০৩:২১ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৫ এপ্রিল ২০২৬

অনলাইনে সেমিস্টার ফাইনাল শুরু, ইতিহাসের স্বাক্ষী গণ বিশ্ববিদ্যালয়

চলমান করোনা দুর্যোগে সেশনজট এড়াতে সাভারের গণ বিশ্ববিদ্যালয়ের (গবি) ইতিহাসে প্রথমবারের মতো অনলাইনে সেমিষ্টার ফাইনাল পরীক্ষা শুরু হয়েছে। বুধবার (১ জুলাই) সকালে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে এ পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়।

সরকারি নির্দেশনা অনুযায়ী, মার্চের ১৮ তারিখ থেকে ক্যাম্পাস বন্ধ হওয়ার পর এপ্রিলের মাঝামাঝি সময় থেকে গবিতে অনলাইনে ক্লাস শুরু হয়। দুই মাসের অনলাইন ক্লাস ১৫ জুন শেষ হলে ১ জুলাই থেকে অনলাইনে সেমিস্টার ফাইনাল পরীক্ষা নেওয়ার ঘোষণা দেয় গবি প্রশাসন।

লম্বা বিরতি শেষে পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করতে পেরে খুশি শিক্ষার্থীরা। ভেটেরিনারি এন্ড এনিমেল সায়েন্সেস অনুষদের তৃতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী জান্নাতুল মাওয়া দৃষ্টি বলেন, ‘এমনিতেই বেশ পিছিয়ে ছিলাম, করোনার কারণে আরও পিছিয়ে যাওয়ার আশঙ্কা ছিল। তবে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের সময়োপযোগী সিদ্ধান্তে জীবনের কয়েকটি মাস বেচে গেল। এমন একটি অভিজ্ঞতার স্বাক্ষী হতে পেরে দারুণ লাগছে। শুরুতে অনলাইনে পরীক্ষা সম্পর্কে নানা ভয়, দুশ্চিন্তা কাজ করলেও এখন অনেকটা সহজ লাগছে।’

প্রসঙ্গত, মোট নম্বরের ২০% শিক্ষার্থীরা সরাসরি অনলাইনে উপস্থিত থেকে দিচ্ছে। এতে প্রতি বিভাগ থেকে নির্ধারিত পদ্ধতিতে (এমসিকিউ/ছোট প্রশ্ন/বড় প্রশ্ন/কুইজ) পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হচ্ছে। এছাড়া, অ্যাসাইনমেন্ট বা প্রেজেন্টেশনে ৩০%, চলমান মূল্যায়নপত্রে ৩০% এবং পূর্বের সেমিস্টারের ফলাফলে ২০% নাম্বার থাকছে।

বিজনেস বাংলাদেশ/বিএইচ

ট্যাগ :
জনপ্রিয়

দেবিদ্বারের বারুর গ্রামে অগ্নিকাণ্ডের আতঙ্কে হিন্দু সম্প্রদায়

অনলাইনে সেমিস্টার ফাইনাল শুরু, ইতিহাসের স্বাক্ষী গণ বিশ্ববিদ্যালয়

প্রকাশিত : ০৬:৪০:০০ অপরাহ্ন, বুধবার, ১ জুলাই ২০২০

চলমান করোনা দুর্যোগে সেশনজট এড়াতে সাভারের গণ বিশ্ববিদ্যালয়ের (গবি) ইতিহাসে প্রথমবারের মতো অনলাইনে সেমিষ্টার ফাইনাল পরীক্ষা শুরু হয়েছে। বুধবার (১ জুলাই) সকালে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে এ পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়।

সরকারি নির্দেশনা অনুযায়ী, মার্চের ১৮ তারিখ থেকে ক্যাম্পাস বন্ধ হওয়ার পর এপ্রিলের মাঝামাঝি সময় থেকে গবিতে অনলাইনে ক্লাস শুরু হয়। দুই মাসের অনলাইন ক্লাস ১৫ জুন শেষ হলে ১ জুলাই থেকে অনলাইনে সেমিস্টার ফাইনাল পরীক্ষা নেওয়ার ঘোষণা দেয় গবি প্রশাসন।

লম্বা বিরতি শেষে পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করতে পেরে খুশি শিক্ষার্থীরা। ভেটেরিনারি এন্ড এনিমেল সায়েন্সেস অনুষদের তৃতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী জান্নাতুল মাওয়া দৃষ্টি বলেন, ‘এমনিতেই বেশ পিছিয়ে ছিলাম, করোনার কারণে আরও পিছিয়ে যাওয়ার আশঙ্কা ছিল। তবে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের সময়োপযোগী সিদ্ধান্তে জীবনের কয়েকটি মাস বেচে গেল। এমন একটি অভিজ্ঞতার স্বাক্ষী হতে পেরে দারুণ লাগছে। শুরুতে অনলাইনে পরীক্ষা সম্পর্কে নানা ভয়, দুশ্চিন্তা কাজ করলেও এখন অনেকটা সহজ লাগছে।’

প্রসঙ্গত, মোট নম্বরের ২০% শিক্ষার্থীরা সরাসরি অনলাইনে উপস্থিত থেকে দিচ্ছে। এতে প্রতি বিভাগ থেকে নির্ধারিত পদ্ধতিতে (এমসিকিউ/ছোট প্রশ্ন/বড় প্রশ্ন/কুইজ) পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হচ্ছে। এছাড়া, অ্যাসাইনমেন্ট বা প্রেজেন্টেশনে ৩০%, চলমান মূল্যায়নপত্রে ৩০% এবং পূর্বের সেমিস্টারের ফলাফলে ২০% নাম্বার থাকছে।

বিজনেস বাংলাদেশ/বিএইচ