০৫:১৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৯ জানুয়ারী ২০২৬

কুমিল্লায় ‘বন্দুকযুদ্ধে’ ডাকাত নিহত

কুমিল্লায় র‌্যাব ও পুলিশের সঙ্গে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ আল আমিন (৩৫) নামে একজন নিহত হয়েছেন। নিহত ডাকাত বলে দাবি করেছেন আইন-শৃঙ্খলাবাহিনীর সদস্যরা।

জানা গেছে, কুমিল্লায় পুলিশের সঙ্গে বন্দুকযুদ্ধে ৯ মামলার আসামি আন্তঃজেলা ডাকাত দলের সদস্য আল আমিন নিহত হয়েছেন। রবিবার রাত দেড়টার দিকে জেলার মুরাদনগর-ইলিয়টগঞ্জ সড়কের শুশুন্ডা এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে একটি পাইপগান, পাঁচটি মুখোশ ও কিছু ধারালো অস্ত্র উদ্ধার করেছে। নিহত আল আমিন জেলার মুরাদনগর উপজেলার ছালিয়াকান্দি গ্রামের সিরাজ মিয়ার ছেলে।

মুরাদনগর থানার ওসি একেএম মঞ্জুর আলম জানান, আন্তঃজেলা জেলা ডাকাত দলের সদস্য আল আমিন দীর্ঘদিন ধরে ডাকাতি করে আসছিল। রবিবার রাতে মুরাদনগর-ইলিয়টগঞ্জ সড়কের শুশুন্ডা এলাকায় আল আমিন তার সহযোগীদের নিয়ে ডাকাতির প্রস্তুতি নিচ্ছিল। এমন খবর পেয়ে কুমিল্লার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (উত্তর) শাখাওয়াত হোসেন এবং অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (মুরাদনগর সার্কেল) মো. জাহাঙ্গীর আলমের নেতৃত্বে থানা ও ডিবি পুলিশের একটি দল সেখানে পৌঁছে। এ সময় পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে ডাকাত দল গুলি ছোড়। পরে পুলিশও আত্মরক্ষায় ৩৫ রাউন্ড শটগানের পাল্টা গুলি ছোড়ে। এ সময় আল আমিন আহত হয়। তাকে কুমেক হাসপাতালে নেয়ার পর চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।

ট্যাগ :
জনপ্রিয়

ভেড়ামারায় প্রশিক্ষণ কর্মশালা, অবহিতকরণ সভা ও ক্রীড়া প্রতিযোগিতার পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠিত

কুমিল্লায় ‘বন্দুকযুদ্ধে’ ডাকাত নিহত

প্রকাশিত : ১১:২৩:৪০ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৩ এপ্রিল ২০১৮

কুমিল্লায় র‌্যাব ও পুলিশের সঙ্গে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ আল আমিন (৩৫) নামে একজন নিহত হয়েছেন। নিহত ডাকাত বলে দাবি করেছেন আইন-শৃঙ্খলাবাহিনীর সদস্যরা।

জানা গেছে, কুমিল্লায় পুলিশের সঙ্গে বন্দুকযুদ্ধে ৯ মামলার আসামি আন্তঃজেলা ডাকাত দলের সদস্য আল আমিন নিহত হয়েছেন। রবিবার রাত দেড়টার দিকে জেলার মুরাদনগর-ইলিয়টগঞ্জ সড়কের শুশুন্ডা এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে একটি পাইপগান, পাঁচটি মুখোশ ও কিছু ধারালো অস্ত্র উদ্ধার করেছে। নিহত আল আমিন জেলার মুরাদনগর উপজেলার ছালিয়াকান্দি গ্রামের সিরাজ মিয়ার ছেলে।

মুরাদনগর থানার ওসি একেএম মঞ্জুর আলম জানান, আন্তঃজেলা জেলা ডাকাত দলের সদস্য আল আমিন দীর্ঘদিন ধরে ডাকাতি করে আসছিল। রবিবার রাতে মুরাদনগর-ইলিয়টগঞ্জ সড়কের শুশুন্ডা এলাকায় আল আমিন তার সহযোগীদের নিয়ে ডাকাতির প্রস্তুতি নিচ্ছিল। এমন খবর পেয়ে কুমিল্লার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (উত্তর) শাখাওয়াত হোসেন এবং অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (মুরাদনগর সার্কেল) মো. জাহাঙ্গীর আলমের নেতৃত্বে থানা ও ডিবি পুলিশের একটি দল সেখানে পৌঁছে। এ সময় পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে ডাকাত দল গুলি ছোড়। পরে পুলিশও আত্মরক্ষায় ৩৫ রাউন্ড শটগানের পাল্টা গুলি ছোড়ে। এ সময় আল আমিন আহত হয়। তাকে কুমেক হাসপাতালে নেয়ার পর চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।