০৩:২১ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৩০ জানুয়ারী ২০২৬

গাজীপুরে চলন্ত বাসে এক কিশোরীকে ধর্ষণের অভিযোগে বাস চালক আটক

গাজীপুরে চলন্ত বাসে চকলেট বিক্রেতা এক কিশোরীকে (১৬) ধর্ষণের অভিযোগে বাসচালক সাদ্দাম হোসেনকে (২২) গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

রোববার গাজীপুরের জয়দেবপুর থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) মো. খালেকুজ্জামান এ তথ্য জানিয়েছেন।
শনিবার (৭ নভেম্বর) দিবাগত রাতে এই ধর্ষণের ঘটনা ঘটে।

এ ঘটনায় ভিকটিম বাদী হয়ে দুইজনকে আসামি করে জয়দেবপুর থানায় মামলা দায়ের করেছেন।

আটক সাদ্দাম হোসেন শেরপুরের শ্রীবরদী থানার বাগতা এলাকার সুরুজের ছেলে। তিনি গাজীপুর মহানগরীর বাসন এলাকায় বসবাস করেন এবং তাকওয়া পরিবহনের বাস চালক।

এজাহার সূত্রে জানা গেছে, ধর্ষণের শিকার ওই কিশোরীর বাড়ি জামালপুরে। তিনি ঢাকার আশুলিয়ার এলাকায় বসবাস করেন এবং বাসে ফেরি করে চকলেট বিক্রি করেন। শনিবার দিবাগত রাত ৯টার দিকে চকলেট বিক্রি করার উদ্দেশ্যে গাজীপুরের কালিয়াকৈর উপজেলার চন্দ্রা বাসস্ট্যান্ডে আসেন। তখন পরিচিত শরীফ হোসেন (২০) ও সাদ্দাম হোসেন জয়দেবপুর চৌরাস্তার বেড়াতে যাবে কিনা জিজ্ঞেস করলে তিনি তাদের চালিত তাকওয়া পরিবহন বাসে উঠেন। পরে বাসটি যাত্রী নিয়ে চৌরাস্তায় আসে। যাত্রী নামিয়ে সেখান থেকে তাকেসহ খালি বাস নিয়ে কালিয়াকৈর পল্লীবিদ্যুৎ এলাকার ফ্লাইওভারে বাস থামিয়ে তাকে কুপ্রস্তাব দেয়। রাজি না হওয়ায় ওই দুইজন তাকে একাধিকবার ধর্ষণ করে। পরে বাসটি জয়দেবপুর থানাধীন মেম্বারবাড়ী বাসস্ট্যান্ডের কাছে পৌঁছলে জয়দেবপুর থানার টহল পুলিশ বাস থামার সংকেত দেয়। এসময় পুলিশ সড়কে বেরিকেডে বাস থামালে শরীফ দৌঁড়ে পালিয়ে যায়। পরে পুলিশ বাস থেকে ভিকটিমকে উদ্ধার এবং সাদ্দাম হোসেনকে গ্রেপ্তার করে।

বিজনেস বাংলাদেশ/বিএইচ

ট্যাগ :
জনপ্রিয়

১৪ বছর পর বাংলাদেশ থেকে সরাসরি পাকিস্তানে নামলো বিমান

গাজীপুরে চলন্ত বাসে এক কিশোরীকে ধর্ষণের অভিযোগে বাস চালক আটক

প্রকাশিত : ০৪:৩৭:১৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ৮ নভেম্বর ২০২০

গাজীপুরে চলন্ত বাসে চকলেট বিক্রেতা এক কিশোরীকে (১৬) ধর্ষণের অভিযোগে বাসচালক সাদ্দাম হোসেনকে (২২) গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

রোববার গাজীপুরের জয়দেবপুর থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) মো. খালেকুজ্জামান এ তথ্য জানিয়েছেন।
শনিবার (৭ নভেম্বর) দিবাগত রাতে এই ধর্ষণের ঘটনা ঘটে।

এ ঘটনায় ভিকটিম বাদী হয়ে দুইজনকে আসামি করে জয়দেবপুর থানায় মামলা দায়ের করেছেন।

আটক সাদ্দাম হোসেন শেরপুরের শ্রীবরদী থানার বাগতা এলাকার সুরুজের ছেলে। তিনি গাজীপুর মহানগরীর বাসন এলাকায় বসবাস করেন এবং তাকওয়া পরিবহনের বাস চালক।

এজাহার সূত্রে জানা গেছে, ধর্ষণের শিকার ওই কিশোরীর বাড়ি জামালপুরে। তিনি ঢাকার আশুলিয়ার এলাকায় বসবাস করেন এবং বাসে ফেরি করে চকলেট বিক্রি করেন। শনিবার দিবাগত রাত ৯টার দিকে চকলেট বিক্রি করার উদ্দেশ্যে গাজীপুরের কালিয়াকৈর উপজেলার চন্দ্রা বাসস্ট্যান্ডে আসেন। তখন পরিচিত শরীফ হোসেন (২০) ও সাদ্দাম হোসেন জয়দেবপুর চৌরাস্তার বেড়াতে যাবে কিনা জিজ্ঞেস করলে তিনি তাদের চালিত তাকওয়া পরিবহন বাসে উঠেন। পরে বাসটি যাত্রী নিয়ে চৌরাস্তায় আসে। যাত্রী নামিয়ে সেখান থেকে তাকেসহ খালি বাস নিয়ে কালিয়াকৈর পল্লীবিদ্যুৎ এলাকার ফ্লাইওভারে বাস থামিয়ে তাকে কুপ্রস্তাব দেয়। রাজি না হওয়ায় ওই দুইজন তাকে একাধিকবার ধর্ষণ করে। পরে বাসটি জয়দেবপুর থানাধীন মেম্বারবাড়ী বাসস্ট্যান্ডের কাছে পৌঁছলে জয়দেবপুর থানার টহল পুলিশ বাস থামার সংকেত দেয়। এসময় পুলিশ সড়কে বেরিকেডে বাস থামালে শরীফ দৌঁড়ে পালিয়ে যায়। পরে পুলিশ বাস থেকে ভিকটিমকে উদ্ধার এবং সাদ্দাম হোসেনকে গ্রেপ্তার করে।

বিজনেস বাংলাদেশ/বিএইচ