১০:৪৬ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২১ মার্চ ২০২৬

কার্জন হলে অবমুক্ত হলো ৭১০ পাখি

বিপন্ন প্রজাতির পাখি শিকার ও বিক্রির অপরাধে আশুলিয়া থেকে চার জনকে আটক করে এক বছর করে কারাদণ্ড দিয়েছে র‍্যাবের ভ্রাম‍্যমাণ আদালত। অভিযানে উদ্ধার হওয়া বিভিন্ন প্রজাতির ৭১০টি পাখি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কার্জন হলে অবমুক্ত করা হয়েছে। ভ্রাম্যমাণ আদালতে সাজাপ্রাপ্তরা হলেন- রহমান শেখ (৭৮), মো. চান মিয়া (২৫), মো. ওসমান গনি (৩২) ও রফিকুল ইসলাম (৭০)।

শুক্রবার (০৬ নভেম্বর) দুপুরে কার্জন হলে পাখিগুলো অবমুক্ত করা হয়। র‍্যাব-১ ও বনবিভাগের বন্যপ্রাণী অপরাধ দমন ইউনিটের সহযোগিতায় অভিযানে নেতৃত্ব দেন র‍্যাব সদর দপ্তরের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. সারওয়ার আলম।
তিনি বলেন, পাখিগুলো বগুড়া এলাকা থেকে নিয়ে আসা হয়েছে। বিপন্ন প্রজাতির পাখি শিকার ও বিক্রির অপরাধে চারজনকে এক বছর করে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। বিভিন্ন প্রজাতির ৭১০টি পাখি অবমুক্ত করা হয়। চাই না এই ধরনের অপরাধ কেউ করুক, প্রকৃতি সবার জন্য।

র‌্যাবের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আরও বলেন, কেউ প্রকৃতি বা ডাইভারসিটি নষ্ট করলে আমরা তাদের আইনের আওতায় নিয়ে আসব। বন বিভাগের পাশাপাশি র‍্যাবের সার্বক্ষণিক নজরদারি অব্যাহত আছে।

বিজনেস বাংলাদেশ / আতিক

ট্যাগ :
জনপ্রিয়

ছাত্রদলের নতুন কমিটির আলোচনায় বারবার গুম হওয়া ছাত্রদল নেতা আবু হান্নান তালুকদার

কার্জন হলে অবমুক্ত হলো ৭১০ পাখি

প্রকাশিত : ০৩:৪৪:৩৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৬ নভেম্বর ২০২০

বিপন্ন প্রজাতির পাখি শিকার ও বিক্রির অপরাধে আশুলিয়া থেকে চার জনকে আটক করে এক বছর করে কারাদণ্ড দিয়েছে র‍্যাবের ভ্রাম‍্যমাণ আদালত। অভিযানে উদ্ধার হওয়া বিভিন্ন প্রজাতির ৭১০টি পাখি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কার্জন হলে অবমুক্ত করা হয়েছে। ভ্রাম্যমাণ আদালতে সাজাপ্রাপ্তরা হলেন- রহমান শেখ (৭৮), মো. চান মিয়া (২৫), মো. ওসমান গনি (৩২) ও রফিকুল ইসলাম (৭০)।

শুক্রবার (০৬ নভেম্বর) দুপুরে কার্জন হলে পাখিগুলো অবমুক্ত করা হয়। র‍্যাব-১ ও বনবিভাগের বন্যপ্রাণী অপরাধ দমন ইউনিটের সহযোগিতায় অভিযানে নেতৃত্ব দেন র‍্যাব সদর দপ্তরের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. সারওয়ার আলম।
তিনি বলেন, পাখিগুলো বগুড়া এলাকা থেকে নিয়ে আসা হয়েছে। বিপন্ন প্রজাতির পাখি শিকার ও বিক্রির অপরাধে চারজনকে এক বছর করে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। বিভিন্ন প্রজাতির ৭১০টি পাখি অবমুক্ত করা হয়। চাই না এই ধরনের অপরাধ কেউ করুক, প্রকৃতি সবার জন্য।

র‌্যাবের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আরও বলেন, কেউ প্রকৃতি বা ডাইভারসিটি নষ্ট করলে আমরা তাদের আইনের আওতায় নিয়ে আসব। বন বিভাগের পাশাপাশি র‍্যাবের সার্বক্ষণিক নজরদারি অব্যাহত আছে।

বিজনেস বাংলাদেশ / আতিক