গত সপ্তাহে দেশের সব থেকে বড় ভোগ্য পণ্যের পাইকারি বাজার চট্টগ্রামের খাতুনগঞ্জে প্রতি মণ সয়াবিন বিক্রি হয়েছে ৫,৩৫০ টাকায়। আর পাম অয়েল ৫,০০০ টাকা। এ সপ্তাহে ১০০ টাকা বেড়ে বিক্রি হচ্ছে ৫,৪৫০ ও ৫,১০০ টাকায়। প্রতি লিটারে সাত টাকা দাম বৃদ্ধির ঘোষণা হলেও বাজারগুলোতে আগের দামে কেনা তেল মজুদ থাকায় নগরীর পাইকারি বাজারে এখনো পুরনো দামেই বিক্রি হচ্ছে তেল।
আর ব্যবস্যয়ী নেতারা বলছেন আন্তর্জাতিক বাজারে অপরিশোধিত সয়াবিন ও অপরিশোধিত পাম তেলের দাম বাড়ায় দেশের বাজারে এসে পড়ছে তার প্রভাব। তবে আমদানী ট্যাক্স-ভ্যাট কমিয়ে দাম নিয়ন্ত্রণে রাখতে পারে সরকার। আগের দামে কেনা তেল বিক্রি শেষ হলেই নতুন দামে বিক্রি শুরু হবে বলে জানায় খুচরা ব্যবসায়ীরা।
এদিকে, দফায় দফায় তেলে দাম বৃদ্ধিতে দিশেহারা ক্রেতারা। তেলসহ নিত্য প্রয়োজনীয় ভোগ্যপণ্যের দাম নিয়ন্ত্রণে সরকারের মনিটরিংয়ের পাশাপাশি ভর্তুকি দেয়ার আহ্বান জানিয়েছে ভোক্তা অধিকার সংগঠন। বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের তথ্যমতে, দেশে বছরে ২০ লাখ টন ভোজ্য তেলের চাহিদা রয়েছে।
এর মধ্যে দেশে উৎপাদিত তেলবীজ থেকে পাওয়া যায় সোয়া দুই লাখ টন তেল। বাকিটা আমদানি করতে হয় মালয়েশিয়া, ব্রাজিল,আর্জেন্টিনা ও প্যারাগুয়ে থেকে।



















