০৯:০৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১০ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

ক্রিকেটে দুটি আক্ষেপ শচীনের

ছয় শতাধিক আন্তর্জাতিক ম্যাচ খেলা শচীন এক সাক্ষাৎকারে নিজের দুটি আক্ষেপের কথা জানিয়েছেন। প্রায় ২৫ বছরের ক্রিকেট ক্যারিয়ারে শচীন টেন্ডুলকারের প্রাপ্তির খাতায় কোনো কিছুই অপূর্ণ নেই। তার অর্জন আকাশছোঁয়া। ওয়ানডে ক্রিকেট বা টেস্টে সর্বাধিক রানই হোক বা এক শ সেঞ্চুরি, সবই আছে শচীনের নামের পাশে। ক্যারিয়ারের শেষদিকে এসে বিশ্বকাপও জিতেছেন। এত প্রাপ্তির পরেও দুটি আক্ষেপ আছে ভারতের কিংবদন্তি শচীন টেন্ডুলকারের।

ব্যাটিং কিংবদন্তি বলেছেন, ‘প্রথমত, আমি কোনো দিন সুনীল গাভাস্কারের সঙ্গে খেলিনি। আমি বেড়ে ওঠার সময় গাভাস্কারই আমার আদর্শ ছিলেন। কিন্তু কোনো দলে থেকে তার সঙ্গে না খেলার আক্ষেপ সারা জীবন থাকবে। আমার অভিষেকের বছর দুয়েক আগে গাভাস্কার অবসর নেন।’

শচীনের দ্বিতীয় আক্ষেপ হলো স্যর ভিভ রিচার্ডসের বিপক্ষে না খেলা। মাস্টার ব্লাস্টার বলেছেন, ‘ছোটবেলায় আমার আদর্শ ছিলেন স্যার ভিভিয়ান রিচার্ডস। তার বিপক্ষে কাউন্টি ক্রিকেট খেলতে পেরে আমি ভাগ্যবান। কিন্তু আন্তর্জাতিক ম্যাচে তার বিপক্ষে খেলার সৌভাগ্য কোনো দিন হয়নি। যদিও স্যর রিচার্ডস ১৯৯১ সালে যখন অবসর নেন, তখন আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে আমি বছর দুয়েক কাটিয়ে ফেলেছি। কিন্তু তবু তার বিপক্ষে খেলার সুযোগ কখনো আসেনি।’

বিজনেস বাংলাদেশ/ এ আর

ট্যাগ :
জনপ্রিয়

সন্ধ্যা ৭টায় জাতির উদ্দেশে ভাষণ দেবেন প্রধান উপদেষ্টা

ক্রিকেটে দুটি আক্ষেপ শচীনের

প্রকাশিত : ০৬:৩৬:১২ অপরাহ্ন, রবিবার, ৩০ মে ২০২১

ছয় শতাধিক আন্তর্জাতিক ম্যাচ খেলা শচীন এক সাক্ষাৎকারে নিজের দুটি আক্ষেপের কথা জানিয়েছেন। প্রায় ২৫ বছরের ক্রিকেট ক্যারিয়ারে শচীন টেন্ডুলকারের প্রাপ্তির খাতায় কোনো কিছুই অপূর্ণ নেই। তার অর্জন আকাশছোঁয়া। ওয়ানডে ক্রিকেট বা টেস্টে সর্বাধিক রানই হোক বা এক শ সেঞ্চুরি, সবই আছে শচীনের নামের পাশে। ক্যারিয়ারের শেষদিকে এসে বিশ্বকাপও জিতেছেন। এত প্রাপ্তির পরেও দুটি আক্ষেপ আছে ভারতের কিংবদন্তি শচীন টেন্ডুলকারের।

ব্যাটিং কিংবদন্তি বলেছেন, ‘প্রথমত, আমি কোনো দিন সুনীল গাভাস্কারের সঙ্গে খেলিনি। আমি বেড়ে ওঠার সময় গাভাস্কারই আমার আদর্শ ছিলেন। কিন্তু কোনো দলে থেকে তার সঙ্গে না খেলার আক্ষেপ সারা জীবন থাকবে। আমার অভিষেকের বছর দুয়েক আগে গাভাস্কার অবসর নেন।’

শচীনের দ্বিতীয় আক্ষেপ হলো স্যর ভিভ রিচার্ডসের বিপক্ষে না খেলা। মাস্টার ব্লাস্টার বলেছেন, ‘ছোটবেলায় আমার আদর্শ ছিলেন স্যার ভিভিয়ান রিচার্ডস। তার বিপক্ষে কাউন্টি ক্রিকেট খেলতে পেরে আমি ভাগ্যবান। কিন্তু আন্তর্জাতিক ম্যাচে তার বিপক্ষে খেলার সৌভাগ্য কোনো দিন হয়নি। যদিও স্যর রিচার্ডস ১৯৯১ সালে যখন অবসর নেন, তখন আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে আমি বছর দুয়েক কাটিয়ে ফেলেছি। কিন্তু তবু তার বিপক্ষে খেলার সুযোগ কখনো আসেনি।’

বিজনেস বাংলাদেশ/ এ আর