১০:৩৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৬ জানুয়ারী ২০২৬

আমার কোনো আক্ষেপ নেই: সৌরভ

সৌরভ গাঙ্গুলি। ভারতের প্রথম সফল অধিনায়ক তিনি। কিভাবে বিদেশের মাটিতে প্রতিপক্ষের চোখে চোখ রেখে সিরিজ জিততে হয়, তা শিখিয়েছেন তিনি। হয়তো ভারতের সর্বকালের সেরা অধিনায়কদের তালেকায় তার নামটি প্রথমেই থাকবে। ক্রিকেট মাঠের সাথে প্রায় এক যুগেরও বেশি সময়ের প্রেম শেষ হতে সময় লেগেছিল মাত্র ১ মিনিট! একটা ভুল শট আর আউট। ক্ষমা করেনি ক্রিকেট। বিচ্ছেদের মিশনে দ্বিতীয়বার সুযোগ পাননি কলকাতার দাদা। আক্ষেপ হয়? ‘এ সেঞ্চুরি ইজ নট এনাফ’, নিজের প্রথম বইতে সৌরভ নিজেই অবশেষে জানালেন, “না, আমার কোনও আক্ষেপ নেই।” সঙ্গে এটাও জানালেন, “নাগপুরে আমি একটি শতরান থেকে বঞ্চিত হয়েছি, তার জন্য আজও দুঃখ হয়।”

৬ নভেম্বর ২০০৮- নাগপুরের সেই সময়ের বিশ্বের সবথেকে শক্তিশালী টেস্ট দলের বিরুদ্ধে মাঠে নেমেছিল ভারত। অস্ট্রেলিয়ার আগুনে বোলার ব্রেট লি’র বাউন্স, তরুণ জনসনের পেস, ওয়াটসনের সুইং কিংবা ক্রেজার স্পিন কোনও কিছুই সেদিন থামাতে পারেনি সৌরভের ব্যাটকে। গাঙ্গুলির ৮৫ রানের একটা ইনিংসে ছিল চোখে লেগে থাকার মতো। তবে স্পিন ভাল খেলা সৌরভ অবশেষে কাটা পড়লেন স্পিন বিষেই। স্কোরবোর্ডে সৌরভের রান তখন ৮৫। ১৫ থেকে দূরে থেমে যাওয়াটাই যে ক্রিকেট জীবনের সব থেকে দুঃখের, অবশেষে এই চরম সত্য নিজেই জানালেন সৌরভ গাঙ্গুলি।

আর জীবনের শেষ ইনিংসে সৌরভ ২২ গজে সময় কাটিয়েছিলেন মাত্র ১ মিনিট। দ্বিতীয় ইনিংসেও অস্ট্রেলিয়ার স্পিনার ক্রেজারের বলেই আউট হন ‘গড অব অফসাইড’। প্রথম বলেই স্পিনের বিপরীতে খেলতে গিয়ে ক্যাচ দিয়ে সাজঘরে ফিরেছিলেন সৌরভ। এতে একটুও আক্ষেপ নেই। কিন্তু প্রথম ইনিংসের শতরান না পাওয়া, যেটা সৌরভকে আজও দুঃখ দেয়। ১৫৩ বলে ৮৫, গড় ছিল ৫৫.৫৫। ২২ গজে ব্যাট হাতে সৌরভ কাটিয়েছিলেন ২২০ মিনিট। লড়াই করেও শেষ হাসি হাসতে পারেননি কলকাতার মহারাজ। সেটাই হল তাঁর ক্রিকেট জীবনের সব থেকে দুঃখের সফর।

ট্যাগ :
জনপ্রিয়

ময়মনসিংহে ৩ দিনব্যাপী কৃষি মেলা শুরু

আমার কোনো আক্ষেপ নেই: সৌরভ

প্রকাশিত : ০৯:০৯:২৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ৫ ফেব্রুয়ারী ২০১৮

সৌরভ গাঙ্গুলি। ভারতের প্রথম সফল অধিনায়ক তিনি। কিভাবে বিদেশের মাটিতে প্রতিপক্ষের চোখে চোখ রেখে সিরিজ জিততে হয়, তা শিখিয়েছেন তিনি। হয়তো ভারতের সর্বকালের সেরা অধিনায়কদের তালেকায় তার নামটি প্রথমেই থাকবে। ক্রিকেট মাঠের সাথে প্রায় এক যুগেরও বেশি সময়ের প্রেম শেষ হতে সময় লেগেছিল মাত্র ১ মিনিট! একটা ভুল শট আর আউট। ক্ষমা করেনি ক্রিকেট। বিচ্ছেদের মিশনে দ্বিতীয়বার সুযোগ পাননি কলকাতার দাদা। আক্ষেপ হয়? ‘এ সেঞ্চুরি ইজ নট এনাফ’, নিজের প্রথম বইতে সৌরভ নিজেই অবশেষে জানালেন, “না, আমার কোনও আক্ষেপ নেই।” সঙ্গে এটাও জানালেন, “নাগপুরে আমি একটি শতরান থেকে বঞ্চিত হয়েছি, তার জন্য আজও দুঃখ হয়।”

৬ নভেম্বর ২০০৮- নাগপুরের সেই সময়ের বিশ্বের সবথেকে শক্তিশালী টেস্ট দলের বিরুদ্ধে মাঠে নেমেছিল ভারত। অস্ট্রেলিয়ার আগুনে বোলার ব্রেট লি’র বাউন্স, তরুণ জনসনের পেস, ওয়াটসনের সুইং কিংবা ক্রেজার স্পিন কোনও কিছুই সেদিন থামাতে পারেনি সৌরভের ব্যাটকে। গাঙ্গুলির ৮৫ রানের একটা ইনিংসে ছিল চোখে লেগে থাকার মতো। তবে স্পিন ভাল খেলা সৌরভ অবশেষে কাটা পড়লেন স্পিন বিষেই। স্কোরবোর্ডে সৌরভের রান তখন ৮৫। ১৫ থেকে দূরে থেমে যাওয়াটাই যে ক্রিকেট জীবনের সব থেকে দুঃখের, অবশেষে এই চরম সত্য নিজেই জানালেন সৌরভ গাঙ্গুলি।

আর জীবনের শেষ ইনিংসে সৌরভ ২২ গজে সময় কাটিয়েছিলেন মাত্র ১ মিনিট। দ্বিতীয় ইনিংসেও অস্ট্রেলিয়ার স্পিনার ক্রেজারের বলেই আউট হন ‘গড অব অফসাইড’। প্রথম বলেই স্পিনের বিপরীতে খেলতে গিয়ে ক্যাচ দিয়ে সাজঘরে ফিরেছিলেন সৌরভ। এতে একটুও আক্ষেপ নেই। কিন্তু প্রথম ইনিংসের শতরান না পাওয়া, যেটা সৌরভকে আজও দুঃখ দেয়। ১৫৩ বলে ৮৫, গড় ছিল ৫৫.৫৫। ২২ গজে ব্যাট হাতে সৌরভ কাটিয়েছিলেন ২২০ মিনিট। লড়াই করেও শেষ হাসি হাসতে পারেননি কলকাতার মহারাজ। সেটাই হল তাঁর ক্রিকেট জীবনের সব থেকে দুঃখের সফর।