এবার তামিমের আড্ডায় সাবেক ৩ অধিনায়ক দুর্জয়-সুজন ও বাশার। স্মৃতি রোমন্থন করলেন, প্রথম টেস্ট, মুলতান টেস্টসহ বিভিন্ন ম্যাচ ও ঘটনার। বর্তমান সময়ে সাবেক ক্রিকেটারদের বোর্ড কর্তা হিসেবে নানা ভূমিকার কথাও উঠে আসে তামিমের আড্ডায়।
গল্পের শুরুটা করলেন বাংলাদেশের প্রথম টেস্ট ক্যাপ্টেন নাঈমুর রহমান দুর্জয়। বললেন, ২০০০ সালে ভারতের বিপক্ষে প্রথমবার সাদা পোষাকে খেলার অভিজ্ঞতা।
দুর্জয় বলেন, আমাদের যে বোলিং আর ইন্ডিয়ার ব্যাটিংয়ের তফাত অনেক বেশি ছিলো। কিভাবে টেস্ট খেলতে হয় এই প্রশ্নতো ছিলই। তবে আমাদের কোচ এ ডি বারলোর একটা বড় ভূমিকা ছিলো।
বাংলাদেশ ক্রিকেটের আলোচনায় মুলতান টেস্ট আসে ঘুরেফিরে। ক্রিকেটের বনেদি ফরম্যাটে প্রথমবার জিততে জিততে হেরে যাওয়ার কষ্ট কখনো ভুলতে পারবেন না খালেদ মাহমুদ সুজনরা। একই সঙ্গে ক্যারিয়ারের তুঙ্গে থাকা শোয়েব আকতার কতটা আগ্রাসী ছিলেন সে গল্পও তুলে ধরলেন সাবেকরা।
সুজন হলেন, ২০০২ মুলতান টেস্টের ক্যাপ্টেন বলেন, এতো ক্লোজ থাকার পরও জিততে পারিনি সেই ম্যাচটা।আমাদের ভাগ্য ভালো ছিলোনা। আমি কাউকে দায়ী করতে চাইনা । তবে ঐদিন খুব বাজে আম্পায়ারিং হয়েছে।
উঠে আসে টাইগার ক্রিকেটের একাল-সেকালের নানা গল্প। দুর্জয়-সুজন-সুমনরা কষ্ট করে ক্রিকেট খেলতেন। ছিলোনা এখনকার মতো সুযোগ সুবিধা। তারপরও দেশের প্রতি নিবেদনের কমতি ছিলোনা। খেলার প্রতি প্যাশন অনেক বেশি ছিলো। আমাদের খেলা খুব কম থাকতো। তোমাদের মতো থাকতো না। মাঝেমধ্যে আন্তর্জাতিক ম্যাচ খেলার সুযোগ পেতাম।
লাইভ আডাডয় মজার মজার স্মৃতিও তুলে ধরেন সাবেক তিন অধিনায়ক। ভাগাভাগি করলেন, ড্রেসিং রুমের অজানা গল্পও। হাবুল বাশার সুমন বলেন, আমি সবচেয়ে স্লো ফিল্ডার ছিলাম। তখন ক্যাচ ধরলে চিতা চিতা বলতাম। নিজেকে উৎসাহিত করার জন্য করতাম। জাভেদ ওমরেরর বয়স ১২ ছিলো। কিন্তু দিনে দুবার শেভ করতেন গোল্লা।
ক্রিকেটের গল্পগুলো শেষই হয়না। করোনার সময় তামিমের এ উদ্যোগ কিছুটা হলেও বিনোদিত করছে ভক্ত সমর্থকদের।
বিজনেস বাংলাদেশ/ এ আর

























