১১:৪৭ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২০ জানুয়ারী ২০২৬

রোহিঙ্গা সংকট বাংলাদেশের একার নয়: জন কেরি

রোহিঙ্গা ইস্যুতে অংসান সু চি ও মিয়ানমারের সামরিক কর্মকর্তাদের কঠোর সমালোচনা করেছেন ঢাকায় সফররত প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের জলবায়ু বিষয়ক দূত জন কেরি। বলেন, এই সংকট বাংলাদেশের একার নয়। রোহিঙ্গা সংকট সমাধানে যুক্তরাষ্ট্রের আলোচনার প্রেক্ষিতে দেশটির নোবেল বিজয়ী গণতান্ত্রিক নেত্রী অংসান সু চি ও সামরিক কর্মকর্তারা কোনো প্রকার সম্মান দেখায়নি বলে জানিয়েছেন ঢাকায় সফররত প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের জলবায়ু বিষয়ক দূত জন কেরি।
শুক্রবার রাজধানীর রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন পদ্মায় বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ কে আব্দুল মোমেনের সঙ্গে যৌথ সংবাদ সম্মেলনে এসে এক প্রশ্নের উত্তরে কেরি এ কথা বলেন। মিয়ানমারে সেনা অভ্যুত্থানের বিষয়টি ইঙ্গিত করে তিনি বলেন, ‘মিয়ানমার এখন অন্যভাবে পরিচালিত হচ্ছে।’ অংসান সু চি ও দেশটির সামরিক কর্মকর্তাদের কড়া সমালোচনা করে যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক এই পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘আমি জানি, আমরা বিষয়টি নিয়ে অনেক চেষ্টা করেছি। আমাদের অনেক প্রত্যাশাও ছিল। রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনসহ দেশটির সংকট নিয়ে অংসান সু চির সঙ্গে আমি বার বার কথা বলেছি। আমি নেপিদোয় গিয়েছি। জেনারেলদের সঙ্গে দেখা করেছি। সৌজন্যতার সর্বোচ্চটা দিয়ে বিষয়গুলো নিয়ে কথা বলেছি। কিন্তু তারা কোনো সম্মান দেখায়নি।’ জন কেরি বলেন, ‘রোহিঙ্গাদের সঙ্গে যা ঘটেছে এবং মিয়ানমারের জনগণের সঙ্গে এখন যা ঘটছে, সেটা এই গ্রহের মানুষের জন্য সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ।’ রোহিঙ্গাদের প্রতি বাংলাদেশের সহমর্মিতায় প্রেসিডেন্ট বাইডেন খুবই কৃতজ্ঞ জানিয়ে তার দূত বলেন, ‘রোহিঙ্গা সংকট শুধু বাংলাদেশের একার দায় নয়।’
এটিকে বৈশ্বিক সংকট হিসেবে উল্লেখ করে দিয়ে জন কেরি বলেন, ‘বিশ্ব সম্প্রদায়ের এ বিষয়ে এগিয়ে আসা উচিত। জাতিসংঘ যে কারণে আছে অর্থাৎ জাতিসংঘের নেতৃত্বে সব দেশর সম্মিলিতভাবে এই সংকট সমাধানে এগিয়ে আসা উচিত।’ রোহিঙ্গাদের আশ্রয় দেয়ায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ভূয়সী প্রশংসা করে তিনি বলেন, ‘সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দেয়ার ক্ষেত্রে বাংলাদেশ অনন্য। তাদের (রোহিঙ্গা) আশ্রয় দিয়েছে, তাদের ভবিষ্যতের কথা ভেবে একটা দ্বীপে পূনর্বাসন করছে। কিন্তু এটি দীর্ঘস্থায়ী কোনো সমাধান নয়।’

ট্যাগ :
জনপ্রিয়

জামালপুরে ছাত্রদলের নাম ব্যবহার করে বিশৃঙ্খলার প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন

রোহিঙ্গা সংকট বাংলাদেশের একার নয়: জন কেরি

প্রকাশিত : ১২:৩১:৩০ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১০ এপ্রিল ২০২১

রোহিঙ্গা ইস্যুতে অংসান সু চি ও মিয়ানমারের সামরিক কর্মকর্তাদের কঠোর সমালোচনা করেছেন ঢাকায় সফররত প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের জলবায়ু বিষয়ক দূত জন কেরি। বলেন, এই সংকট বাংলাদেশের একার নয়। রোহিঙ্গা সংকট সমাধানে যুক্তরাষ্ট্রের আলোচনার প্রেক্ষিতে দেশটির নোবেল বিজয়ী গণতান্ত্রিক নেত্রী অংসান সু চি ও সামরিক কর্মকর্তারা কোনো প্রকার সম্মান দেখায়নি বলে জানিয়েছেন ঢাকায় সফররত প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের জলবায়ু বিষয়ক দূত জন কেরি।
শুক্রবার রাজধানীর রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন পদ্মায় বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ কে আব্দুল মোমেনের সঙ্গে যৌথ সংবাদ সম্মেলনে এসে এক প্রশ্নের উত্তরে কেরি এ কথা বলেন। মিয়ানমারে সেনা অভ্যুত্থানের বিষয়টি ইঙ্গিত করে তিনি বলেন, ‘মিয়ানমার এখন অন্যভাবে পরিচালিত হচ্ছে।’ অংসান সু চি ও দেশটির সামরিক কর্মকর্তাদের কড়া সমালোচনা করে যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক এই পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘আমি জানি, আমরা বিষয়টি নিয়ে অনেক চেষ্টা করেছি। আমাদের অনেক প্রত্যাশাও ছিল। রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনসহ দেশটির সংকট নিয়ে অংসান সু চির সঙ্গে আমি বার বার কথা বলেছি। আমি নেপিদোয় গিয়েছি। জেনারেলদের সঙ্গে দেখা করেছি। সৌজন্যতার সর্বোচ্চটা দিয়ে বিষয়গুলো নিয়ে কথা বলেছি। কিন্তু তারা কোনো সম্মান দেখায়নি।’ জন কেরি বলেন, ‘রোহিঙ্গাদের সঙ্গে যা ঘটেছে এবং মিয়ানমারের জনগণের সঙ্গে এখন যা ঘটছে, সেটা এই গ্রহের মানুষের জন্য সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ।’ রোহিঙ্গাদের প্রতি বাংলাদেশের সহমর্মিতায় প্রেসিডেন্ট বাইডেন খুবই কৃতজ্ঞ জানিয়ে তার দূত বলেন, ‘রোহিঙ্গা সংকট শুধু বাংলাদেশের একার দায় নয়।’
এটিকে বৈশ্বিক সংকট হিসেবে উল্লেখ করে দিয়ে জন কেরি বলেন, ‘বিশ্ব সম্প্রদায়ের এ বিষয়ে এগিয়ে আসা উচিত। জাতিসংঘ যে কারণে আছে অর্থাৎ জাতিসংঘের নেতৃত্বে সব দেশর সম্মিলিতভাবে এই সংকট সমাধানে এগিয়ে আসা উচিত।’ রোহিঙ্গাদের আশ্রয় দেয়ায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ভূয়সী প্রশংসা করে তিনি বলেন, ‘সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দেয়ার ক্ষেত্রে বাংলাদেশ অনন্য। তাদের (রোহিঙ্গা) আশ্রয় দিয়েছে, তাদের ভবিষ্যতের কথা ভেবে একটা দ্বীপে পূনর্বাসন করছে। কিন্তু এটি দীর্ঘস্থায়ী কোনো সমাধান নয়।’