শীতের রুক্ষতা মুছে দক্ষিণ হাওয়ায় ভর করে এসেছে বসন্ত।ঋতুর রাজা বসন্ত এসে গেছে, আর বসন্তকে স্বাগত জানাতে ফুলে ফুলে সেজে উঠেছে প্রকৃতি। কারণ বসন্ত মানেই বাহারি ফুলের সমাহার।দেশের প্রতিটি ক্যাম্পাসে লেগেছে বসন্তের ছোঁয়া।
উপকূলীয় অক্সফোর্ড হিসেবে খ্যাত নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় ( নোবিপ্রবি) তে লেগেছে বসন্তের ছোঁয়া। ক্যাম্পাসের প্রতিটি কোনা নানা রংয়ের বাহারি ফুলে ভরে গিয়েছে। বসন্তের ফুলের মুগ্ধতা ছড়িয়ে গেছে পুরো ক্যাম্পাস জুড়ে। বসন্তের বধূর মতো সাজে সেজেছে নোবিপ্রবি ক্যাম্পাস। কিন্তু করোনার মহামারির কারণে একাডেমিক কার্যক্রম বন্ধ থাকায়, নেই কোন কোলাহল। নেই ক্যাম্পাসে বসন্তকে বরণ করে নেওয়া প্রকৃতিপ্রেমি শিক্ষার্থীদের কোন কার্যক্রম। অথচ, বসন্ত উপলক্ষে প্রতিবছরই নোবিপ্রবিতে থাকতো বাহারি সাজ, হরেক আয়োজন।

বিশ্ববিদ্যালয় ও হল প্রশাসনের উদ্যোগে প্রতিটি হলের সামনে এবং ক্যাম্পাসের প্রায় প্রতিটি স্থানে গড়ে উঠেছে অনিন্দ্য সুন্দর ফুলের বাগান। বিশ্ববিদ্যালয়ের গোলচত্বর ও অডিটোরিয়াম ভবনের সামনের চত্বরের বাগানে ফুটেছে নানা রংয়ের হরেক রকমের ফুল। ফুল গুলোর মধ্যে রয়েছে – বিভিন্ন ধরনের গাঁদা, ডালিয়া, জিনিয়া, গোলাপ, চন্দ্রমল্লিকা, মোরগ ঝুঁটিসহ নানা প্রজাতির ফুল। ফুলে ফুলে উড়ে বেড়াচ্ছে প্রজাপতি আর মধু আহরণে ব্যাস্ত মৌমাছি। মনে হয় বসন্ত যেন তার পুরো রং-রূপ ঢেলে দিয়েছে ক্যাম্পাসে।
এর পাশাপাশি, বিশ্ববিদ্যালয়ে কেন্দ্রীয় খেলার মাঠ সংলগ্ন জায়গায় বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন কতৃক গড়ে তোলা সরিষা ও সূর্যোমুখি ক্ষেত বসন্তের সাজে যোগ করেছে নতুন মাত্রা।
বিশ্ববিদ্যালয়ে ক্লাস না চললেও, বসন্তের নয়নাভিরাম সৌন্দর্য উপভোগ করার জন্য শিক্ষার্থীরা ক্যাম্পাসে আসছেন। এছাড়াও প্রকৃতির টানে পার্শ্ববর্তী এলাকায় থাকা সৌখিন মানুষেরা তাদের বন্ধুবান্ধব, পরিবার-পরিজন নিয়ে ঘুরতে আসে এই ক্যাম্পাসে।অর্থনীতি বিভাগের শিক্ষার্থী সুজন হরিদাস আজকের বিজনেস বাংলাদেশকে বলেন, ” প্রকৃতির অপরূপ সাজে সেজেছে আমার প্রিয় ক্যাম্পাস। দীর্ঘদিন বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধ থাকার কারণে নেই শিক্ষার্থীদের কোলাহল। তবু প্রকৃতির এ বাহারি সাজ মুগ্ধ করবে প্রতিটি প্রকৃতিপ্রেমিকে। ”
বিজনেস বাংলাদেশ/বিএইচ





















