০৩:২২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৩০ জানুয়ারী ২০২৬

পাহাড় কাটা বন্ধে রাতে ইউএনও’র অভিযান

ঘড়ির কাটায় রবিবার রাত ১০টা। সাধারণত গ্রামের মানুষ ঘুমে বিভোর। সুনসান নিরবতা। এই নিরবতাকে কাজে লাগিয়ে শুরু হয়েছে পরিবশে বিধ্বংসী পাহাড় কাটা। খবর পেয়ে ঘটনান্থলে উপস্থিত হয় চকরিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সৈয়দ শামসুল তাবরীজ। এসময় পালিয়ে যায় পাহাড়ের মাটি কাটার কাজে জড়িত শ্রমিক ও দুর্বৃত্তরা। জব্দ করা হয় মাটি পাচারে কাজে ব্যবহৃত একটি পিকআপ। কক্সবাজারের চকরিয়া উপজেলার কাকারা ইউনিয়নের বার আউলিয়া নগর এলাকায় এ অভিযান পরিচালনা করা হয়।
জানা যায়, কক্সবাজার উত্তর বনবিভাগের নলবিলা বিটের অধীনে বার আউলিয়ানগর এলাকায় বনবভিাগের পাহাড় কেটে মাটি বিক্রি করছে স্থানীয় একদল দুর্বৃত্ত। এরা কোন আইনের তোয়াক্কা করে না। মাটি কাটতে কাটতে পাহাড়ের পাদদেশে একটি বাড়ি ধ্বসে পড়ার উপক্রম হয়েছে। যেকোন মুহুর্তে বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটতে পারে মাটি ধ্বসে।
একইভাবে সোমবার সকাল ১০টায় ইউএনও সৈয়দ শামসুল তাবরীজ ও ফাঁসিয়াখালী রেঞ্জ অফিসার মাজহারুল ইসলাম ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়। পাহাড় কেটে মাটি বিক্রয় ও পরিবহণ কাজে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহনের জন্য নির্দেশ প্রদান করে ইউএনও।
চকরিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সৈয়দ শামসুল তাবরীজ বলেন, বনখেকো ও মাটি খেকোদের কোনভাবে ছাড় দেয়া হবে না। এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।

বিজনেস বাংলাদেশ/বিএইচ

ট্যাগ :
জনপ্রিয়

১৪ বছর পর বাংলাদেশ থেকে সরাসরি পাকিস্তানে নামলো বিমান

পাহাড় কাটা বন্ধে রাতে ইউএনও’র অভিযান

প্রকাশিত : ০৮:৩৭:৩৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ৯ নভেম্বর ২০২০

ঘড়ির কাটায় রবিবার রাত ১০টা। সাধারণত গ্রামের মানুষ ঘুমে বিভোর। সুনসান নিরবতা। এই নিরবতাকে কাজে লাগিয়ে শুরু হয়েছে পরিবশে বিধ্বংসী পাহাড় কাটা। খবর পেয়ে ঘটনান্থলে উপস্থিত হয় চকরিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সৈয়দ শামসুল তাবরীজ। এসময় পালিয়ে যায় পাহাড়ের মাটি কাটার কাজে জড়িত শ্রমিক ও দুর্বৃত্তরা। জব্দ করা হয় মাটি পাচারে কাজে ব্যবহৃত একটি পিকআপ। কক্সবাজারের চকরিয়া উপজেলার কাকারা ইউনিয়নের বার আউলিয়া নগর এলাকায় এ অভিযান পরিচালনা করা হয়।
জানা যায়, কক্সবাজার উত্তর বনবিভাগের নলবিলা বিটের অধীনে বার আউলিয়ানগর এলাকায় বনবভিাগের পাহাড় কেটে মাটি বিক্রি করছে স্থানীয় একদল দুর্বৃত্ত। এরা কোন আইনের তোয়াক্কা করে না। মাটি কাটতে কাটতে পাহাড়ের পাদদেশে একটি বাড়ি ধ্বসে পড়ার উপক্রম হয়েছে। যেকোন মুহুর্তে বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটতে পারে মাটি ধ্বসে।
একইভাবে সোমবার সকাল ১০টায় ইউএনও সৈয়দ শামসুল তাবরীজ ও ফাঁসিয়াখালী রেঞ্জ অফিসার মাজহারুল ইসলাম ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়। পাহাড় কেটে মাটি বিক্রয় ও পরিবহণ কাজে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহনের জন্য নির্দেশ প্রদান করে ইউএনও।
চকরিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সৈয়দ শামসুল তাবরীজ বলেন, বনখেকো ও মাটি খেকোদের কোনভাবে ছাড় দেয়া হবে না। এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।

বিজনেস বাংলাদেশ/বিএইচ