ধাওয়ানের দুর্দান্ত সেঞ্চুরি ও কোহলির দুরন্ত হাফ-সেঞ্চুরিতে প্রোটিয়াদের সামনে ২৯০ রানের টার্গেট দিয়েছে ভারত৷ ওয়ান্ডারার্সে দারুণ শুরু করেও শেষটা ভালো হল না টিম কোহলির৷ নির্ধারিত ৫০ ওভারে সাত উইকেটে ২৮৯ রান তোলে ভারত৷ শেষ ১০ ওভারে তিন উইকেট হারিয়ে মাত্র ৫৯ রান তোলে টিম ইন্ডিয়া৷
কেরিয়ারের একশতম ওয়ান ডে ম্যাচে সেঞ্চুরি করে নজির গড়লেন শিখর ধাওয়ান৷ জো’বার্গে শনিবার গোলাপি ম্যাচে ব্লু জার্সিতে শতরান করেন টিম ইন্ডিয়ার বাঁ-হাতি ওপেনার৷ ৯৯ বলে ক্রিস মরিসকে স্ট্রেট ড্রাইভে বাউন্ডারিতে পাঠিয়ে সেঞ্চুরিতে পৌঁছন ধাওয়ান৷ সেঞ্চুরির পর অবশ্য বেশিক্ষণ ক্রিজে কাটাতে পারেননি ‘গব্বর’৷ বিদ্যুৎ চমকানোর জন্য ম্যাচ কিছুক্ষণ বন্ধ থাকে৷ কিন্তু তার পর ম্যাচ শুরু হলে দ্রুত ধাওয়ান ও রাহানের উইকেট হারায় ভারত৷ব্যতিক্রম ১০৯ রানে আউট হন ধাওয়ান৷আর কিন্তু ব্যক্তিগত ৮ রানে পুল করতে গিয়ে উইকেট ছুঁড়ে দিয়ে আসেন রাহানে৷ধাওয়ানের সেঞ্চুরি, বিরাটের দুরন্ত হাফ-সেঞ্চুরি এবং ধোনির ঝোড়ো ৪৩ বল ৪২ রান ছাড়া বলার মতো কেউ রান করেননি৷
ভারতের প্রথম ব্যাটসম্যান হিসেবে সেঞ্চুরি ওয়ান ডে ম্যাচে সেঞ্চুরির কৃতিত্ব অর্জন করেন ধাওয়ান৷ সেই সঙ্গে ওয়ান ডে কেরিয়ারে ১৩ নম্বর সেঞ্চুরি করেন দিল্লির এই বাঁ-হাতি৷আফ্রিকান সাফারির শুরুটা ভালো হয়নি গব্বরের৷প্রথম টেস্টে রান না-পাওয়ায় সিরিজের পরের দু’টি টেস্টে দলে ঠাঁই হয়নি ধাওয়ানের৷কিন্তু ওয়ান ডে সিরিজে প্রথম ম্যাচ থেকেই রান ফিরতে থাকেন এই বাঁ-হাতি৷ প্রথম ম্যাচে ৩৫ এবং পরের দু’টি ম্যাচে হাফ-সেঞ্চুরি যথাক্রমে অপরাজিত ৫১ এবং ৭৬ রানের পর এদিন ওয়ান্ডারার্সে সেঞ্চুরি করেন ধাওয়ান৷
জো’বার্গে এদিন টস জিতে প্রথম ব্যাটিং নেন ভারত অধিনায়ক বিরাট কোহিল৷ শুরুতেই রোহিত শর্মা প্যাভিলিয়নে ফিরে যাওয়ায় শুরুটা ভালো হয়নি টিম ইন্ডিয়ার৷কিন্তু দ্বিতীয় উইকেটে ক্যাপ্টেন কোহলি ও ধাওয়ান ১৫৮ রান যোগ করে ভারতীয় ইনিংসের ভিত মজবুত করেন৷বিরাট ব্যক্তিগত ৭৫ রানে মরিসের বলে প্যাভিলিয়নে ফিরলেও সেঞ্চুরি করেন ধাওয়ান৷শেষ দিকে ধোনির অভিজ্ঞতায় ভর করে ৫০ ওভারে সাত উইকেটে ২৮৯ রান তোলে ভারত৷৩-০ এগিয়ে থাকা বিরাটবাহিনী জো’বার্গে জিতলেই সিরিজ পকেটে পুরবে৷


























