০৪:১৩ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

ইরানি হ্যাকারদের কবলে মার্কিন-ইইউ-ইসরায়েলি কোম্পানি

ইরানের হ্যাকাররা এবার ২৫০টির বেশি মার্কিন এবং ইসরায়েলি প্রতিরক্ষা প্রযুক্তি কোম্পানি সফলভাবে হ্যাক করার দাবি জানিয়েছে। বলা হচ্ছে, যুক্তরাষ্ট্র, ইউরোপীয় ইউনিয়ন এবং ইসরায়েলি সরকারের সঙ্গে সম্পৃক্ত ২৫০টির বেশি মাইক্রোসফট অফিস ৩৬৫ অ্যাকাউন্ট হ্যাক করা হয়েছে।

এক্সটেনসিভ পাসওয়ার্ড স্প্রেয়িংয়ের মাধ্যমে এই হ্যাক করা হয়। খবর সিএনএন ও জেরুজালেম পোস্টের। সোমবার মাইক্রোসফট থ্রেট ইন্টিলিজেন্স সেন্টার (এমএসটিআইসি) গণমাধ্যমকে এ খবর নিশ্চিত করেছে। মাইক্রোসফট বলছে, ইরানের জাতীয় স্বার্থের প্রতি সমর্থন জানাতেই হয়ত এই হ্যাক করা হয়েছে।

মূলত পারস্য উপসাগরে চলাচলকারী এবং বৈশ্বিক সামুদ্রিক পরিবহন কোম্পানিগুলোকে টার্গেট করে হ্যাকাররা, যাদের মধ্যপ্রাচ্যে ব্যবসা রয়েছে। ইরানি হ্যাকারদের কবলে পড়া যেসব কোম্পানি হ্যাকিংয়ের শিকার হয়েছে সেগুলো যুক্তরাষ্ট্র, ইউরোপীয় ইউনিয়ন এবং ইসরায়েলি সরকারের হয়ে কাজ করে।

এই প্রতিরক্ষা কোম্পানিগুলো মিলিটারি-গ্রেড রাডার, ড্রোন টেকনোলজি, স্যাটেলাইট সিস্টেম এবং ইমার্জেন্সি রেসপন্স কমিউনিকেশন সিস্টেম তৈরি করে। যদিও এ নিয়ে যুক্তরাষ্ট্র, ইইউ ও ইসরায়েল এখনো কোনো প্রতিক্রিয়া জানায়নি।

ট্যাগ :
জনপ্রিয়

নির্বাচন পরবর্তী ধানের শীষের কর্মীদের বাড়িঘর ভাঙচুর ও হামলার ঘটনায় জড়িতদের গ্রেপ্তারের দাবি বিএনপির

ইরানি হ্যাকারদের কবলে মার্কিন-ইইউ-ইসরায়েলি কোম্পানি

প্রকাশিত : ১২:০০:৪৮ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৩ অক্টোবর ২০২১

ইরানের হ্যাকাররা এবার ২৫০টির বেশি মার্কিন এবং ইসরায়েলি প্রতিরক্ষা প্রযুক্তি কোম্পানি সফলভাবে হ্যাক করার দাবি জানিয়েছে। বলা হচ্ছে, যুক্তরাষ্ট্র, ইউরোপীয় ইউনিয়ন এবং ইসরায়েলি সরকারের সঙ্গে সম্পৃক্ত ২৫০টির বেশি মাইক্রোসফট অফিস ৩৬৫ অ্যাকাউন্ট হ্যাক করা হয়েছে।

এক্সটেনসিভ পাসওয়ার্ড স্প্রেয়িংয়ের মাধ্যমে এই হ্যাক করা হয়। খবর সিএনএন ও জেরুজালেম পোস্টের। সোমবার মাইক্রোসফট থ্রেট ইন্টিলিজেন্স সেন্টার (এমএসটিআইসি) গণমাধ্যমকে এ খবর নিশ্চিত করেছে। মাইক্রোসফট বলছে, ইরানের জাতীয় স্বার্থের প্রতি সমর্থন জানাতেই হয়ত এই হ্যাক করা হয়েছে।

মূলত পারস্য উপসাগরে চলাচলকারী এবং বৈশ্বিক সামুদ্রিক পরিবহন কোম্পানিগুলোকে টার্গেট করে হ্যাকাররা, যাদের মধ্যপ্রাচ্যে ব্যবসা রয়েছে। ইরানি হ্যাকারদের কবলে পড়া যেসব কোম্পানি হ্যাকিংয়ের শিকার হয়েছে সেগুলো যুক্তরাষ্ট্র, ইউরোপীয় ইউনিয়ন এবং ইসরায়েলি সরকারের হয়ে কাজ করে।

এই প্রতিরক্ষা কোম্পানিগুলো মিলিটারি-গ্রেড রাডার, ড্রোন টেকনোলজি, স্যাটেলাইট সিস্টেম এবং ইমার্জেন্সি রেসপন্স কমিউনিকেশন সিস্টেম তৈরি করে। যদিও এ নিয়ে যুক্তরাষ্ট্র, ইইউ ও ইসরায়েল এখনো কোনো প্রতিক্রিয়া জানায়নি।