০৫:৪৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৯ জানুয়ারী ২০২৬

পাহাড়ে অগ্নিকাণ্ড,জড়িতদের খুঁজছে কুবি প্রশাসন!

কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুবি) পাহাড়ে অাবারও আগুন দেওয়ার ঘটনা ঘটেছে। রবিবার (২৮ মার্চ) বেলা ১১টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান হলের পশ্চিম পাশের পাহাড়ে এই অগ্নিকাণ্ডে ঘটনা ঘটে। তবে কে বা কারা এবারও পাহাড়ে আগুন দিয়েছে তা জানেনা বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন।

বারবার বিশ্ববিদ্যালয়ের পাহাড়ে আগুন লাগার বিষয়ে রেজিস্ট্রার (অতিরিক্ত দায়িত্বে) অধ্যাপক ড. মো. আবু তাহের বলেন, ‘বিশ্ববিদ্যালয়ের পাহাড়ে বারবার কারা আগুন দিচ্ছে সে বিষয়ে আমরা তদন্ত করছি। বিশ্ববিদ্যালয়ের কেউ যদি আগুন দিয়ে থাকে তাহলে ব্যবস্থা নেয়া হবে।

সরেজমিনে দেখা যায়, পাহাড়টির প্রায় অর্ধেকাংশ আগুনে পুড়ে গেছে। এতে প্রায় গাছ-পালা পুড়ে যায়। পরে খবর পেয়ে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন ও হল প্রশাসনের কর্মচারীরা আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। পরে ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা পর্যবেক্ষণ করেছেন জায়গাটি।প্রত্যক্ষদর্শী এক কর্মচারী জানান, পাহাড়ে নিচে কাজ করতে গিয়ে পাহাড়ে আগুন দেখতে পেয়ে হল প্রশাসনকে জানায়। পরে আমিসহ অন্যরা আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে পেরেছি।

এর আগেও বিশ্ববিদ্যালয়ের পাহাড়ে একাধিকবার আগুন লাগার ঘটনা ঘটেছে। ২০২০ সালের ১৪ মার্চ বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাফেটেরিয়ার পাশের একটি পাহাড়ে এবং গত ১৮ মার্চ বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান হলের পূর্ব পাশের একটি পাহাড়ে আগুন লাগার ঘটনা ঘটে। বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন থেকে পরিচ্ছন্নতার নামে আগুন দেওয়া হয় এবং পাশাপাশি বহিরাগতদের সিগারেট ও মাদক সেবন থেকে এ আগুন লাগতে পারে অভিযোগ শিক্ষার্থীদের।

এ বিষয়ে এস্টেট শাখার সহকারী রেজিস্ট্রার মো. মিজানুর রহমান বলেন, আগুন লাগার বিষয়টি জানতে পেরেছি। তবে কে বা কারা বারবার পাহাড়ে আগুন দিচ্ছে সেটা সঠিক বলতে পারব না। আমার অফিসের শ্রমিকেরা বঙ্গবন্ধু হলের ওই পাহাড়ে কাজ করতে যায় না। সেক্ষেত্রে বহিরাগতরা যেহেতু এদিক দিয়ে চলাচল করে সেসময় হয়তো সিগারেটের আগুন থেকে এমনটা ঘটতে পারে। তবে আমি মনে করি বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন যদি নিরাপত্তা জোরদার করতে পারে সেক্ষেত্রে এমন ঘটনা কমিয়ে আনা যাবে।

বিজনেস বাংলাদেশ/বিএইচ

ট্যাগ :
জনপ্রিয়

ভেড়ামারায় প্রশিক্ষণ কর্মশালা, অবহিতকরণ সভা ও ক্রীড়া প্রতিযোগিতার পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠিত

পাহাড়ে অগ্নিকাণ্ড,জড়িতদের খুঁজছে কুবি প্রশাসন!

প্রকাশিত : ০৫:১৩:১৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৮ মার্চ ২০২১

কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুবি) পাহাড়ে অাবারও আগুন দেওয়ার ঘটনা ঘটেছে। রবিবার (২৮ মার্চ) বেলা ১১টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান হলের পশ্চিম পাশের পাহাড়ে এই অগ্নিকাণ্ডে ঘটনা ঘটে। তবে কে বা কারা এবারও পাহাড়ে আগুন দিয়েছে তা জানেনা বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন।

বারবার বিশ্ববিদ্যালয়ের পাহাড়ে আগুন লাগার বিষয়ে রেজিস্ট্রার (অতিরিক্ত দায়িত্বে) অধ্যাপক ড. মো. আবু তাহের বলেন, ‘বিশ্ববিদ্যালয়ের পাহাড়ে বারবার কারা আগুন দিচ্ছে সে বিষয়ে আমরা তদন্ত করছি। বিশ্ববিদ্যালয়ের কেউ যদি আগুন দিয়ে থাকে তাহলে ব্যবস্থা নেয়া হবে।

সরেজমিনে দেখা যায়, পাহাড়টির প্রায় অর্ধেকাংশ আগুনে পুড়ে গেছে। এতে প্রায় গাছ-পালা পুড়ে যায়। পরে খবর পেয়ে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন ও হল প্রশাসনের কর্মচারীরা আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। পরে ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা পর্যবেক্ষণ করেছেন জায়গাটি।প্রত্যক্ষদর্শী এক কর্মচারী জানান, পাহাড়ে নিচে কাজ করতে গিয়ে পাহাড়ে আগুন দেখতে পেয়ে হল প্রশাসনকে জানায়। পরে আমিসহ অন্যরা আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে পেরেছি।

এর আগেও বিশ্ববিদ্যালয়ের পাহাড়ে একাধিকবার আগুন লাগার ঘটনা ঘটেছে। ২০২০ সালের ১৪ মার্চ বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাফেটেরিয়ার পাশের একটি পাহাড়ে এবং গত ১৮ মার্চ বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান হলের পূর্ব পাশের একটি পাহাড়ে আগুন লাগার ঘটনা ঘটে। বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন থেকে পরিচ্ছন্নতার নামে আগুন দেওয়া হয় এবং পাশাপাশি বহিরাগতদের সিগারেট ও মাদক সেবন থেকে এ আগুন লাগতে পারে অভিযোগ শিক্ষার্থীদের।

এ বিষয়ে এস্টেট শাখার সহকারী রেজিস্ট্রার মো. মিজানুর রহমান বলেন, আগুন লাগার বিষয়টি জানতে পেরেছি। তবে কে বা কারা বারবার পাহাড়ে আগুন দিচ্ছে সেটা সঠিক বলতে পারব না। আমার অফিসের শ্রমিকেরা বঙ্গবন্ধু হলের ওই পাহাড়ে কাজ করতে যায় না। সেক্ষেত্রে বহিরাগতরা যেহেতু এদিক দিয়ে চলাচল করে সেসময় হয়তো সিগারেটের আগুন থেকে এমনটা ঘটতে পারে। তবে আমি মনে করি বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন যদি নিরাপত্তা জোরদার করতে পারে সেক্ষেত্রে এমন ঘটনা কমিয়ে আনা যাবে।

বিজনেস বাংলাদেশ/বিএইচ