০৬:২৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৩০ জানুয়ারী ২০২৬

ধানমন্ডি সাব-রেজিস্ট্রি অফিসে সরকারি রাজস্ব ফাঁকির অভিযোগ

ধানমন্ডি সাব-রেজিস্ট্রি অফিসে ১৭ লাখ ৬৮ হাজার টাকা সরকারি রাজস্ব ফাঁকির ঘটনার অভিযোগ পাওয়া গেছে। গত ১১ নভেম্বরে ২৮১৯ নম্বর দলিলের বিপরীতে এফ এফ৫৩ ও ভ্যাট আত্মসাতের লক্ষ্যে সরকারি কোষাগারে টাকা জমা দেয়নি কর্মরত একটি সংঘবদ্ধ চক্র।

জানা যায়, গত ১১ নভেম্বরের ঘটনাটি জানাজানি হলে জেলা রেজিস্ট্রার বরাবর তদন্তের আবেদন করেন একজন প্রত্যক্ষদর্শী। সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, জেলা রেজিস্টার বিষয়টি তদন্তের জন্য তেজগাঁ সাব রেজিস্ট্রারকে দায়িত্ব দেন। এরই মধ্যে ঘটনা সামলাতে পারবে না মনে করে গত ২৯ নভেম্বর এফএফ৫৩’র ১৫ লাখ ১৮ হাজার টাকা তারা ব্যাংকে জমা দেয়। তবে ভ্যাট ২ লাখ ৫০ হাজার টাকা এখনও জমা দেয়নি। এ ব্যাপারে অভিযুক্ত ব্যক্তিরা হলেন- ধানমন্ডি সাব-রেজিস্ট্রি অফিসের পিয়ন মোসাম্মৎ মুসবিহা, উমেদার মোঃ জাকির হোসেন, মোঃ সাদ্দাম হোসেন ও রানাসহ আরো উমেদার জড়িত। এছাড়া ২৮১৯ নম্বর দলিলের দাতা শহীদ সরওয়ার নিজাম গং।

সরকারি রাজস্ব ফাঁকির সুনির্দিষ্ট অভিযোগ থাকা সত্ত্বেও তদন্ত কর্মকর্তা রিপোর্ট পেশ করতে বিলম্ব করেছেন বলেও অভিযোগ রয়েছে। সংঘবদ্ধ চক্রটি এর আগেও সরকারি টাকা আত্মসাতের চেষ্টা করেছে।বক্তব্য জানার জন্য অভিযুক্ত মো. সাদ্দাম হোসেন সাথে মুঠোফোনে কথা হলে তিনি সম্পূর্ণ ঘটনা অস্বীকার করেন।

বিজনেস বাংলাদেশ/ইমরান

ট্যাগ :
জনপ্রিয়

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার রেলস্টেশন থেকে গুলিসহ একটি এয়ারগান উদ্ধার করেছে র‌্যাব-৯

ধানমন্ডি সাব-রেজিস্ট্রি অফিসে সরকারি রাজস্ব ফাঁকির অভিযোগ

প্রকাশিত : ০৭:১৭:০৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১ ডিসেম্বর ২০২০

ধানমন্ডি সাব-রেজিস্ট্রি অফিসে ১৭ লাখ ৬৮ হাজার টাকা সরকারি রাজস্ব ফাঁকির ঘটনার অভিযোগ পাওয়া গেছে। গত ১১ নভেম্বরে ২৮১৯ নম্বর দলিলের বিপরীতে এফ এফ৫৩ ও ভ্যাট আত্মসাতের লক্ষ্যে সরকারি কোষাগারে টাকা জমা দেয়নি কর্মরত একটি সংঘবদ্ধ চক্র।

জানা যায়, গত ১১ নভেম্বরের ঘটনাটি জানাজানি হলে জেলা রেজিস্ট্রার বরাবর তদন্তের আবেদন করেন একজন প্রত্যক্ষদর্শী। সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, জেলা রেজিস্টার বিষয়টি তদন্তের জন্য তেজগাঁ সাব রেজিস্ট্রারকে দায়িত্ব দেন। এরই মধ্যে ঘটনা সামলাতে পারবে না মনে করে গত ২৯ নভেম্বর এফএফ৫৩’র ১৫ লাখ ১৮ হাজার টাকা তারা ব্যাংকে জমা দেয়। তবে ভ্যাট ২ লাখ ৫০ হাজার টাকা এখনও জমা দেয়নি। এ ব্যাপারে অভিযুক্ত ব্যক্তিরা হলেন- ধানমন্ডি সাব-রেজিস্ট্রি অফিসের পিয়ন মোসাম্মৎ মুসবিহা, উমেদার মোঃ জাকির হোসেন, মোঃ সাদ্দাম হোসেন ও রানাসহ আরো উমেদার জড়িত। এছাড়া ২৮১৯ নম্বর দলিলের দাতা শহীদ সরওয়ার নিজাম গং।

সরকারি রাজস্ব ফাঁকির সুনির্দিষ্ট অভিযোগ থাকা সত্ত্বেও তদন্ত কর্মকর্তা রিপোর্ট পেশ করতে বিলম্ব করেছেন বলেও অভিযোগ রয়েছে। সংঘবদ্ধ চক্রটি এর আগেও সরকারি টাকা আত্মসাতের চেষ্টা করেছে।বক্তব্য জানার জন্য অভিযুক্ত মো. সাদ্দাম হোসেন সাথে মুঠোফোনে কথা হলে তিনি সম্পূর্ণ ঘটনা অস্বীকার করেন।

বিজনেস বাংলাদেশ/ইমরান