০৯:০৫ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১১ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

চতুর্থ হারের স্বাদ পেল মোস্তাফিজ

ছয় ম্যাচে চতুর্থ হারের স্বাদ পেয়েছে মোস্তাফিজদের দল। ব্যাটিংটাই ডুবিয়ে দিল রাজস্থান রয়্যালসকে! ফ্লাট উইকেটে ১৭২ রান তাড়া করতে তেমন কষ্টই হয়নি মুম্বাই ইন্ডিয়ান্সের। ৭ উইকেট আর ৯ বল হাতে রেখে তারা হারিয়েছে রাজস্থানকে, তুলে নিয়েছে আসরে নিজেদের তৃতীয় জয়।

দিল্লির অরুণ জেটলি স্টেডিয়ামে রান তাড়ায় নেমে কুইন্টন ডি ককের ব্যাটে পাওয়ার প্লে’তে ভালো রান পায় মুম্বাই ইন্ডিয়ান্স। ষষ্ঠ ওভারের শেষ বলে ক্রিস মরিস ধীরগতির রোহিত শর্মাকে (১৭ বলে ১৪) তুলে নিলেও ১ উইকেটে ৪৯ রান তুলে মুম্বাই।

ইনিংসের চতুর্থ ওভারে মোস্তাফিজুর রহমানকে আক্রমণে এনেছিলেন রাজস্থান অধিনায়ক সঞ্জু স্যামসন। টাইগার পেসারের প্রথম দুই ডেলিভারিতেই চার আর ছক্কা হাঁকিয়ে বসেন ডি কক। তবে পরের চার বলে ৩ রানের বেশি দেননি কাটার মাস্টার। প্রথম ওভার শেষ করেন ১৩ রান দিয়ে।

অষ্টম ওভারে আবারও বল হাতে পান মোস্তাফিজ। ওভারের প্রথম বলটি স্লিপে ক্যাচের মতো ওঠে বাউন্ডারি হয়ে যায়। তৃতীয় বলেই এলবিডব্লিউয়ের আবেদন হয়েছিল, রিভিউও নিয়েছিল রাজস্থান। কিন্তু বল ব্যাটের কানায় লেগে যাওয়ায় সেটা বাতিল হয়ে যায়। ওই ওভারে ৮ রান খরচ করেন ফিজ।

দশম ওভারে এসে রাজস্থানকে আরও একটি উইকেট এনে দেন মরিস। সূর্যকুমার যাদব ভালো শুরুর পর ১০ বলে ১৬ করে হন মিডউইকেটে জস বাটলারের ক্যাচ। তবে ডি কক ঝড় থামেনি। ৩৫ বলে হাফসেঞ্চুরি পূর্ণ করেন মুম্বাই ব্যাটসম্যান।

ডি ককের সঙ্গে ভয়ংকর হয়ে উঠছিলেন ক্রুনাল পান্ডিয়াও। ১৬ ওভারে ২ উইকেটেই ১৪০ রান তুলে ফেলে মুম্বাই। ২৪ বলে তাদের তখন দরকার ৩২ রান। এমতাবস্থায় আবারও বোলিংয়ে মোস্তাফিজকে আনেন রাজস্থান অধিনায়ক।

এবার প্রথম বলেই ক্রুনালের ছক্কা হজম করেন মোস্তাফিজ। তবে এরপরই দারুণভাবে ঘুরে দাঁড়ান। পরের দুই বল ডট দেন। চতুর্থ বলে দারুণ ইনসুইংগারে বোল্ড করেন ক্রুনালকে। ওই ওভারে মোটে ৭ রান খরচ করেন কাটার মাস্টার। ফলে ১৮ বলে ২৫ দরকার পড়ে মুম্বাইয়ের।

কিন্তু পরের ওভারে এসেই লড়াইটা নষ্ট করে দেন ক্রিস মরিস। প্রোটিয়া পেসার খরচ করেন ১৬ রান। সেখান থেকে দলকে জয়ের বন্দরে পৌঁছে দিতে আর কষ্ট হয়নি ডি ককের। ৫০ বলে ৬ চার আর ২ ছক্কায় ৭০ রানে অপরাজিত থাকেন বাঁহাতি এই ব্যাটসম্যান। ৮ বলে ১৬ রান নিয়ে তার সঙ্গে বিজয়ীর বেশে মাঠ ছাড়েন কাইরন পোলার্ড।

মোটামুটি ভালো বোলিং করেও দিনশেষে খরুচে ছিলেন মোস্তাফিজ। ৩.৩ ওভারে বাঁহাতি এই পেসার পেসার ৩৭ রান খরচায় নিয়েছেন ১ উইকেট। ৪ ওভারে ৩৩ রান দিয়ে ক্রিস মরিসের শিকার ২টি।

বিজনেস বাংলাদেশ/ এ আর

ট্যাগ :
জনপ্রিয়

সন্ধ্যা ৭টায় জাতির উদ্দেশে ভাষণ দেবেন প্রধান উপদেষ্টা

চতুর্থ হারের স্বাদ পেল মোস্তাফিজ

প্রকাশিত : ০৮:০৮:১১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৯ এপ্রিল ২০২১

ছয় ম্যাচে চতুর্থ হারের স্বাদ পেয়েছে মোস্তাফিজদের দল। ব্যাটিংটাই ডুবিয়ে দিল রাজস্থান রয়্যালসকে! ফ্লাট উইকেটে ১৭২ রান তাড়া করতে তেমন কষ্টই হয়নি মুম্বাই ইন্ডিয়ান্সের। ৭ উইকেট আর ৯ বল হাতে রেখে তারা হারিয়েছে রাজস্থানকে, তুলে নিয়েছে আসরে নিজেদের তৃতীয় জয়।

দিল্লির অরুণ জেটলি স্টেডিয়ামে রান তাড়ায় নেমে কুইন্টন ডি ককের ব্যাটে পাওয়ার প্লে’তে ভালো রান পায় মুম্বাই ইন্ডিয়ান্স। ষষ্ঠ ওভারের শেষ বলে ক্রিস মরিস ধীরগতির রোহিত শর্মাকে (১৭ বলে ১৪) তুলে নিলেও ১ উইকেটে ৪৯ রান তুলে মুম্বাই।

ইনিংসের চতুর্থ ওভারে মোস্তাফিজুর রহমানকে আক্রমণে এনেছিলেন রাজস্থান অধিনায়ক সঞ্জু স্যামসন। টাইগার পেসারের প্রথম দুই ডেলিভারিতেই চার আর ছক্কা হাঁকিয়ে বসেন ডি কক। তবে পরের চার বলে ৩ রানের বেশি দেননি কাটার মাস্টার। প্রথম ওভার শেষ করেন ১৩ রান দিয়ে।

অষ্টম ওভারে আবারও বল হাতে পান মোস্তাফিজ। ওভারের প্রথম বলটি স্লিপে ক্যাচের মতো ওঠে বাউন্ডারি হয়ে যায়। তৃতীয় বলেই এলবিডব্লিউয়ের আবেদন হয়েছিল, রিভিউও নিয়েছিল রাজস্থান। কিন্তু বল ব্যাটের কানায় লেগে যাওয়ায় সেটা বাতিল হয়ে যায়। ওই ওভারে ৮ রান খরচ করেন ফিজ।

দশম ওভারে এসে রাজস্থানকে আরও একটি উইকেট এনে দেন মরিস। সূর্যকুমার যাদব ভালো শুরুর পর ১০ বলে ১৬ করে হন মিডউইকেটে জস বাটলারের ক্যাচ। তবে ডি কক ঝড় থামেনি। ৩৫ বলে হাফসেঞ্চুরি পূর্ণ করেন মুম্বাই ব্যাটসম্যান।

ডি ককের সঙ্গে ভয়ংকর হয়ে উঠছিলেন ক্রুনাল পান্ডিয়াও। ১৬ ওভারে ২ উইকেটেই ১৪০ রান তুলে ফেলে মুম্বাই। ২৪ বলে তাদের তখন দরকার ৩২ রান। এমতাবস্থায় আবারও বোলিংয়ে মোস্তাফিজকে আনেন রাজস্থান অধিনায়ক।

এবার প্রথম বলেই ক্রুনালের ছক্কা হজম করেন মোস্তাফিজ। তবে এরপরই দারুণভাবে ঘুরে দাঁড়ান। পরের দুই বল ডট দেন। চতুর্থ বলে দারুণ ইনসুইংগারে বোল্ড করেন ক্রুনালকে। ওই ওভারে মোটে ৭ রান খরচ করেন কাটার মাস্টার। ফলে ১৮ বলে ২৫ দরকার পড়ে মুম্বাইয়ের।

কিন্তু পরের ওভারে এসেই লড়াইটা নষ্ট করে দেন ক্রিস মরিস। প্রোটিয়া পেসার খরচ করেন ১৬ রান। সেখান থেকে দলকে জয়ের বন্দরে পৌঁছে দিতে আর কষ্ট হয়নি ডি ককের। ৫০ বলে ৬ চার আর ২ ছক্কায় ৭০ রানে অপরাজিত থাকেন বাঁহাতি এই ব্যাটসম্যান। ৮ বলে ১৬ রান নিয়ে তার সঙ্গে বিজয়ীর বেশে মাঠ ছাড়েন কাইরন পোলার্ড।

মোটামুটি ভালো বোলিং করেও দিনশেষে খরুচে ছিলেন মোস্তাফিজ। ৩.৩ ওভারে বাঁহাতি এই পেসার পেসার ৩৭ রান খরচায় নিয়েছেন ১ উইকেট। ৪ ওভারে ৩৩ রান দিয়ে ক্রিস মরিসের শিকার ২টি।

বিজনেস বাংলাদেশ/ এ আর