এ মৌসুমে খুনে ফর্মে থাকা লিওনেল মেসি ও লুইস সুয়ারেজের গোলে আলাভেসকে ২-১ ব্যবধানে হারিয়েছে কাতালানরা। তবে ম্যাচের ফল অন্য কিছু হলেও বিস্ময় জাগত না। এ ম্যাচের প্রথমার্ধের ভিডিও ইউরোপের বড় দলগুলো চাইলে সংগ্রহ করে রাখতে পারে। ২৩ মিনিটে আক্রমণে ওঠা বার্সা বল হারায় আলাভেস অর্ধে। মেসির পা থেকে পাওয়া বল আসে আলাভেস উইঙ্গারের কাছে। তাঁর লম্বা থ্রু বুঝে নিয়ে দৌড় শুরু করলেন জন গুইদেতি। এবারও পুরোনো সেই দৃশ্য। দুজন আলাভেস খেলোয়াড়ের মাঝে দৌড়াচ্ছেন একজন বার্সা ডিফেন্ডার।
গুইদেতি তাই পাস দেওয়ার ঝামেলায় গেলেন না। ডান পায়ের এক শটে পরাস্ত করলেন স্টেগেনকে। তবে ডান পায়ের শট বাঁ পায়ের বুটে লাগায় দিক পরিবর্তন করাটাও পক্ষে গেছে গুইদেতির। এ মৌসুমে বার্সেলোনার আসল রূপ দেখা যাচ্ছে দ্বিতীয়ার্ধে। প্রতিপক্ষকে ক্লান্ত করে তারপর গোল করার উৎসবে নামে বার্সেলোনা। শুরুতেই দুই অনিয়মিত ফুল ব্যাককে তুলে নামানো হলো জর্ডি আলবা ও সার্জি রবার্তোকে। এ মৌসুমে মেসিকে পাঁচটি গোল বানিয়ে দিয়েছেন আলবা। আর রবার্তোর বানিয়ে দেওয়া পাঁচ গোলের পাশে নাম লিখিয়েছেন সুয়ারেজ!
এ দুজন মাঠে নামতেই বার্সেলোনার আক্রমণের ধার বাড়ল। তবে বার্সা ম্যাচে ফিরল ৭১ মিনিটে। বাঁ প্রান্ত দিয়ে একাই আলাভেস রক্ষণকে ধোঁকায় ফেলে দিলেন আন্দ্রেস ইনিয়েস্তা। তাঁর ক্রস থেকে সুয়ারেজের নেওয়া শটটি পারল পাচেকোকে ফাঁকি দিতে। তবে সুয়ারেজের শট গোলে যাওয়ার আগে পিকের গায়ে না লাগলে হয়তো সেটাও হতো না। পরের ১০ মিনিট বার্সেলোনা শুধু আক্রমণের পর আক্রমণ করে গেছে। কিন্তু কোনো ফল হয়নি। ৮৩ মিনিটে মেসির এক ফ্রি কিকে এল ফল। দুর্দান্ত এই ফ্রি কিকে বল হাতে লাগাতে পারলেও জালে যাওয়া আটকাতে পারেননি পাচেকো। যদিও রিপ্লেতে দেখা গেছে, পাকো আলকাসেরকে ফাউলের জন্য ফ্রি কিক দেওয়া হয়েছিল। অথচ ফাউলের মুহূর্তে আলকাসের অফসাইডে ছিলেন। গোল নিয়েই যথেষ্ট বিতর্কের জন্ম হতো।
সে বিতর্কের আগুন উসকে দেওয়া হলো ৮৭ মিনিটে। বার্সা ডি বক্সে সিজর কিক নিয়েছিলেন বার্সেলোনা থেকেই ধারে আলাভেসে খেলতে যাওয়া মুনির এল হাদ্দাদি। সে শট উমতিতির হাতে লেগে ফিরে এসেছে। কিন্তু আলাভেসের পেনাল্টির আবেদনে রেফারি সায় দেননি কোনো।


























