১১:২৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৪ জুলাই ২০২৬

চ্যাম্পিয়ন মেয়েদের সালাউদ্দিনের অভিনন্দন

প্রশংসায় ভাসছে হংকংকে হারিয়ে চ্যাম্পিয়ন মেয়েরা। জকি ক্লাব কাপে চ্যাম্পিয়ন হওয়ার পর প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা পর্যন্ত অভিনন্দন জানিয়েছেন কিশোরী ফুটবলারদের।

এরপর মঙ্গলবার বাফুফে ভবনে শিরোপা জয়ী মেয়েদেরকে অভিনন্দন জানান বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনের সভাপতি কাজী সালাউদ্দিন।

এসময় তিনি আবেগে আপ্লুত হয়ে বলেন, যে শহর থেকে তোমরা ট্রফি নিয়ে এসেছো, সেই শহরে আমি একসময়ে খেলেছি। আমার মেয়ের জন্মও সেখানে। এখন তোমাদের সামনে অবারিত সুযোগ আসবে। তোমাদের যাত্রা মাত্র শুরু। আগামী ৪ কিংবা ৫ বছরের মধ্যে তোমরা বড় দলে পরিণত হবে।

একসময়ে হংকংয়ে তার খেলার স্মৃতি তুলে ধরে বাফুফে সভাপতি বলেন, আমি যখন প্রথম হংকংয়ে খেলতে যাই। প্রথম তিনদিন তো অনুশীলনের পর বমি করেছি। একপর্যায়ে সেই অনুশীলনের সঙ্গে আমি মানিয়ে নিয়েছি। কঠোর পরিশ্রম করতে হয়েছে। কিছুদিন পর আমার বমিও বন্ধ হয়ে গেল। এই উদাহরণ দিচ্ছি এই কারণে যে ভবিষ্যতে হয়তো এমন পরিস্থিতির মুখোমুখি হতে পারো। কারণ তোমাদের সামনে উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ অপেক্ষা করছে।

ভারতের ঘরোয়া ফুটবলে খেলতে যাওয়া জাতীয় দলের স্ট্রাইকার সাবিনা খাতুনের প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, ভারতে গিয়ে সাবিনা গোল করেছে। পত্রিকায় বড় করে খবর ছাপা হয়েছে। দেখে আমার মনটা ভরে গেলো। তোমরা পরিশ্রম করো, আমি যতদিন আছি চেষ্টা করবো সুযোগ-সুবিধা বাড়াতে। আমি এখানে এসেছি তোমাদের উপদেশ দিতে। তোমরা সংবর্ধনা পাবা, পুরস্কার পাবা। ঘাবড়িও না।

ট্যাগ :
জনপ্রিয়

ভিসা প্রতারণা ও অনলাইন জুয়ার বিরুদ্ধে নীলফামারীতে পুলিশের অভিযান ‎গ্রেপ্তার: ৬১

চ্যাম্পিয়ন মেয়েদের সালাউদ্দিনের অভিনন্দন

প্রকাশিত : ১২:৩৪:৩১ অপরাহ্ন, বুধবার, ৪ এপ্রিল ২০১৮

প্রশংসায় ভাসছে হংকংকে হারিয়ে চ্যাম্পিয়ন মেয়েরা। জকি ক্লাব কাপে চ্যাম্পিয়ন হওয়ার পর প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা পর্যন্ত অভিনন্দন জানিয়েছেন কিশোরী ফুটবলারদের।

এরপর মঙ্গলবার বাফুফে ভবনে শিরোপা জয়ী মেয়েদেরকে অভিনন্দন জানান বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনের সভাপতি কাজী সালাউদ্দিন।

এসময় তিনি আবেগে আপ্লুত হয়ে বলেন, যে শহর থেকে তোমরা ট্রফি নিয়ে এসেছো, সেই শহরে আমি একসময়ে খেলেছি। আমার মেয়ের জন্মও সেখানে। এখন তোমাদের সামনে অবারিত সুযোগ আসবে। তোমাদের যাত্রা মাত্র শুরু। আগামী ৪ কিংবা ৫ বছরের মধ্যে তোমরা বড় দলে পরিণত হবে।

একসময়ে হংকংয়ে তার খেলার স্মৃতি তুলে ধরে বাফুফে সভাপতি বলেন, আমি যখন প্রথম হংকংয়ে খেলতে যাই। প্রথম তিনদিন তো অনুশীলনের পর বমি করেছি। একপর্যায়ে সেই অনুশীলনের সঙ্গে আমি মানিয়ে নিয়েছি। কঠোর পরিশ্রম করতে হয়েছে। কিছুদিন পর আমার বমিও বন্ধ হয়ে গেল। এই উদাহরণ দিচ্ছি এই কারণে যে ভবিষ্যতে হয়তো এমন পরিস্থিতির মুখোমুখি হতে পারো। কারণ তোমাদের সামনে উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ অপেক্ষা করছে।

ভারতের ঘরোয়া ফুটবলে খেলতে যাওয়া জাতীয় দলের স্ট্রাইকার সাবিনা খাতুনের প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, ভারতে গিয়ে সাবিনা গোল করেছে। পত্রিকায় বড় করে খবর ছাপা হয়েছে। দেখে আমার মনটা ভরে গেলো। তোমরা পরিশ্রম করো, আমি যতদিন আছি চেষ্টা করবো সুযোগ-সুবিধা বাড়াতে। আমি এখানে এসেছি তোমাদের উপদেশ দিতে। তোমরা সংবর্ধনা পাবা, পুরস্কার পাবা। ঘাবড়িও না।