১০:৫৭ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ০৩ জানুয়ারী ২০২৬

বিজিএমইএ’র সদস্যভুক্ত ২ হাজার ৭৩৪ প্রতিষ্ঠান বন্ধ

বিজিএমই’র সদস্যভুক্ত ৪ হাজার ৭০০ প্রতিষ্ঠানের মধ্যে ২ হাজার ৭৩৪টি প্রতিষ্ঠান বন্ধ হয়ে গেছে বলে দাবি করেছে সংগঠনটি। শনিবার খুলশীর বিজিএমইএ ভবনের সম্মেলন কক্ষে সাংবাদিকদের সাথে মতবিনিময়কালে বিজিএমই’র পক্ষ থেকে এমন দাবি করা হয়। লিখিত বক্তব্যে প্রদান করেন বিজিএমইএ’র সহ-সভাপতি সৈয়দ নজরুল ইসলাম।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন বিজিএমইএর সাবেক প্রথম সহ-সভাপতি নাসিরুদ্দিন আহমেদ চৌধুরী, মঈনুদ্দিন আহমেদ মিন্টু, সাহাবুদ্দিন আহমেদ, এসএম আবু তৈয়ব, সহ-সভাপতি রকিবুল আলম চৌধুরী, পরিচালক এমএ সালাম, এম আহসানুল হক প্রমুখ। লিখিত বক্তব্যে বলা হয়, বিজিএমইএর সদস্যভুক্ত ৪ হাজার ৭০০ প্রতিষ্ঠানের মধ্যে ২ হাজার ৭৩৪টি বন্ধ হয়ে গেছে।

বাকি ১ হাজার ৯৬৬ প্রতিষ্ঠানের মধ্যে ১ হাজার ৬০০টি আমদানি-রফতানি কাজে নিয়োজিত আছে। চট্টগ্রামে ৬৭৯টি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে বন্ধ ৩৯৮টি। আমদানি-রফতানি কাজে নিয়োজিত আছে ১৯০টি। সৈয়দ নজরুল ইসলাম বলেন, ব্রান্ডিং ছাড়া পোশাক শিল্পকে টিকিয়ে রাখা যাবে না।

প্রধানমন্ত্রীর আন্তরিক এ শিল্পকে এগিয়ে নিতে। শ্রমঘন শিল্প হওয়ায় আমরা ঘুরে দাঁড়ানোর স্বপ্ন দেখছি। বন্দরের অপারেশনাল কার্যক্রম সংশ্লিষ্ট সেবাকে অত্যাবশ্যকীয় ও জরুরি সেবা হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করার প্রয়োজন। বন্দর কাস্টমস পরিবহন সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন সংগঠনের ধর্মঘটের মাধ্যমে আমদানি-রফতানি কার্যক্রম ব্যাহত করার অপচেষ্টা বন্ধ করা প্রয়োজন।

ট্যাগ :
জনপ্রিয়

হাসানাত আবদুল্লাহর মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা, প্রশাসনের বিরুদ্ধে পক্ষপাতিত্বের অভিযোগ

বিজিএমইএ’র সদস্যভুক্ত ২ হাজার ৭৩৪ প্রতিষ্ঠান বন্ধ

প্রকাশিত : ১২:০০:০১ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২১

বিজিএমই’র সদস্যভুক্ত ৪ হাজার ৭০০ প্রতিষ্ঠানের মধ্যে ২ হাজার ৭৩৪টি প্রতিষ্ঠান বন্ধ হয়ে গেছে বলে দাবি করেছে সংগঠনটি। শনিবার খুলশীর বিজিএমইএ ভবনের সম্মেলন কক্ষে সাংবাদিকদের সাথে মতবিনিময়কালে বিজিএমই’র পক্ষ থেকে এমন দাবি করা হয়। লিখিত বক্তব্যে প্রদান করেন বিজিএমইএ’র সহ-সভাপতি সৈয়দ নজরুল ইসলাম।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন বিজিএমইএর সাবেক প্রথম সহ-সভাপতি নাসিরুদ্দিন আহমেদ চৌধুরী, মঈনুদ্দিন আহমেদ মিন্টু, সাহাবুদ্দিন আহমেদ, এসএম আবু তৈয়ব, সহ-সভাপতি রকিবুল আলম চৌধুরী, পরিচালক এমএ সালাম, এম আহসানুল হক প্রমুখ। লিখিত বক্তব্যে বলা হয়, বিজিএমইএর সদস্যভুক্ত ৪ হাজার ৭০০ প্রতিষ্ঠানের মধ্যে ২ হাজার ৭৩৪টি বন্ধ হয়ে গেছে।

বাকি ১ হাজার ৯৬৬ প্রতিষ্ঠানের মধ্যে ১ হাজার ৬০০টি আমদানি-রফতানি কাজে নিয়োজিত আছে। চট্টগ্রামে ৬৭৯টি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে বন্ধ ৩৯৮টি। আমদানি-রফতানি কাজে নিয়োজিত আছে ১৯০টি। সৈয়দ নজরুল ইসলাম বলেন, ব্রান্ডিং ছাড়া পোশাক শিল্পকে টিকিয়ে রাখা যাবে না।

প্রধানমন্ত্রীর আন্তরিক এ শিল্পকে এগিয়ে নিতে। শ্রমঘন শিল্প হওয়ায় আমরা ঘুরে দাঁড়ানোর স্বপ্ন দেখছি। বন্দরের অপারেশনাল কার্যক্রম সংশ্লিষ্ট সেবাকে অত্যাবশ্যকীয় ও জরুরি সেবা হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করার প্রয়োজন। বন্দর কাস্টমস পরিবহন সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন সংগঠনের ধর্মঘটের মাধ্যমে আমদানি-রফতানি কার্যক্রম ব্যাহত করার অপচেষ্টা বন্ধ করা প্রয়োজন।