নারায়ণগঞ্জের সীমিত আকারে বিভিন্ন মার্কেট ও বিপনী কেন্দ্র খোলার দ্বিতীয় দিনেও দেখা গেছে ক্রেতাদের উপচেপড়া ভিড়। স্বাস্থ্য সুরক্ষা সামগ্রী ব্যবহার করা হলেও শারীরিক দূরত্ব মেনে চলা হচ্ছে না কোথাও। তাই সরকারি বিধি অনুযায়ী মার্কেটগুলোতে যাতে স্বাস্থ্যবিধিসহ শারীরিক দূরত্ব মেনে খোলা রাখা হয় সেদিকে নজরদারি শুরু করেছে র্যাব।
সোমবার (১১ মে) সকাল থেকে বিকেল পর্যন্ত নগরীর চাষাঢ়া থেকে ডিআইটি এলাকা পর্যন্ত বঙ্গবন্ধু সড়কের দু’পাশে অবস্থিত বিভিন্ন বিপনী কেন্দ্রে ও অভিজাত শপিংলমলগুলোতে টহল জোরদার করেছে র্যাব সদস্যরা।
র্যাব -১১’র সিনিয়র সহকারি পরিচালক আলেপ উদ্দিনের নের্তৃত্বে এ টহল অভিযান চালানো হয়। এসময় তিনি বিভিন্ন মার্কেটে আগত ক্রেতাদের হ্যান্ড মাইকে শারীরিক দূরত্ব বজায় রাখার অনুরোধ জানান।
বিকেলে র্যাবের সিনিয়র সহকারি পরিচালক আলেপ উদ্দিন গণমাধ্যমকে জানান, নগরীর সকল মার্কেট কর্তৃপক্ষ ও দোকান মালিকদের সতর্ক করে দেয়া হয়েছে। প্রতিটি মার্কেটে নজরদারি করা হচ্ছে। ক্রেতারা হ্যান্ড গ্লাভস, মাস্ক ও হ্যান্ড স্যারিটাইজারসহ স্বাস্থ্য সুরক্ষা সামগ্রীগুলো ব্যবহার করছে কি-না সে বিষয়টি তীক্ষ্ন পর্যযেক্ষণ করা হচ্ছে। পাশাপাশি মার্কেট কর্তৃপক্ষ স্প্রে ব্যবহারসহ ক্রেতাদের সুরক্ষার ব্যবস্থা রেখেছে কি-না সেটিও দেখভাল করা হচ্ছে।
তিনি আরও বলেন, শারীরিক দূরত্ব নিশ্চিত করার ব্যাপারে র্যাব শুরু থেকেই নানাভাবে তৎপরতা চালিয়ে আসছে। এই দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে র্যাবের বেশ কয়েকজন কর্মকর্তাসহ অর্ধশতাধিক সদস্য করোনায় আক্রান্তও হয়েছেন।
করোনা নির্মূল না হওয়া পর্যন্ত র্যাবের এই কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে বলেও জানান আলেপ উদ্দিন।
বিজনেস বাংলাদেশ/ এ আর


























