নওগাঁ সদরের মাদারমোল্লা বাজারে একটি মুদি দোকান ঘরের তালা ভেঙে খাদ্যবান্ধব কর্মসূচির ৪০ বস্তায় (৩০ কেজি ওজন) ১২শ’ কেজি চাল জব্দ করেছে উপজেলা প্রশাসন। ঘটনার পর থেকে দোকানি খলিলুর রহমানের (৩৯) পলাতক রয়েছেন। চালগুলো জব্দ করার পর দোকানটিকে সিলগালা করা হয়েছে।
মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টার দিকে সদর উপজেলার চন্ডিপুর ইউনিয়নের মাদারমোল্লা বাজারের খলিলুর রহমানের দোকান থেকে চালগুলো জব্দ করা হয়। খলিলুর রহমান সদর উপজেলার ইলশাবাড়ি গ্রামের মৃত সাবদুল হকের ছেলে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সোমবার থেকে চন্ডিপুর ইউনিয়নের খাদ্যবান্ধব কর্মসূচির ১০ টাকা কেজির চাল কার্ডধারীদের মাঝে বিক্রি শুরু হয়। ইউনিয়নের মাদারমোল্লা বাজারের ডিলার রুহুল আমিন খাদ্যবান্ধব কর্মসূচির ১০ টাকা কেজির চাল কার্ডধারীদের মাঝে বিক্রি করেন। কিন্তু সুবিধাভোগীরা চাল উত্তোলন করার পর মুদি দোকানি খলিলুরের কাছে বিক্রি করে দেন। খলিলুর চালগুলো তার দোকানে রেখে তালাবদ্ধ করে রাখেন। মঙ্গলবার বিকেলে গোপন সংবাদে উপজেলা প্রশাসন বিষয়টি জানার পর ঘটনাস্থলে যায়। দোকান মালিক খলিলুরকে ফোন দিয়েও সাড়া না মিলায় তালা ভেঙে খাদ্যবান্ধব কর্মসূচির ৪০ বস্তা চাল উদ্ধার করে প্রশাসন।
স্থানীয় ইউপি সদস্য (মেম্বার) দুলাল হোসেন বলেন, এখানকার ডিলার রুহুল আমিন। সোমবার থেকে তিনি চাল বিক্রি শুরু করেছেন। কার্ডধারীরা ডিলারের কাছ থেকে চাল কিনে পরে মুদি দোকানি খলিলুরের কাছ বিক্রি করেছেন বলে জানতে পারা যায়।
সদর উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক মোহাজের হোসেন বলেন, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বিষয়টি জানার পর ঘটনাস্থলে যাওয়া হয়। দোকান মালিককে বার বার ফোন দিয়েও কোনো সাড়া দেননি। পরে সদর ইউএনওকে অবগত করার পর দোকানের তালা ভেঙে ৪০ বস্তায় ৩০ কেজি করে ১২শ’ কেজি চাল উদ্ধার করা হয়। চালগুলো কোথায় থেকে এসেছে তা খতিয়ে দেখা হবে। তিনি আরো জানান, এই চালগুলো কেনা, বিক্রি এবং মজুদ করা সরকারি ভাবে দন্ডনীয়।
নওগাঁ সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মির্জা ইমাম উদ্দিন জানান, দোকান ঘর থেকে খাদ্যবান্ধব কর্মসূচির চালগুলো জব্দ এবং দোকানটি সিলগালা করা হয়েছে। তিনি ঘটনারপর থেকে পলাতক রয়েছেন। এ বিষয়ে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহনের প্রস্তুতি চলছে।
বিজনেস বাংলাদেশ/বিএইচ





















