয়ে নেয়া তামিমকে খুঁজে বেড়াচ্ছেন।

না, না। সেই তামিম ইকবালকে বোঝানো হয়নি। তামিম নিজের মত হাত খুলে খেললে কতটা বিধ্বংসী উইলোবাজি করতে পারেন, ২০১৯ সালে বিপিএল ফাইনালে কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ান্সের হয়ে ঢাকা ডায়নামাইটসের সাথে ৬১ বলে ১১ ছক্কা ও ১০ চারে সাজানো ১৪১ রানের হ্যারিক্যান ইনিংসটিই তার জ্বলন্ত প্রমাণ হয়ে আছে।

লিটন দাস বিগ হিটার। হার্ড হিটিং মানে জোরে মারার পাশাপাশি বিগ হিট নেয়ার ক্ষমতাও প্রচুর তার। একই কথা প্রযোজ্য সৌম্য সরকারের বেলায়ও। নিজের দিনে সৌম্যও উইকেটের সামনে ও দু’দিকে সমান স্বচ্ছন্দে বিগ হিট নিতে পারেন।

তারও আগে আফতাব আহমেদও কম যেতেন না। ছোট-খাট গড়নের সুঠামদেহী আফতাবেরও বড় শট খেলার ক্ষমতা ছিল বেশ। আর আফতাবদের আগের প্রজন্মে নিচের দিকে মোহাম্মদ রফিক ছিলেন সত্যিকার হার্ড ও বিগ হিটার।

প্রায় একই সময়ে আকরাম খান প্রচুর বিগ শট খেলেছেন। ঢাকার ক্লাব ক্রিকেটে মোহামেডানের বিপক্ষে যে ম্যাচে নেইল ফেয়ারব্রাদারের ৯০ প্লাস ইনিংসটির কথা উচ্চারিত হয় খুব বেশি, সেই খেলায় মোহামেডানের বিপক্ষে আকরামের একটি ৬০ প্লাস ইনিংস ছিল। তাতেও ছিল চার ও ছক্কার ফুলঝুরি।

শুধু ঘরোয়া ক্রিকেটেই নয়, আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে আকরাম খান হলেন টিম বাংলাদেশের ব্যাটসম্যানদের মধ্যে প্রথম হার্ড ও বিগ হিটার।

ওপরে যাদের নাম বলা হলো তাদের খেলা বর্তমান প্রজন্মের প্রায় সবাই দেখেছেন; কিন্তু এর বাইরে আরও কেউ কেউ আছেন, যারা খুব জোরেও খেলতে পারতেন। পাশাপাশি যাদের অনায়াসে বড় শট খেলার সামর্থ্য ছিল, তারা কারা?

বাংলাদেশের ক্রিকেটের সাথে যে তিনজন সাবেক ক্রিকেটার পরবর্তীতে প্রশিক্ষক, তিন যুগের বেশি সময় ধরে অঙ্গাঅঙ্গিভাবে জড়িত, দেশের ক্রিকেট ও ক্রিকেটারদের খুব কাছ থেকে দেখা সেই তিন দেশ বরেণ্য প্রশিক্ষক জালাল আহমেদ চৌধুরী, ওসমান খান ও সারোয়ার ইমরান দিয়েছেন সেই কৌতুহলি প্রশ্নের জবাব।

এ তিনজনের মধ্যে বয়োজ্যেষ্ঠ জালাল আহমেদ চৌধুরী মূলতঃ ৭০ দশকের শুরু থেকে আশির দশকের শুরুর সময়ে যারা হার্ড ও বিগ হিটার ছিলেন, তাদের কথা বলেছেন। ওই সময়েরর বড় শট খেলা পারফরমারদের কথা বলতে গিয়ে জালাল আহমেদ চৌধুরী প্রথমে ওয়ান্ডারার্সের মাকসুদ, বজলুর রশিদ (সাবেক ক্রিকেটার, কোচ ও আম্পায়ার), আব্দুস সালামের (যদিও তিনি হকি কোচ হিসেবেই বেশি পরিচিত, আবার পূর্ব পাকিস্তানের ওপেনিং ব্যাটসম্যানও ছিলেন) নাম উল্লেখ করেছেন।

তারপর পর্যায়ক্রমে জালাল আহমেদ চৌধুরীর মুখে উঠে এসেছে ইয়াং পেগাসাসের ফারুক, মোহাামেডানের মোস্তাফিজুর রহমান সেলিম, ওয়াসিম হায়দার আর আবাহনীতে খেলা ময়মনসিংহের উইকেটরক্ষক কাম মিডল অর্ডার বেলায়েত হোসেন বেলালের নাম।

জালাল আহমেদ চৌধুরীর চোখে সে সময়ের নাম্বার ওয়ান হার্ড ও বিগ হিটার ছিলেন মোস্তাফিজুর রহমান সেলিম। ঢাকা মোহামেডানের এই ড্যাশিং ব্যাটসম্যান ৭৯’র আইসিসি ট্রফি খেলেছেন। এছাড়া জালাল আহমেদ চৌধুরী মনে করেন, ওয়াসিম হায়দার, বেলাল, রেহান হাসানও ভাল মারতেন। পরের দিকে, মানে ৯০ দশকের শুরুতে এসে সেই তালিকায় সংযোজিত নাম আকরাম খান।

আকরাম সম্পর্কে তার মূল্যায়ন, আকরাম খান অবশ্যই বিগ হিটার। ৮০’র দশকের একদম শুরুতে আবাহনীর হয়ে কোচিং শুরু করা ওয়সমান খানও প্রথমে মোস্তাফিজুর রহমান সেলিমের নাম বলেন। তার চোখে সেলিম ছাড়া ৭০ দশকের শেষ দিকে চার্চিল ছিলেন বিগ হিটার। ওসমান খানের মত, আশির দশকের শুরুতে রফিকুল আলম বিগ শট খেলতো।

বেলালেরও পাওয়ার ছিল। সেও বেশ জোরে মারতে পারতো। তার কোচিংয়ে দেখা হার্ড ও বিগ হিটারদের মধ্যে মোহাম্মদ রফিকের নাম থাকবে বলেও উল্লেখ করেছেন ওসমান খান। রফিকের ব্যাটের সুইং খুব ভাল ছিল। সেও নিজের জোনে বল পেলে অবলীলায় জোরে মারার পাশাপাশি বড় শটও খেলতে পারতো।

দুই পূর্বসূরী জালাল আহমেদ চৌধুরী আর ওসমান খানের সাথে ঠিক ভিন্ন মত পোষণ না করলেও আরেক জাতীয় কোচ সারোয়ার ইমরান মনে করেন ব্যাটসম্যান বিগ হিটার হিসেবে ৭০ দশকের শেষ থেকে আশির দশকের পুরো সময় ইউসুফ বাবু এক নম্বর। সাথে নেহাল হাসনাইনও ছিল। একইভাবে বেলায়েত হোসেন বেলালের নামও বলেন ইমরান।

ইমরানের মত, ‘রফিকুল আলমও তুখোড় ব্যাটসম্যান। তবে আমার মনে হয়, বিগ হিটিংয়ে তার চেয়ে এগিয়ে ছিলেন ইউসুফ বাবু। একইভাবে আকরামও নিঃসন্দেহে বিগ হিটিংয়ে পারদর্শী ছিল। তবে সে ন্যাচারাল বিগ হিটার নয়। অবস্থা বুঝে খেলতো। দলের যখন যেমন প্রয়োজন, সেটাই করেছে। কখনো ধরে খেলছে, আবার কোন সময় চালিয়ে বড় ছক্কা হাঁকিয়ে রান তুলেছে। আকরামের চেয়ে ছোট হলেও সমসাময়িকদের মধ্যে বাঁ-হাতি ইমরান হামিদ পার্থও বেশ জোরে মারতে পারতেন। অনায়াসে বাতাসে ভাসিয়ে ছক্কা হাঁকানোর ক্ষমতাও বেশ ছিল পার্থর।

তবে সারোয়র ইমরান মনে করেন, তার কোচিং ক্যারিয়ারে দেখা ন্যাচারাল বিগ হিটিং অ্যাবিলিটি সবচেয়ে বেশি আছে লিটন দাসের। ইমরানের ব্যাখ্যা, ‘লিটনের মারার ক্ষমতা বোঝা যায় না; কিন্তু সে হচ্ছে ন্যাচারাল। যখন তখন, যাকে-তাকে দুমধাড়াক্কা ছক্কা মেরে বসতে পারে। লিটনের কাছাকাছি তামিম ইকবাল আর সৌম্য সরকারও আছে। এর আগে নামজমুল মিলন আর জিয়া ছিল। তারাও মারতো পারতো বেশ।’

কোচ সারোয়ার ইমরানের পুরো ক্যারিয়ারে দেখা ব্যাটসম্যান ‘বিগ হিটারদের’ তালিকায় আছে এ প্রজন্মের তিনজন- লিটন দাস, সৌম্য সরকার ও তামিম ইকবালের নাম।

তার ভাষায়, আমার দেখা ব্যাটসম্যান বিগ হিটারের তালিকায় পাঁচজন থাকবেই। তারা হলেন- ইউসুফ বাবু, নেহাল হাসনাইন, ইমরান হামিদ পার্থ, লিটন দাস আর সৌম্য সরকার। তবে শুরুর দিকের তামিম- এই পাঁচজন ব্যাটসম্যানদের মতই ছিল বিগ হিটার।’

বিজনেস বাংলাদেশ/ এ আর