পেরেরা-থারঙ্গা-চান্দিমালদের নিয়ে গড়া ব্যালেন্সড দল নিয়েও ত্রিদেশীয় সিরিজের ‘ব্যাকফুটে’ শ্রীলঙ্কা। কোচ হাথুরুর যোগদানের পর লঙ্কানদের এমন হাল দেখে হয়তো দূর থেকে পৈশাচিক হাসি হাসছে অনেকেই। বিশ্ব মাতানো ৯৬ এর বিশ্বকাপ জয়ী দলটির সম্প্রতি সময় ধরে ‘আনকোরা’ দলের মতো পারফর্মে হতবাক অনেকেই।
সত্যেন্দনাথের, ‘মেঘ দেখে কেউ করিসনে ভয়, আড়ালে তার সূর্য হাসে, হারা শশীর হারা হাসি অন্ধকারেই ফিরে আসে `কবিতাটি আরেকবার মনে করিয়ে দিল শ্রীলঙ্কা। ত্রিদেশীয় সিরিজে প্রথম দুটি ম্যাচে ব্যর্থতার বৃত্তে বন্দি থেকে তৃতীয়টিতে ঠিকই অন্ধকার ছিঁড়ে আলো এনে দিল হাথুরুর শিষ্যরা। জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে জয় তুলে নিল ৫ উইকেটে। এ জয়ে ফাইনালের স্বপ্ন বেঁচে রইল দলটির।
ম্যাচটিতে প্রথমে ব্যাটিং করা জিম্বাবুয়েকে নির্ধারিত ৫০ ওভার খেলতে দেয়নি শ্রীলঙ্কা। থিসারা-সানদাকানের বোলিং তোপে ৪৪.৫ ওভারে গুটিয়ে যায় মাসাকাদজারা। তবে শেষ পর্যন্ত টেইলর ও অধিনায়ক ক্রেমারের ব্যাটিং প্রতিরোধে ১৯৮ রান করতে সক্ষম হয় জিম্বাবুয়ে। পরবর্তীতে ছোট টার্গেটে খেলতে নেমে বেশ বেগ পেতে হয় লঙ্কানদের। তারপরও ৫ উইকেটে জয় পায় শ্রীলঙ্কা। লঙ্কানদের হয়ে সর্বোচ্চ রানের ইনিংস খেলেন কুশল পেরেরা। ৪৯ রানের ইনিংস খেলেন তিনি। এছাড়া থিসারা পেরেরা অপরাজিত ৩৯ রান করেন।


























